প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে চলা মামলার রায় বের হবে। সে বছরের জানুয়ারিতে সরকারের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে আগামী নির্বাচন করতে হবে। সে নির্বাচনে জয়ী হলে অবশ্যই ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধে আমরা জয়লাভ করব।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে
ছাত্রলীগের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আগে ছাত্রলীগের জন্ম হয়েছে। সেদিক দিয়ে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের চেয়ে এক বছরের বড়।’ প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রলীগের প্রথম কাজ লেখাপড়া করা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনো দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই। আমরা মিয়ানমারের সুনীল সমুদ্রও জয় করতে পেরেছি।’
বিরোধী দলের ডাকা আজকের হরতাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কোনো ইস্যু ছাড়া হরতাল ডেকেছে। পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি কী করেছে? হরতালে বাসের মধ্যে ঘুমন্ত চালককে পুড়িয়ে মেরেছে। একসঙ্গে পাঁচটি জীবন নিয়েছে। তাদের কথা ভেবে দেখেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর আগে বাংলাদেশে অপশাসন চলেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনীতিবিদ সবার সঙ্গেই অসদাচরণ করেছে, নিপীড়ন করেছে। সেই দানবরূপী তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা আর চাই না।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে
ছাত্রলীগের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আগে ছাত্রলীগের জন্ম হয়েছে। সেদিক দিয়ে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের চেয়ে এক বছরের বড়।’ প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রলীগের প্রথম কাজ লেখাপড়া করা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনো দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই। আমরা মিয়ানমারের সুনীল সমুদ্রও জয় করতে পেরেছি।’
বিরোধী দলের ডাকা আজকের হরতাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কোনো ইস্যু ছাড়া হরতাল ডেকেছে। পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি কী করেছে? হরতালে বাসের মধ্যে ঘুমন্ত চালককে পুড়িয়ে মেরেছে। একসঙ্গে পাঁচটি জীবন নিয়েছে। তাদের কথা ভেবে দেখেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর আগে বাংলাদেশে অপশাসন চলেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনীতিবিদ সবার সঙ্গেই অসদাচরণ করেছে, নিপীড়ন করেছে। সেই দানবরূপী তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা আর চাই না।’


0 Comments