কায়সার হামিদ মানিক
উখিয়া উপজেলার উপকূলীয় সমুদ্র পথ দিয়ে দালালের মাধ্যমে শত শত নিরীহ অসহায় লোক মালেশিয়ায় পাচার করে গেলেও স্থানীয় প্রশাসন নিরব ভূমিকা
পালন করছে। এমনকি থানা পুলিশও কোন তদারকি করছে না আদম পাচারের ব্যাপারে।
উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন জালিয়া পালংয়ের চোয়াংখালী গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম জানান, ৮নং ওয়ার্ডের কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মালেশিয়ায় আদম পাচার করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সে স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশের সদস্য হওয়ায় প্রভাব বিস্তার করে মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা সহ বাংলাদেশী নাগরিক সমুদ্র পথ দিয়ে মালেশিয়ায় পাচার করছে। আইয়ুব আলী এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তিদের নিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করে মালেশিয়ায় জন প্রতি ৩৫/৪০ হাজার টাকা নিয়ে পাচার করে থাকে। লোকজন কম টাকায় বিদেশে গিয়ে বেশি টাকা কামাই করার আশায় মালেশিয়া পাচার হয়ে থাকে। পাচারের সময় শত শত লোকজন গভীর সমুদ্রে গিয়ে বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয় এবং গভীর সমুদ্রে অনেকের মৃত্যু ঘটে।
জানা গেছে, চোয়াংখালী গ্রামের আদম পাচারকারী সিন্ডিকেটের মূল হুতা আইয়ুব আলী, সদস্য জাকরিয়া, জামাল হোসেন বিভিন্ন সময় মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা সহ অনেক বাংলাদেশী নাগরিক মালেশিয়ায় পাচার কালে একাধিকবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ধরা পড়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চোয়াংখালী ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম জানান, আইয়ুব আলী প্রতিনিয়ত মালেশিয়ায় আদম পাচার করে থাকে। তাকে আদম পাচার কাজে বাধা প্রদান করলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি প্রদর্শন করে থাকে। তিনি আরও বলেন, আইয়ুব আলীর নেতৃত্বে মালেশিয়ায় পাচারের প্রস্তুতিকালে একাধিক রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করে থানা পুলিশ সোপর্দ করি।

0 Comments