পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি ও গর্বিত ঐতিহ্যের রূপময় ছটায় উদ্ভাসিত সার্বজনীন উৎসবের দিন। এই দিনটিতে
নতুন মানুষের মনে পুরনো সব ব্যর্থতা ও আবর্জনার জঞ্জাল সরিয়ে নতুন আশা, কর্মোদ্দীপনা, স্বপ্ন ও প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হওয়ার ডাক দিয়ে যায়। মোগল সম্রাট আকবরের নির্দেশে তার সভাসদ আমীর ফতেহউল্লাহ খান সিরাজী প্রায় চারশ' বছরেরও আগে হিজরি সনের সঙ্গে মিল রেখে ফসলি সন হিসেবে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দের প্রচলন ঘটিয়েছিলেন। তখনই বঙ্গাব্দের সূচনা হয় বৈশাখের প্রথমদিন থেকে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তা এই জনপদের মানুষের গর্বিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। বৈশাখী উৎসব সংস্কৃতির অন্যতম সমৃদ্ধ এক উপাদানে পরিণত হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্মকে তার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি লালন পূর্বক বৈশাখীর উচ্ছ্বলতায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বির্নিমানে এগিয়ে যেতে হবে। পহেলা বৈশাখ শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমীর উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও বৈশাখী কবিতা পাঠের অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। একাডেমীর সভাপতি মুহম্মদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও রহমান আতিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও বৈশাখী কবিতা পাঠে অংশ নেন, একাডেমীর স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান কবি সুলতান আহমদ, অধ্যাপক দিলওয়ার চৌধুরী, পিটি আই সাবেক সুপারিনটেন্ডডেন্ট একাডেমীর নির্বাহী সদস্য রাজ বাহারী চৌধুরী, কবি হাসিনা চৌধুরী লিলি, মুক্তিযোদ্ধা ও কবি মোজাম্মেল হক, কবি ও ছড়াকার মোহাম্মদ আমিরুদ্দীন, কবি সিরাজুল কবির বুলবুল, ছড়াকার জহির ইসলাম, আজাদ মনসুর, এম. এরশাদুর রহমান, রহমান আতিক ও রোজিনা আক্তার।
0 Comments