কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া, ০৮ মে ২০১২ ইং
কক্সবাজারের উখিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৮ টি দোকান সহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল (৮মে) ভোর ৭ টায় উখিয়া সদরের রাজাপালং ইউনিয়ন
পরিষদ সংলগ্ন হাজী শহর মুুল্লুকের মার্কেটে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। টম টম গাড়ীর ব্যাটারীর চার্জ অতিরিক্ত হওয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্র পাত হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ২টি ফার্নিচারের দোকান, ১টি মটর সাইকেল ওয়ার্কসপ, ১ সিএনজি গাড়ীর ওয়ার্কসপ, ২ টি মুদির দোকান, ১টি রিক্সার ওয়ার্কসপ, ১ টি চায়ের দোকান ও একটি বসত বাড়ী পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মটর সাইকেল ওয়ার্কশফ মালিক শরিফ উল্লাহ জানান, অগ্নি কান্ডের ঘটনায় দোকানের মালিকেরা কোন মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি। তার ওয়ার্কশপে বিভিন্ন লোকজনের মেরামতের জন্য রক্ষিত কমপক্ষে ২০টি মোটর সাইকেল আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়াও সিএনজি ওয়ার্কসপের নতুন দুটি সিএনজি গাড়ী ও ফার্নিচারের দোকানে মজুদ থাকা প্রায় ২০ লাখ টাকার ফার্ণিচার সহ মুদি মালামাল আগুনে পুড়ে যায়। এত ক্ষয় ক্ষতির পরিমান কোটি টাকা হবে বলে ধার না করছেন স্থানীয় লোকজন। আগুন নিভাতে গিয়ে ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ১ ঘন্টা পর অগ্নিকান্ডস্থলে পৌঁেছ স্থানীয় জনসাধারণ ও থানা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শণ করে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিককে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন। মটর সাইকেল মালিক সাংবাদিক মাহমুদুল হক বাবুল জানান, ১ দিন আগে তার ব্যবহারের মটর সাইকেলটি ওয়ার্কসপে মেরামত করতে দিয়েছিলেন, সেটা আগুনে পুড়ে গেছে। ফার্নিচার দোকানের মালিক নুরুল আলম জানান, তার দোকানে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফার্নিচার মজুদ ছিল। দোকানের সব মালামাল পুড়ে যাওয়ায় আর্থিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের নিকট অগ্নি কান্ডের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিককে সরকারী ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।
কক্সবাজারের উখিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৮ টি দোকান সহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল (৮মে) ভোর ৭ টায় উখিয়া সদরের রাজাপালং ইউনিয়ন
পরিষদ সংলগ্ন হাজী শহর মুুল্লুকের মার্কেটে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। টম টম গাড়ীর ব্যাটারীর চার্জ অতিরিক্ত হওয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্র পাত হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ২টি ফার্নিচারের দোকান, ১টি মটর সাইকেল ওয়ার্কসপ, ১ সিএনজি গাড়ীর ওয়ার্কসপ, ২ টি মুদির দোকান, ১টি রিক্সার ওয়ার্কসপ, ১ টি চায়ের দোকান ও একটি বসত বাড়ী পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মটর সাইকেল ওয়ার্কশফ মালিক শরিফ উল্লাহ জানান, অগ্নি কান্ডের ঘটনায় দোকানের মালিকেরা কোন মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি। তার ওয়ার্কশপে বিভিন্ন লোকজনের মেরামতের জন্য রক্ষিত কমপক্ষে ২০টি মোটর সাইকেল আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়াও সিএনজি ওয়ার্কসপের নতুন দুটি সিএনজি গাড়ী ও ফার্নিচারের দোকানে মজুদ থাকা প্রায় ২০ লাখ টাকার ফার্ণিচার সহ মুদি মালামাল আগুনে পুড়ে যায়। এত ক্ষয় ক্ষতির পরিমান কোটি টাকা হবে বলে ধার না করছেন স্থানীয় লোকজন। আগুন নিভাতে গিয়ে ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ১ ঘন্টা পর অগ্নিকান্ডস্থলে পৌঁেছ স্থানীয় জনসাধারণ ও থানা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শণ করে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিককে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন। মটর সাইকেল মালিক সাংবাদিক মাহমুদুল হক বাবুল জানান, ১ দিন আগে তার ব্যবহারের মটর সাইকেলটি ওয়ার্কসপে মেরামত করতে দিয়েছিলেন, সেটা আগুনে পুড়ে গেছে। ফার্নিচার দোকানের মালিক নুরুল আলম জানান, তার দোকানে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ফার্নিচার মজুদ ছিল। দোকানের সব মালামাল পুড়ে যাওয়ায় আর্থিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের নিকট অগ্নি কান্ডের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিককে সরকারী ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করা হবে বলে জানান।


0 Comments