Advertisement

সন্ত্রাসীদের বর্বরতার শিকার বিধবা নারী


জি.এম ইদ্রিস মিয়া
উখিয়া হলদিয়াপালং রুমখাঁ বড়বিল হাতির ঘোনা গ্রামের হোটেল বাবুর্চি মৃত জবর মুল্লুকের হতদরিদ্র অসহায় স্ত্রী নুর নাহার বেগম (৪৮) সহ তার কিশোরী কন্যা পালং আদর্শ
উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী শাহিনা আক্তার (১৪) সন্ত্রাসীরা নির্মম ভাবে নির্যাতন চালিয়ে বর্বরোচিত নৃশংশ ঘটনার জন্ম দিলেও এখনও পর্যন্ত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং নির্যাতিত ওই মহিলা নিজের পরিবারের নিরাপত্তা ও সু-বিচারের আশায় প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়ে এজাহার দায়ের করিলে উক্ত সন্ত্রাসীরা এজাহার তুলে নেওয়ার জন্য দিন দুপুরে হামলা মামলার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে বলে তার পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে। অভিযোগে জানা যায়, ৯ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ৯ টায়  স্থানীয় প্রিয়দর্শী বড়–য়ার সন্ত্রাসী পুত্র ভুতু বড়–য়া (৩০) গংরা নুর নাহার বেগমের বসতভিটায় লালিত পালিত বাঁশ অবৈধ ভাবে কাটতে গেলে নুর নাহার বেগম বাধাঁ প্রদান করে। উক্ত সন্ত্রাসীরা ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে নুর নাহার বেগম ও তার কন্যা শাহিনা আক্তারকে মারধর করে জোর পূর্বক শ্লীতাহানির চেষ্টা চালালে তাদের শোর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এলাকার অর্ধশতাধিক শিশু ও নারী পুরুষ তাদের উদ্ধারের জন্য এগিয়ে আসলে তাদেরকেও হামলা মামলার ভয় ভীতি প্রদর্শন করে জন সম্মুখে উক্ত সন্ত্রাসীরা অসহায় নুর নাহার বেগম ও তার কন্যাকে জীবন্ত মাটিতে পুঁতে ফেলার উদ্দেশ্যে মাটি চাপা দেয়। যা  আয়েমেজাহেলিয়ারযুগকেও হার মানায়। উক্ত সন্ত্রাসীরা ইতিপূর্বেও একই গ্রামে উক্ত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অবৈধ অস্ত্র- স্বস্ত্র নিয়ে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে এলাকায় সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে অনৈতিক সুবিধা আদায় করে আসলেও প্রশাসন নিরব থাকায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এছাড়াও গত মার্চ বন বিভাগের ভিলেজার ফরিদ আলম খুনের ঘটনায় উক্ত সন্ত্রাসীরা জড়িত আছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। উক্ত সন্ত্রাসীদের ভয়ে পুরো এলাকার লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করলে উক্ত সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।  এতে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটিয়ে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আসলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? আইন প্রয়োগকারী লোকদের ক্ষমতার চেয়ে সন্ত্রাসীদের ক্ষমতা কি বড়? তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? এলাকার শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের জগন্য সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দন্ডিত করার জন্য এলাকাবাসী মাননীয় জেলা প্রশাসক ও মাননীয় পুলিশ সুপারের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

Post a Comment

0 Comments