কাইছার পারভেজ চৌধুরী
টেকনাফের ইয়াবা গডফাদার গফুরের চালান পাচার করতে গিয়ে হৃীলায় পিতা-পুত্র ডিবি পুলিশের হাতে আটক। বর্তমানে
জেলা কারাগারে মানবেতর দিনযাপন করছে। রিমান্ড মুকুপ ও কারাগার থেকে ছাড়িয়ে নিতে মোটা অংকের মিশন নিয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সূত্রে জানা যায় টেকনাফ নাজির পাড়া এলাকার হাজী সুলতান আহমদের পুত্র ০৩ বছর পূর্বে আব্দুল গফুর হৃীলা ইউনিয়নের লেচুয়া প্রাং গ্রামের মৃত আব্দুল শরীফের পুত্র শওকত আলীর মেয়ে রাবিয়া আক্তারকে বিয়ে করে। সেই সুবাধে তার স্ত্রী রাবিয়া আক্তার সপ্তাহে ২/৩ বার করে হৃীলা লেচুয়া প্রাংস্থ বাপের বাড়ীতে বেড়াতে আসার সুযোগে ইয়াবার চালান এনে বাপের বাড়ীতে রাখে। ওখান থেকে ওই চালানের খুচরা খুচরা অংশ তার ভাই, চাচাতো ভাই, বোনের জামাই ও ফুফাতোভাইদের চরণধার হিসাবে ব্যবহার করে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। সম্প্রতি পাচারকে কেন্দ্র করে তার বোনের জামাই হামিদুল্লাহর সাথে বনিবনা না হওয়ায় চাচা আলি আহমদ ও চাচাতভাই রবিউল আলম ইয়াবার চালান নিয়ে কক্সবাজার গেলে বোনের জামাইয়ের কারসার্জিতে ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়। আটক তিপা পত্রকে ছাড়িয়া আনতে বর্তমানে গর্ডফাদার গফুর লাখ টাকার মিশনে নেমেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য যে, লেচুয়া প্রাংয়ের লোকজন আগে ইয়াবা কি কখনো জানত না। গফুর এবং তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তার টেকনাফ থেকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ইয়াবা এনদিয়ে পুরো এলাকার নিরীহ ও উঠতি বয়সের যুবকদের ইয়াবার করাল গ্রাসে ভাসিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে এলাকাটি নিরাপদ ইয়াবার ঘাটি সে ঘাঁটিকে প্রতিনিয়ত ইয়াবার চালান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাপ্লাই হয়েছে। আর এ ইয়াবা পাচারে জড়িয়ে পড়ে এলাকার অনেকে এখন লাখপতি কোটিপতি।
সচেতন মহলের অভিমত টেকনাফের ইয়াবার গর্ডফাদারদের চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনলে ইয়াবা পাচারের মূল রহস্য উদঘাটন হবে। পাশাপাশি বড় ইয়াবা গর্ড ফাদারদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনলে চরণধার হিসাবে ব্যবহৃত পাচারকারী চুনোপুটিরা ধরাশায়ী হয়ে পড়বে বলে সচেতন এলাকাবসীর দাবী।

0 Comments