বিশেষ প্রতিবেদক:
মহেশখালীর কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন অব্যাহত রয়েছে। যারফলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় সহস্রাধীক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ছেলে মেয়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
সাবেক মেম্বার রশিদ আহমদ জানান, গত দুই মাস ধরে বিদ্যালয়ে কোন ক্লাস হচ্ছেনা। শিক্ষকেরা দুই তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষকের কোন দক্ষতা না থাকায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রধান শিক্ষককে পুতুল হিসাবে রেখে অনিয়ম দুর্নীতি করাই বর্তমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির প্রধান লক্ষ্য।
অভিভাবক মোহাম্মদ শামসুল আলম জানান, বিগত সময়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ওই বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ শফিউল আলম সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে নির্বাচিত হলেও তাকে নিয়োগ না দিয়ে ৫ প্রার্থীর মধ্যে সর্বনিম্ন নম্বর পাওয়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির আতœীয় একই বিদ্যালয়ের অপর শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চালায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। ওই শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়াও ছিল সম্পুর্ণ অবৈধ। সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জন্য প্রণীত আইন জনবল কাঠামো লংঘন করে ওই শিক্ষককে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়ে ছিল। বিষয়টি একাধীক অডিট রিপোর্টে প্রমাণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ওই শিক্ষকের গ্রহন করা বেতন ভাতাদি ফেরত দিতে নির্দেশ দিলেও এখনো তা ফেরত দেয়নি। ওই শিক্ষক এখন প্রধান শিক্ষকের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করছেন।
প্রধান শিক্ষক নুর হোছাইন শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন ও শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে তালা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। নিজের দক্ষতার বিষয়ে কিছু বলতে অপারগাত প্রকাশ করেন।
মহেশখালীর কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন অব্যাহত রয়েছে। যারফলে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় সহস্রাধীক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ছেলে মেয়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
সাবেক মেম্বার রশিদ আহমদ জানান, গত দুই মাস ধরে বিদ্যালয়ে কোন ক্লাস হচ্ছেনা। শিক্ষকেরা দুই তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষকের কোন দক্ষতা না থাকায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রধান শিক্ষককে পুতুল হিসাবে রেখে অনিয়ম দুর্নীতি করাই বর্তমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির প্রধান লক্ষ্য।
অভিভাবক মোহাম্মদ শামসুল আলম জানান, বিগত সময়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ওই বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ শফিউল আলম সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে নির্বাচিত হলেও তাকে নিয়োগ না দিয়ে ৫ প্রার্থীর মধ্যে সর্বনিম্ন নম্বর পাওয়া বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির আতœীয় একই বিদ্যালয়ের অপর শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চালায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। ওই শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়াও ছিল সম্পুর্ণ অবৈধ। সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জন্য প্রণীত আইন জনবল কাঠামো লংঘন করে ওই শিক্ষককে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়ে ছিল। বিষয়টি একাধীক অডিট রিপোর্টে প্রমাণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ওই শিক্ষকের গ্রহন করা বেতন ভাতাদি ফেরত দিতে নির্দেশ দিলেও এখনো তা ফেরত দেয়নি। ওই শিক্ষক এখন প্রধান শিক্ষকের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করছেন।
প্রধান শিক্ষক নুর হোছাইন শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন ও শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষে তালা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। নিজের দক্ষতার বিষয়ে কিছু বলতে অপারগাত প্রকাশ করেন।

0 Comments