টেকনাফ প্রতিনিধি
টেকনাফে মৌসুমী বৃষ্টিপাতে লবণ মাঠের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার উৎপাদিত লবণ। গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফের আকাশে খন্ড
খন্ড মেঘের সৃষ্টি হয় এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২.৩০ টা থেকে একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এতে লবনের পানিতে বিলীন হয়ে যায় মাঠে মজুদকৃত হাজার হাজার মন লবন। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে যায় বেশ কিছু লবন মাঠ। রাতে এ রিপোর্ট লেখাকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রযেছে। এ কারনে কবে নতুন করে লবন উৎপাদন শুরু করতে পারবে- তা নিয়ে চাষীরা উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন লবণ মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়, নাফনদীর লবণ-পানি প্রাপ্ত সাপেক্ষ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঠাখালী, তুলাতলী, লম্বাবিল, খারাংখালী, মিনাবাজার, হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী, সিকদার পাড়া, ফুলের ডেইল, চৌধুরী পাড়া, রঙ্গিখালী, আলীখালী, লেদা, জাদিমোরা, দমদমিয়া, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের জালিয়ার দ্বীপ, জালিয়া পড়া, সাবরাং ইউনিয়নের মৌলভী পাড়া, হারিয়াখালী, নয়াপাড়া এবং সাগরের লবণ-পানি প্রাপ্ত সাপেক্ষ শাহপরীরদ্বীপের কচুবনিয়া, কাঁটাবনিয়া, মিস্ত্রী পাড়া এলাকার ৫ হাজার ৩শ’ ৭১ একর লবণ মাঠের প্রায় ৩ হাজার ১শ’ ৮১ একরে উপাদন হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে এসব লবন মাঠের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। নতুন করে কবে মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছে চাষীরা। পাশাপাশি লবণ বৃষ্টিতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন।
টেকনাফে মৌসুমী বৃষ্টিপাতে লবণ মাঠের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার উৎপাদিত লবণ। গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফের আকাশে খন্ড
খন্ড মেঘের সৃষ্টি হয় এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২.৩০ টা থেকে একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এতে লবনের পানিতে বিলীন হয়ে যায় মাঠে মজুদকৃত হাজার হাজার মন লবন। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে যায় বেশ কিছু লবন মাঠ। রাতে এ রিপোর্ট লেখাকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রযেছে। এ কারনে কবে নতুন করে লবন উৎপাদন শুরু করতে পারবে- তা নিয়ে চাষীরা উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন লবণ মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়, নাফনদীর লবণ-পানি প্রাপ্ত সাপেক্ষ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঠাখালী, তুলাতলী, লম্বাবিল, খারাংখালী, মিনাবাজার, হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী, সিকদার পাড়া, ফুলের ডেইল, চৌধুরী পাড়া, রঙ্গিখালী, আলীখালী, লেদা, জাদিমোরা, দমদমিয়া, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের জালিয়ার দ্বীপ, জালিয়া পড়া, সাবরাং ইউনিয়নের মৌলভী পাড়া, হারিয়াখালী, নয়াপাড়া এবং সাগরের লবণ-পানি প্রাপ্ত সাপেক্ষ শাহপরীরদ্বীপের কচুবনিয়া, কাঁটাবনিয়া, মিস্ত্রী পাড়া এলাকার ৫ হাজার ৩শ’ ৭১ একর লবণ মাঠের প্রায় ৩ হাজার ১শ’ ৮১ একরে উপাদন হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে এসব লবন মাঠের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। নতুন করে কবে মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছে চাষীরা। পাশাপাশি লবণ বৃষ্টিতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন।


0 Comments