শামীম সরওয়ার :
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি (রিপ্রেজেন্টিভদের) প্রবেশের উপর সদর হাসপাতাল কর্তৃপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে
নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হলেও তারা নিষেধাজ্ঞার" তোয়াক্কা না করে। আবারো অবাধে চলাচল শুরু করেছেন । এতে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের চিকিৎসা সেবা, অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন রোগীরা।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি (রিপ্রেজেন্টিভরা) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে বেড়িয়ে রোগিদের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে তাদের কোম্পানীর ওষুধ লেখা আছে কি না তা দেখছেন প্রতিনিয়ত। এছাড়াও চিকিৎসকদের সঙ্গেও ওযার্ডে ওযার্ডে গিয়ে নিজ কোম্পানীর ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে নিচ্ছেন তারা। আর এতে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের চিকিৎসা সেবা। প্রতিদিন একের পর এক রিপ্রেজেন্টিভদের হাসপাতালে অবাধ চলাচলে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন রোগীরাও। কিন্তু রিপ্রেজেন্টিভদের সদর হাসপাতালে প্রবেশের উপর কর্তৃপরে নিষেধাজ্ঞা থাকার সত্বেও তারা মানতে চাইছে না কর্তৃপরে বেধে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা জারি। সদর হাসপাতালের প্রশাসন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় রিপ্রেজেন্টিভরা আবারো হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন বলে সূত্রে নিশ্চিত করেছেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চিকিৎসকের চেয়ে ওষুধ কম্পোনির প্রতিনিধিদের সংখ্যায় বেশি। রাউন্ডের সময় তারা চিকিৎসকদের সঙ্গে থেকে নিজ নিজ কোম্পানীর ওষুধ লিখে নিচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে রাউন্ডের সময় একজন চিকিৎসকের সঙ্গে চার থেকে পাঁচজন রিপ্রেজেন্টিভ থাকছে। আর রোগীদের খোঁজ খবর ও তাদের রোগের ব্যাপারে কথা না বলে রিপ্রেজেন্টিভদের নিয়ে বেশী ব্যস্ত থাকছেন চিকিৎসকরা। আর এ জন্য তাদের কাছ থেকে চিকিৎসকরা পেয়ে থাকেন মোটা অংকের অর্থ ও দামি গিফট। এতে করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রোগিদের চিকিৎসা সেবা চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। কিন্তু এদিকে কোন নজর নেই সদর হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভাগের। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসন বিভাগের কিছু অসুধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় গত প্রায় এক মাস থেকে রিপ্রেজেন্টিভরা আবারো হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের (আরএমও)ডাঃ সোলতান আহমদ সিরাজ বলেন, আমি বিগত ২০১১ সনের অক্টোবর মাসে সদর হাসপাতালে যোগদান করি। কিন্ত এর আগে থেকে হাসপাতালে রিপ্রেজেন্টিভদের অবাধ চলাচল রয়েছিল যা আমাদের কিছু অসুধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল। এদিকে গত ১৫ দিন আগে থেকে সহর হাসপাতালের বিভিন্ন ওর্য়াড়ের সামনে। রিপ্রেজেন্টিভদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে । সপ্তাহ দুই দিন দুপুর ১২টার পর দুই ঘন্টার জন্য রিপ্রেজেন্টিভদের হাসপাতালে প্রবেশের অনুমোতি দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে তাদের হাসপাতালে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও তারা যদি হাসপাতালে প্রবেশ করে তাহলে হাসপাতাল কর্তৃপ তাদের পুলিশে দিতে বাদ্ধ তাকবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের কর্মরত এক পুলিশ বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আমি যোগদানের আগে থেকে হাসপাতালে রিপ্রেজেন্টিভদের অবাধ চলাচল রয়েছে। বিষয়টি হাসপাতালের পরিচালককে জানানো হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে এখনো কোন নির্দেশ পাওয়া যায়নি। তিনি নির্দেশ দিলে হাসপাতালে কোন রিপ্রেজেন্টিভ প্রবেশ করতে পারবেনা বলেও তিনি জানান।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি (রিপ্রেজেন্টিভদের) প্রবেশের উপর সদর হাসপাতাল কর্তৃপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে
নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হলেও তারা নিষেধাজ্ঞার" তোয়াক্কা না করে। আবারো অবাধে চলাচল শুরু করেছেন । এতে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের চিকিৎসা সেবা, অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন রোগীরা।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি (রিপ্রেজেন্টিভরা) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে বেড়িয়ে রোগিদের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে তাদের কোম্পানীর ওষুধ লেখা আছে কি না তা দেখছেন প্রতিনিয়ত। এছাড়াও চিকিৎসকদের সঙ্গেও ওযার্ডে ওযার্ডে গিয়ে নিজ কোম্পানীর ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে নিচ্ছেন তারা। আর এতে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের চিকিৎসা সেবা। প্রতিদিন একের পর এক রিপ্রেজেন্টিভদের হাসপাতালে অবাধ চলাচলে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন রোগীরাও। কিন্তু রিপ্রেজেন্টিভদের সদর হাসপাতালে প্রবেশের উপর কর্তৃপরে নিষেধাজ্ঞা থাকার সত্বেও তারা মানতে চাইছে না কর্তৃপরে বেধে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা জারি। সদর হাসপাতালের প্রশাসন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় রিপ্রেজেন্টিভরা আবারো হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন বলে সূত্রে নিশ্চিত করেছেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চিকিৎসকের চেয়ে ওষুধ কম্পোনির প্রতিনিধিদের সংখ্যায় বেশি। রাউন্ডের সময় তারা চিকিৎসকদের সঙ্গে থেকে নিজ নিজ কোম্পানীর ওষুধ লিখে নিচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে রাউন্ডের সময় একজন চিকিৎসকের সঙ্গে চার থেকে পাঁচজন রিপ্রেজেন্টিভ থাকছে। আর রোগীদের খোঁজ খবর ও তাদের রোগের ব্যাপারে কথা না বলে রিপ্রেজেন্টিভদের নিয়ে বেশী ব্যস্ত থাকছেন চিকিৎসকরা। আর এ জন্য তাদের কাছ থেকে চিকিৎসকরা পেয়ে থাকেন মোটা অংকের অর্থ ও দামি গিফট। এতে করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রোগিদের চিকিৎসা সেবা চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। কিন্তু এদিকে কোন নজর নেই সদর হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভাগের। অভিযোগ রয়েছে প্রশাসন বিভাগের কিছু অসুধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় গত প্রায় এক মাস থেকে রিপ্রেজেন্টিভরা আবারো হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের (আরএমও)ডাঃ সোলতান আহমদ সিরাজ বলেন, আমি বিগত ২০১১ সনের অক্টোবর মাসে সদর হাসপাতালে যোগদান করি। কিন্ত এর আগে থেকে হাসপাতালে রিপ্রেজেন্টিভদের অবাধ চলাচল রয়েছিল যা আমাদের কিছু অসুধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চিকিৎসকদের সহযোগিতায় হাসপাতালে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল। এদিকে গত ১৫ দিন আগে থেকে সহর হাসপাতালের বিভিন্ন ওর্য়াড়ের সামনে। রিপ্রেজেন্টিভদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে । সপ্তাহ দুই দিন দুপুর ১২টার পর দুই ঘন্টার জন্য রিপ্রেজেন্টিভদের হাসপাতালে প্রবেশের অনুমোতি দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে তাদের হাসপাতালে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও তারা যদি হাসপাতালে প্রবেশ করে তাহলে হাসপাতাল কর্তৃপ তাদের পুলিশে দিতে বাদ্ধ তাকবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের কর্মরত এক পুলিশ বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আমি যোগদানের আগে থেকে হাসপাতালে রিপ্রেজেন্টিভদের অবাধ চলাচল রয়েছে। বিষয়টি হাসপাতালের পরিচালককে জানানো হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে এখনো কোন নির্দেশ পাওয়া যায়নি। তিনি নির্দেশ দিলে হাসপাতালে কোন রিপ্রেজেন্টিভ প্রবেশ করতে পারবেনা বলেও তিনি জানান।


0 Comments