বার্তা পরিবেশক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ককসবাজার জেলা সেক্রেটারী জিএম রহিমুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেন-ককসবাজার থেকে মহাসমাবেশের উদ্দেশ্য রওয়ানা হওয়া গাডী বহরে
রবিবার রাত ১২টায় চট্রগ্রাম সিটি গেইটে পুলিশ বাধা প্রদান করে সামনে যেতে না দেওয়ায় গাডী বহর পুনরায় ককসবাজারে ফিরে আসে।এবং মহাসমাবেশের জন্য ভাড়া করা গাডী গুলো ককসবাজার পুলিশ লাইনে ডুকিয়ে রেখে ঢাকা চলো কর্মসুচী সফল করতে মহাসমাবেশে যেতে দেয়া হয়নি।অতচ গাড়ীগুলোকে অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করা হয়েছিল।এছাড়া টেকনাফ উখিয়া,রামু চকরিয়ায় ভাডা করা গাডী গুলোকেও সমাবেশে না যাওয়ার জন্য পুলিশ নিষেধ করে দেয়।রাত ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যেতে ব্যর্থ হয়।মাত্র ঈঁদগাও সহ কয়েকটি শাখার গাডী সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছিল তাও যেতে না দিলে চট্রগ্রাম থেকে ফেরত আসে। উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জামায়াত নেতা জি এম রহিমুল্লাহ বলেন-সরকার জামায়াতসহ বিরোধীদলকে ভয় পায় বলেই মহাসমাবেশে যেতে বাধা প্রদান করে। এসরকার গনতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়,তারা পুলিশ দিয়ে জনগনের উপর দমন নিপীডন চালিয়ে সভা সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসুচী পালন করতে দিচ্ছেনা।সরকার দেশ পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়ে বিরোধী নেতৃবৃন্দের উপর জুলম নির্যাতনের পথকেই বেচে নিয়েছে।তিনি অবিলম্বে কেয়ারটেকার দাবী মেনে নিয়ে সরকারকে শুভবুদ্ধির পরিচয় দেয়ার আহবান জানান। এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নেতৃবৃন্দের এক সমাবেশ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়।সভায় জেলা প্রচার সেক্রেটারী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ,শহর আমীর অধ্যাপক আবু তাহের চেীং,মহেশখালী (উ:)আমির জাবের আহমদ চেীং,রামু উপজেলা আমির দেলাওয়ার হ্ছোাইন,শহর সেক্রেটারী সাইদুল আলম, সহসেক্রেটারী জাহেদুলইসলাম সাংগঠনিক সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ ফারুক,মুহাম্মদ মুহসিন ,নুরুলআমিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।এতে সভাপতির বক্তব্যে জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মোস্তাফিজুররহমান বলেন-সরকার বিরোধীদলের সাথে অগনতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক আচরন করছে ।দেশব্যাপী পুলিশ দিয়ে দমন নিপিড়ন চালিয়ে গাড়ী বন্ধ করে বাকশালী ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে।এবং সারাদেশ থেকে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে নিজেরাই বিরুধীদলের ভুমিকা পালন করায় জনসমর্থন হারিয়েছে।তিনি বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে সরকার প্রহসনের বিচার করতে চায়-তাদের এ পরিকল্পনা দেশবাসী বাস্তবায়ন হতে দেবেনা। তিনি বলেন-এ সরকার আগামীতেও ক্ষমতায় থাকার স্বপ্নে কেয়ারটেকার পদ্ধতি বাতিল করেছে কিন্তুু ইতিহাস সাক্ষী কোন স্বৈরশক্তি একদলীয় সিন্ধান্ত নিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি বর্তমান সরকারকেও তাদের ব্যর্থতার জন্য আগামীতে দেশবাসী ক্ষমতা থেকে বিদায় জানাবে।তিনি অবিলম্বে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও কেয়ারটেকার সিন্ধান্ত বহাল রাখার জন্যে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।
শহর জামায়াতের নিন্দা:-ককসবাজার শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তাহের চৌং সেক্রেটারী সাইদুল আলম এক বিবৃতিতে সরকারের ইশারায় গাড়ীমালিকরা ভাড়াকৃত গাড়ীসমুহ মহাসমাবেশে যেতে না দিয়ে বাধা প্রদানের অভিযোগ করেছেন,নেতৃবৃন্দ সরকারের এহেন ভুমিকার সমালোচনা করেনএবং নিন্দা জানান।

0 Comments