মহেশখালীর শাপলাপুরে পাহাড় কেটে আশ্রায়ণ প্রকল্পের মাটি ভরাট
মোহাম্মদ আবু তাহের
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় টিলা কেটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি কাজ চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এনিয়ে স্থানীয়
এলাকাবাসীর পক্ষে মাষ্টার আব্দুল হক মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও),জেলা প্রশাসক ও ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে টিলা কাটা বন্ধ করে দেন এবং দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক আটক করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের দিনেশপুর এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি কাজ করতে এক সপ্তাহ ধরে টিলা কাটছে। দীর্ঘ দিনে পাহাড়ের পানি চলাচলের খাল বন্ধ ও স্থানীয় কয়েকজনের জমি দখল করে আশ্রয়ণ প্রকল্প করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক দিয়ে স্থানীয় শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এক সপ্তাহ ধরে প্রকল্পের মাটি ভরাট করছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দিনেশপুর কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা নজির আহমদ, জাফর আহমদসহ কয়েকজন মিলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি ভরাট করার জন্য ওই টিলার মাটি বিক্রি করে। সমতল জমির উপযোগি করার জন্য মাত্র ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে টিলার মাটি বিক্রি করে। কিন্তু টিলা কাটা একেবারেই নিষেধ তা জানেন না বলে মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত জাফর আহমদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মাষ্টার আব্দুল হক এই প্রতিনিধিকে বলেন, স্থানীয় শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক বাইরের সরকারি খাস জমি দেখিয়ে সরকার থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনুমোধন দেন। কিন্তু সরকারি জায়গায় না করেই, পানি চলাচলের খাল ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখল করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি ভরাটের কাজ করছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও),জেলা প্রশাসক ও ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেও কোন কাজ হচ্ছে না।
এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর গতকাল শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা পান এবং পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন পাহাড় কাটা বন্ধ করে দেন এবং দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক আটক করে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহেশখালীর জীববিদ সংরক্ষক আব্দুল কাইয়ুম প্রতিনিধিকে বলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কোন প্রকার পাহাড় কাটা বা টিলা কর্তন ও আশেপাশ থেকে মাটি বা বালু নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু স্থানীয় চেয়ারম্যান পরিবেশের আইন অমান্য করেই পাহাড় কেটে আশ্রয়ণ প্রকল্প করতে মাটি ভরাট করছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
মোহাম্মদ আবু তাহের
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় টিলা কেটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি কাজ চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এনিয়ে স্থানীয়
এলাকাবাসীর পক্ষে মাষ্টার আব্দুল হক মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও),জেলা প্রশাসক ও ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে টিলা কাটা বন্ধ করে দেন এবং দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক আটক করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের দিনেশপুর এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি কাজ করতে এক সপ্তাহ ধরে টিলা কাটছে। দীর্ঘ দিনে পাহাড়ের পানি চলাচলের খাল বন্ধ ও স্থানীয় কয়েকজনের জমি দখল করে আশ্রয়ণ প্রকল্প করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক দিয়ে স্থানীয় শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এক সপ্তাহ ধরে প্রকল্পের মাটি ভরাট করছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দিনেশপুর কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা নজির আহমদ, জাফর আহমদসহ কয়েকজন মিলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি ভরাট করার জন্য ওই টিলার মাটি বিক্রি করে। সমতল জমির উপযোগি করার জন্য মাত্র ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে টিলার মাটি বিক্রি করে। কিন্তু টিলা কাটা একেবারেই নিষেধ তা জানেন না বলে মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত জাফর আহমদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মাষ্টার আব্দুল হক এই প্রতিনিধিকে বলেন, স্থানীয় শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক বাইরের সরকারি খাস জমি দেখিয়ে সরকার থেকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনুমোধন দেন। কিন্তু সরকারি জায়গায় না করেই, পানি চলাচলের খাল ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখল করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি ভরাটের কাজ করছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও),জেলা প্রশাসক ও ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেও কোন কাজ হচ্ছে না।
এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর গতকাল শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা পান এবং পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন পাহাড় কাটা বন্ধ করে দেন এবং দুইটি স্ক্রুবেটার ও দুইটি ট্রাক আটক করে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহেশখালীর জীববিদ সংরক্ষক আব্দুল কাইয়ুম প্রতিনিধিকে বলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কোন প্রকার পাহাড় কাটা বা টিলা কর্তন ও আশেপাশ থেকে মাটি বা বালু নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু স্থানীয় চেয়ারম্যান পরিবেশের আইন অমান্য করেই পাহাড় কেটে আশ্রয়ণ প্রকল্প করতে মাটি ভরাট করছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

0 Comments