পর্যটন নগরী কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের জলকেলী উৎসবকে ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নানা রং-এ সাজানো হচ্চে রাখাইন পল্লীগুলোকে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইনদের
সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব দেখতে কক্সবাজারে জড়ো হতে শুরু করেছেন দেশী-বিদেশী হাজারো পর্যটক। ১৭ এপ্রিল থেকে সাগ্রেং পোয়ে বা জলকেলী উৎসব শুরু হলেও পুজা পার্বনের মাধ্যমে এর আনুষ্টানিকতা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। রাখাইনদের এ উৎসবকে সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর হয়ে উঠেছে।
সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব দেখতে কক্সবাজারে জড়ো হতে শুরু করেছেন দেশী-বিদেশী হাজারো পর্যটক। ১৭ এপ্রিল থেকে সাগ্রেং পোয়ে বা জলকেলী উৎসব শুরু হলেও পুজা পার্বনের মাধ্যমে এর আনুষ্টানিকতা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। রাখাইনদের এ উৎসবকে সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর হয়ে উঠেছে।
পর্যটন শহর কক্সবাজার এখন উৎসবের নগরী। রাখাইন সম্প্রদায়ের নর-নারীরা বুদ্ধের মূর্তিকে স্নান করানোর মাধ্যমে শুরু করেছে তাদের সামাজিক এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। তবে ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে জলকেলী উৎসব অর্থ্যাৎ পানি খেলা। পানি খেলাকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে রাখাইন সম্প্রদায়ের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতারা মেতে উঠেছে জলকেলি উৎসবের আনন্দে।
জানা যায়, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত শহর কক্সবাজারে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইনদের নববর্ষ উৎসব প্রতিবছরের মত এবারও বেশ ঝাঁকঝমকপূর্ণ ভাবে উদ্যাপিত হবে। রাখাইনদের এ উৎসবের মূল লক্ষ্য অতীতের সকল ব্যাথা-বেদনা, গ¬ানি ভূলে গিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়া। রাখাইন তরুন-তরুনীরা নতুন ও আকর্ষণীয় পোষাক পরিধান করে সেজেগুজে রাস্তার মোড়ে মোড়ে এবং রাখাইন পল¬ীতে তৈরি করা জলকেলী উৎসবের প্যান্ডেলে গিয়ে একে অপরকে পানি নিক্ষেপ করে আনন্দ প্রকাশ করবে। এসময় নাচ-গানসহ চলবে আনন্দঘন অনুষ্ঠান। সাথে ঢাক-ঢোল আর কাঁসার তালে তালে নেচে উঠবে রাখাইন আবাল-বৃদ্ধ-বণিতাদের প্রাণ।
কক্সবাজার সিটি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ক্যথিংঅং জানান, জলকেলী উৎসব হচ্ছে রাখাইনদের সামাজিক একটি উৎসব। যে উৎসবের মধ্যে দিয়ে অতীতের সকল ব্যাথা-বেদনা ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া যায়। এবছরও নানা জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জলকেলী উৎসব সম্পন্ন হবে বলে আশা করেন তিনি।


0 Comments