আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী:
মহেশখালীতে এক হাফেজের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী পরকিয়া প্রেমের টানে প্রেমিকের হাত অজানার উদ্দ্যেশে পাড়ি জমিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ৪ মার্চ ওই মহিলার স্বামী হাফেজ ফরিদুল আলম বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল গ্রামের মরহুম ফজর রহমানের কন্যা ২ সন্তানের জননী মনোয়ারা বেগম (২৭) দীর্ঘদিনের প্রেমকে বাস্তবে রুপ
দিতে অবুঝ দুটি সন্তান রেখে বাড়ীতে রক্ষিত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে তার প্রেমিক মেডিসিন কোম্পানীর এক এম আর এর হাত ধরে অজানার উদ্দ্যেশ্যে পাড়ি দেয়। এদিকে মনোয়ার বেগমকে অনেক জায়গায় খোজাখুজির করার পর না পেয়ে তার স্বামী ফরিদুল আলম তার শাশুর বাড়িতে যায় । এসময় শশুর বাড়ীর লোকজন মনোয়ারাকে বেশি খোজাখুজি করলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ফলে অসহায় স্বামী কোন উপায় অন্তর না দেখে গত ৪ মার্চ মহেশখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের দায়ের করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগমের এর সাথে মোবাইলে (০১৮৩৩৪২১৭৭৩) যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ২টি কেন আরো ১০টি সন্তান থাকলে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আমার প্রেমিকের হাত ধরে চলে এসেছি। তাতে আপনাদের কি।
দিতে অবুঝ দুটি সন্তান রেখে বাড়ীতে রক্ষিত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে তার প্রেমিক মেডিসিন কোম্পানীর এক এম আর এর হাত ধরে অজানার উদ্দ্যেশ্যে পাড়ি দেয়। এদিকে মনোয়ার বেগমকে অনেক জায়গায় খোজাখুজির করার পর না পেয়ে তার স্বামী ফরিদুল আলম তার শাশুর বাড়িতে যায় । এসময় শশুর বাড়ীর লোকজন মনোয়ারাকে বেশি খোজাখুজি করলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ফলে অসহায় স্বামী কোন উপায় অন্তর না দেখে গত ৪ মার্চ মহেশখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের দায়ের করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগমের এর সাথে মোবাইলে (০১৮৩৩৪২১৭৭৩) যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ২টি কেন আরো ১০টি সন্তান থাকলে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আমার প্রেমিকের হাত ধরে চলে এসেছি। তাতে আপনাদের কি।
এব্যাপারে ধলঘাটার ইউপি চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্ছুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা সত্যতা শিকার বলেন , ঘটনা সত্য তবে মনোয়ারা বেগম নামের মেয়েটি ভাল নয় এবং স্বামী ফরিদুল আলম তার ২ টি অবুজ শিশু সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টেই আছেন।
এব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি রনজিত কুমার বড়–য়া বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখ জনক এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


0 Comments