ইউনিপেটুইউ-আর্থ এমএলএম কোম্পানির ব্যাপক প্রতারণার পর এবার ইসলামী শরিয়াহ’র আদলে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে একটি মৌলবাদী
চক্র। কক্সবাজারের পর এবার ঈদগাঁওতেও আল মাহিয়ান ফিন্যান্স এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড কোম্পানির কর্মকর্তা সহজ কিস্তিতে গাড়ি দেয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে ঈদগাঁও থেকে। মাত্র চার মাস আগে মৌলবাদী চক্র স্থানীয় পত্রিকায় সহজ কিস্তিতে বিভিন্ন গাড়ি প্রদান সংক্রান্ত রংচটা বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে আল মাহিয়ানের ওই কর্মকর্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অংকের এই টাকা নিজের কব্জায় নিয়ে নেয়। সপ্তাহ খানেক ধরে ওই কর্মকর্তার অফিসে দেখা না পেয়ে হতাশায় ভূগছেন গ্রাহকেরা।
চক্র। কক্সবাজারের পর এবার ঈদগাঁওতেও আল মাহিয়ান ফিন্যান্স এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড কোম্পানির কর্মকর্তা সহজ কিস্তিতে গাড়ি দেয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে ঈদগাঁও থেকে। মাত্র চার মাস আগে মৌলবাদী চক্র স্থানীয় পত্রিকায় সহজ কিস্তিতে বিভিন্ন গাড়ি প্রদান সংক্রান্ত রংচটা বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে আল মাহিয়ানের ওই কর্মকর্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অংকের এই টাকা নিজের কব্জায় নিয়ে নেয়। সপ্তাহ খানেক ধরে ওই কর্মকর্তার অফিসে দেখা না পেয়ে হতাশায় ভূগছেন গ্রাহকেরা।
বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা জানিয়েছেন, ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক সহজ কিস্তিতে সিএনজি থ্রী হুইলার , পেয়াজিয়ো, নন্দী, জেএসএ গাড়ি সরবরাহের নাম করে ঈদগাঁও’র ২৫ জন গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম ২ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা হারে প্রায় অর্ধকোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আল মাহিয়ানের ঈদগাঁও অফিসের ইনচার্জ জালালাবাদ উত্তর পালাকাটা গ্রামের মৌং আবদুল খালেকের পুত্র সাইফুল ইসলাম প্রায় সপ্তাহ ধরে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ওই অর্ধকোটি টাকা নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় ২ মাস আগে ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বের একটি দোকানে আল মাহিয়ান তাদের কার্যক্রম শুরু করে। সহজ কিস্তিতে ৩-৪ টি বিভিন্ন ব্রান্ডের গাড়ি ডেলিভারী দিয়ে প্রথমে বিশ্বাস স্থাপন করে গ্রাহকদের। পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্রান্ডের সহজ কিস্তিতে গাড়ি দেওয়ার নাম করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতাতে থাকে। ইতিমধ্যে টমটম, পেয়াজিয়ো, নন্দী ও সিএনজি বাবৎ গ্রাহক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। নির্ধারিত তারিখে গ্রাহকরা গাড়ির জন্য তাদের অফিসে গেলে ওই কর্মকর্তাকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন অনেকে। ঈদগাঁও অফিসের ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের ০১৫৫-৭০৭০০১৩ নম্বরে এ বিষয়ে বার বার যোগাযোগ করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ঈদগাঁও’র অসহায় দরিদ্র পরিবারের বেকার যুবকরা জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে টমটম, পেয়াজিয়ো নন্দী গাড়ির জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে বর্তমানে পড়েছে মহা বিপাকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , পালাকাটার আলী আহমদ, চৌফলদন্ডীর ছৈয়দ করিম,ঈদগাঁও’র মৌলানা জাফর , এরং জালালাবাদের আবু ছৈয়দ, ছৈয়দ হোসেনসহ অনেকেই অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে গাড়ী না পেয়ে চরম হতাশায় ভূগছেন। ইতোমধ্যে প্রতারনার নতুন কৌশল হিসাবে ঐ মৌলবাদী চক্র ঈদগাঁওতে মুদারবা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প নামের ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প ও হাউজিং ঋণ প্রকল্প নামে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
তাদের কার্যক্রম তদারকী করার জন্য এবং গ্রাহকদের প্রদত্ত টাকা ফিরে পেতে এখন ক্ষতিগ্রস্থরা প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঈদগাঁও’র অসহায় দরিদ্র পরিবারের বেকার যুবকরা জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে টমটম, পেয়াজিয়ো নন্দী গাড়ির জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে বর্তমানে পড়েছে মহা বিপাকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , পালাকাটার আলী আহমদ, চৌফলদন্ডীর ছৈয়দ করিম,ঈদগাঁও’র মৌলানা জাফর , এরং জালালাবাদের আবু ছৈয়দ, ছৈয়দ হোসেনসহ অনেকেই অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে গাড়ী না পেয়ে চরম হতাশায় ভূগছেন। ইতোমধ্যে প্রতারনার নতুন কৌশল হিসাবে ঐ মৌলবাদী চক্র ঈদগাঁওতে মুদারবা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প নামের ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প ও হাউজিং ঋণ প্রকল্প নামে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
তাদের কার্যক্রম তদারকী করার জন্য এবং গ্রাহকদের প্রদত্ত টাকা ফিরে পেতে এখন ক্ষতিগ্রস্থরা প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


0 Comments