উখিয়া প্রতিনিধি
উখিয়া হাসপাতালে কর্মচারী সিন্ডিকেটের বেপরোয়া আচরনে অতিষ্ট ডাক্তাররা আবারো সবাই কর্ম বিরতি শুরু করাার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারন কর্মচারী সিন্ডিকেটের পক্ষ নিয়ে
একটি মহল চর্তুমুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। তাদের উদ্দেশ্যে একটাই উখিয়া হাসপাতালে কোন ভাল ডাক্তার তারা থাকতে দেবেনা। যে করেই উখিয়া হাসপাতালের যাবতীয় কার্যত্র“ম যেন স্থানীয় কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে না যায়।
জানা গেছে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত স্বা¯্য’ কর্মকর্তা ডাঃ উত্তম বড়–য়ার সাথে কর্মচারী হুমায়ুন কবিরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে চরম নৈরাজ্য চলছে। এটিকে পুজি করে একটি স্বার্থন্বেষী মহল হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। আর এর নেপথ্যে কাজ করছে হাসপাতালের স্থানীয় কয়েকজন কর্মচারী। এসব কর্মচারীরা নিজেদের অবৈধ ধান্ধা যায়েজ করতে ডাক্তার উত্তম বড়–য়া সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে একটি মহলকে লেলিয়ে দিয়েছে। যাতে বর্তমানে কর্মরত ডাক্তাররা এ হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে যায়। কারন এ ডাক্তাররা থাকলে দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা তাদের আখের গোছাতে পারবে না। অতীত ও দেখা গেছে, উখিয়া হাসপাতালে এ সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের কারনে কোন ভাল ডাক্তার এসে এখানে স্থায়ী হতে পারেনি। যে ডাক্তার স্থানীয় কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গেছে তাকে এ হাসপাতাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে সরকারী ভাবে আসা ঔষুধ বাইরে বিত্রি“ করা থেকে শুরু করে ফ্রি যে সমস্ত সেবা হাসপাতাল থেকে পাওয়ার কথা সবখানেই চলে চরম দুর্নীতি। কর্মচারীদের একটি অংশ স্থানীয় হওয়ার সুবাধে তার প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সরকারী এ হাসপাতালের যাবতীয় কার্যত্র“ম নিজেদের ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্টানে পরিনত করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে উক্ত কর্মচারী সিন্ডিকেটর হস্তক্ষেপের ফলে হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রথমে বুঝতে অসুবিধা হয় এটা সরকারী হাসপাতাল নাকি প্রাইভেট ক্লিনিক। এ ব্যাপরে ডাক্তার উত্তম বড়–য়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উখিয়া হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতেই ডাক্তার হিসেবে এখানে যোগদান করা, আমি কোন অন্যায়ের সাথে মাথা নত করব না। আমাদের উপর কয়েকজন কর্মচারী অসন্তুষ্ট, এ কারনে তারা স্থানীয়ভাবে অনেক কিছুই করার চেষ্টা করছে। আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু আমি ভীত নই, এখানে চাকরী না করলে ডাক্তার হিসেবে আমি ঠিকই অন্যত্র যোগদান কবর। কিন্তু এখানে একটি হাসপাতাল কর্মচারীদের কাছে জিম্মি থাকলে কোন ভাল ডাক্তার এ হাসপাতালে আসতে চাইবে না। আর ভাল ডাক্তার এখানে না আসলে ক্ষতি হবে উখিযা উপজেলার জনগনের।
উখিয়া হাসপাতালে কর্মচারী সিন্ডিকেটের বেপরোয়া আচরনে অতিষ্ট ডাক্তাররা আবারো সবাই কর্ম বিরতি শুরু করাার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারন কর্মচারী সিন্ডিকেটের পক্ষ নিয়ে
একটি মহল চর্তুমুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। তাদের উদ্দেশ্যে একটাই উখিয়া হাসপাতালে কোন ভাল ডাক্তার তারা থাকতে দেবেনা। যে করেই উখিয়া হাসপাতালের যাবতীয় কার্যত্র“ম যেন স্থানীয় কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে না যায়।
জানা গেছে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত স্বা¯্য’ কর্মকর্তা ডাঃ উত্তম বড়–য়ার সাথে কর্মচারী হুমায়ুন কবিরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে চরম নৈরাজ্য চলছে। এটিকে পুজি করে একটি স্বার্থন্বেষী মহল হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। আর এর নেপথ্যে কাজ করছে হাসপাতালের স্থানীয় কয়েকজন কর্মচারী। এসব কর্মচারীরা নিজেদের অবৈধ ধান্ধা যায়েজ করতে ডাক্তার উত্তম বড়–য়া সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে একটি মহলকে লেলিয়ে দিয়েছে। যাতে বর্তমানে কর্মরত ডাক্তাররা এ হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে যায়। কারন এ ডাক্তাররা থাকলে দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা তাদের আখের গোছাতে পারবে না। অতীত ও দেখা গেছে, উখিয়া হাসপাতালে এ সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের কারনে কোন ভাল ডাক্তার এসে এখানে স্থায়ী হতে পারেনি। যে ডাক্তার স্থানীয় কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গেছে তাকে এ হাসপাতাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে সরকারী ভাবে আসা ঔষুধ বাইরে বিত্রি“ করা থেকে শুরু করে ফ্রি যে সমস্ত সেবা হাসপাতাল থেকে পাওয়ার কথা সবখানেই চলে চরম দুর্নীতি। কর্মচারীদের একটি অংশ স্থানীয় হওয়ার সুবাধে তার প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সরকারী এ হাসপাতালের যাবতীয় কার্যত্র“ম নিজেদের ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্টানে পরিনত করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে উক্ত কর্মচারী সিন্ডিকেটর হস্তক্ষেপের ফলে হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রথমে বুঝতে অসুবিধা হয় এটা সরকারী হাসপাতাল নাকি প্রাইভেট ক্লিনিক। এ ব্যাপরে ডাক্তার উত্তম বড়–য়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উখিয়া হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতেই ডাক্তার হিসেবে এখানে যোগদান করা, আমি কোন অন্যায়ের সাথে মাথা নত করব না। আমাদের উপর কয়েকজন কর্মচারী অসন্তুষ্ট, এ কারনে তারা স্থানীয়ভাবে অনেক কিছুই করার চেষ্টা করছে। আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু আমি ভীত নই, এখানে চাকরী না করলে ডাক্তার হিসেবে আমি ঠিকই অন্যত্র যোগদান কবর। কিন্তু এখানে একটি হাসপাতাল কর্মচারীদের কাছে জিম্মি থাকলে কোন ভাল ডাক্তার এ হাসপাতালে আসতে চাইবে না। আর ভাল ডাক্তার এখানে না আসলে ক্ষতি হবে উখিযা উপজেলার জনগনের।


0 Comments