নজির আহমেদ সীমান্ত
টেকনাফ উপজেলায় নয়টি ইট ভাটার মালিক কতৃপক্ষের ছাড়ত্রের শর্ত ভঙ্গ করে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইট প্রস্ততির কাজ। নয়টি ইটভাটা পরিবেশ দুষনের স্পর্শকাতর স্থানে
যেমন পাহাড়ের পাদদেশ,উর্ব্র কৃষি জমিতে গড়ে তুলেছে। বনজ দ্রব্য ও পাহাড়ে পাদদেশে এটেঁল মাটি ইট তৈরিত ব্যবহার করছে। এ বিষয়ে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারি পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন নয়টি ইট ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানা অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে ইটভাটার বৈধ কাগজ পত্রসহ টেকনাফ থানায় গত ২ ফেব্র“য়ারির মধ্যে উপস্তিত থাকার নোটিশ জারি করে। ইটভাটা কতৃপক্ষ তা অমান্য করে এখনও পুর্বের মতো ইটভাটায় বনের কাঠ,পাহাড় ও কৃষি উর্ব্র জমির এটেঁল মাটি ব্যবহার করছে।
যেমন পাহাড়ের পাদদেশ,উর্ব্র কৃষি জমিতে গড়ে তুলেছে। বনজ দ্রব্য ও পাহাড়ে পাদদেশে এটেঁল মাটি ইট তৈরিত ব্যবহার করছে। এ বিষয়ে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারি পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন নয়টি ইট ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানা অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে ইটভাটার বৈধ কাগজ পত্রসহ টেকনাফ থানায় গত ২ ফেব্র“য়ারির মধ্যে উপস্তিত থাকার নোটিশ জারি করে। ইটভাটা কতৃপক্ষ তা অমান্য করে এখনও পুর্বের মতো ইটভাটায় বনের কাঠ,পাহাড় ও কৃষি উর্ব্র জমির এটেঁল মাটি ব্যবহার করছে।
টেকনাফ থানার সেকেন্ড অফিসার নীলু বড়–য়া জানান কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারি পরিচালক টেকনাফ পুলিশের দ্বারা ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নোটিশ অমান্যকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের আগ্রহ থাকার পরও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
একটি সুত্র জানিয়েছে কক্সবাজারের পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন ইট ভাটার মালিকদের সাথে গোপনে বসে রফাদফা করেছেন। ইট ভাটার মালিক আলী আহমদ বলেন থানার নোটিশ পেয়ে তারা কক্সবাজারের পরিবেশ অধিদপ্তরে কর্তার সাথে কথা হয়েছেন। আবদুল্লাহ আল মামুন ইটভাটার মালিকগণ তার সাথে দেখা করার কথা স্বীকার করে তবে রফাদফা হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
টেকনাফ উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশে,কৃষি জমিতে বসতি এলাকায় গড়ে উঠা ইট ভাটা গুলো হল টেকনাফ হ্নীলা দৈংগাকাটা এ আর বি ব্রিকস, হ্নীলা লেদায় জিয়াউর রহমান ব্রিকস,হ্নীলা দক্ষিণ লেদায় থ্রী স্টার ব্রিকস, নয়া পাড়ায় ইবিসি ব্রিকস,জাদিমুরা এনবিসি ব্রিকস হোয়াইক্যং দৈংগাকাটায় এ আর বি ব্রিকস, লেদায় ভাইভাই ব্রিকস,জাদিমুরা এ আর ব্রিকস। খোঁজ নিয়ে জানাযায় প্রতি বছর ওই ভাবে ইটভাটা কতৃপক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে পরিবেশে ক্ষতি করছে খোদ পরিবেশ অধিদপ্তর লোকজন।


0 Comments