মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ
টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌরম্নটে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজগুলো নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আরোপিত অধ্যাদেশ জাহাজ কতর্ৃপৰ কোন মতেই
মানছেননা । এসব জাহাজ পর্যটক সেবার পরিবর্তে পর্যটকদের উপর চালাচ্ছে গলকাটা বানিজ্য । জাহাজের প্রতিনিধি এবং দালালের হাতে প্রায় সময় পর্যটকরা প্রতারিত হয়ে আসছে বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন। পর্যটকবাহী দুরপালস্নার বাস প্রাইভেট কার দমদমিয়া নামক স্থানে পৌছার পর ঐসব দালালের খপ্পরে পড়ে যায় পর্যটকরা ।জাহাজে বুকিং নিতে গিয়ে অনেক সময় পর্যটকরা দালালের হাতে টানা হেছড়ার শিকার হতে হয় । এমন ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় পর্যটকদের। এখানে প্রশাসন এবং কোস্টগার্ড বাহিনীর মনিটরিং থাকার পরও অতিরিক্ত পর্যটক যাত্রী জাহাজে বহন করেই যাচ্ছে। ইতিপূর্বে প্রশাসন বারংবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেও অতিরিক্ত যাত্রী ঠেকাতে পারছেননা। জাহাজের জরিমানা আদায় করলেও এর প্রতি জাহাজ কতর্ৃপৰ কোন প্রকার তোয়াক্কা করছেননা। আজ এমন অবস্থা চলে আসছে দমদমিয়া জাহাজ জেটি স্টেশনে । টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌরম্নটে যে কয়টি জাহাজ চলাচল করছে, তার মধ্যে এম ডি ফারহান,কেয়ারী সিন্দাবাদ, এল সি টি কুতুবদিয়া, সোনারগাঁও ও ঈগল। ঢাকা চট্টগ্রাম ও কঙ্বাজার থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বুকিং নিয়ে টেকনাফস্থ দমদমিয়া জেটিতে আসার পর পর্যটকেরা নানা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে যায়। ফলে পর্যটকেরা বাধ্য হয়ে জাহাজ গুলো অর্থের লোভে বশিভূত হয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে থাকে। এদিকে জাহাজে নিয়োজিত প্রতিনিধি বা দালালেরা পর্যটকদের কাছ থেকে টিকেটের ডিসকাউন্টের নামে জাহাজের মালিকের অগোচরে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এরি ফলে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহন একটি রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। অপরদিকে দমদমিয়া জাহাজ স্টেশন এলাকায় বেসরকারীভাবে স্থাপিত গাড়ী পার্কিং এবং জেটি পারাপারের নামে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক শ্রেনীর প্রভাবশালী মহল । ঐসব টাকা রাঘব বোয়ালের পকেটেই চলে যাচ্ছে। সরকারী কোষাগারে সিকি পরিমান এসব টাকা রাজস্ব জমা হচ্ছেনা। সরকার এৰেত্রে পর্যটকের হাত থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সুবিধা হাসিল করছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকেরা। সরকার পর্যটন বিকাশের উদ্যোগ নিলেও এই উদ্যোগ এখানে কিঞ্চিত পরিমান বাসত্দবায়ন হচ্ছে না। ফলে পর্যটকেরা বাধ্য হয়ে বেসরকারী খাতের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। গত ৪ ফেব্রম্নয়ারী একদল সংবাদকমর্ী দমদমিয়া জাহাজ ঘাট এলাকা পরিদর্শন করে জানা যায় এম ডি ফারহান, এলসিটি কুতুবদিয়া ও সোনারগাঁও জাহাজ সরকারী নিয়ম নীতির প্রতি কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে থাকে। এই দৃশ্য দেখে সংবাদকর্মী ছাড়াও সচেতন মহল হতভম্ব হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত গত ৩ ফেব্রম্নয়ারী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করার দায়ে সোনারগাঁও জাহাজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। অপরদিকে এমডি ফারহান জাহাজের অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায় থেকে বাচার উদ্দেশ্যে জাহাজটি ছেড়ে দিলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতর্া জাহাজটি থামানোর নির্দেশ দেয়। এবং এ আদেশ অমান্য করলে জাহাজের টেকনাফ ইনচার্জ মাহবুবকে আটক করে টেকনাফ থানায় সোপর্দ্য করে। পরে বিকালে ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেয় । কিন্তু এরপরেও উক্ত জাহাজ পরেরদিনও অতিরিক্ত যাত্রী বহন অব্যাহত রেখেছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের ফলে ভবিষ্যতে নৌ দুর্ঘটনার আশংকা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায়না।
টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌরম্নটে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজগুলো নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আরোপিত অধ্যাদেশ জাহাজ কতর্ৃপৰ কোন মতেই
মানছেননা । এসব জাহাজ পর্যটক সেবার পরিবর্তে পর্যটকদের উপর চালাচ্ছে গলকাটা বানিজ্য । জাহাজের প্রতিনিধি এবং দালালের হাতে প্রায় সময় পর্যটকরা প্রতারিত হয়ে আসছে বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন। পর্যটকবাহী দুরপালস্নার বাস প্রাইভেট কার দমদমিয়া নামক স্থানে পৌছার পর ঐসব দালালের খপ্পরে পড়ে যায় পর্যটকরা ।জাহাজে বুকিং নিতে গিয়ে অনেক সময় পর্যটকরা দালালের হাতে টানা হেছড়ার শিকার হতে হয় । এমন ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় পর্যটকদের। এখানে প্রশাসন এবং কোস্টগার্ড বাহিনীর মনিটরিং থাকার পরও অতিরিক্ত পর্যটক যাত্রী জাহাজে বহন করেই যাচ্ছে। ইতিপূর্বে প্রশাসন বারংবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেও অতিরিক্ত যাত্রী ঠেকাতে পারছেননা। জাহাজের জরিমানা আদায় করলেও এর প্রতি জাহাজ কতর্ৃপৰ কোন প্রকার তোয়াক্কা করছেননা। আজ এমন অবস্থা চলে আসছে দমদমিয়া জাহাজ জেটি স্টেশনে । টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌরম্নটে যে কয়টি জাহাজ চলাচল করছে, তার মধ্যে এম ডি ফারহান,কেয়ারী সিন্দাবাদ, এল সি টি কুতুবদিয়া, সোনারগাঁও ও ঈগল। ঢাকা চট্টগ্রাম ও কঙ্বাজার থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বুকিং নিয়ে টেকনাফস্থ দমদমিয়া জেটিতে আসার পর পর্যটকেরা নানা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে যায়। ফলে পর্যটকেরা বাধ্য হয়ে জাহাজ গুলো অর্থের লোভে বশিভূত হয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে থাকে। এদিকে জাহাজে নিয়োজিত প্রতিনিধি বা দালালেরা পর্যটকদের কাছ থেকে টিকেটের ডিসকাউন্টের নামে জাহাজের মালিকের অগোচরে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এরি ফলে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহন একটি রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। অপরদিকে দমদমিয়া জাহাজ স্টেশন এলাকায় বেসরকারীভাবে স্থাপিত গাড়ী পার্কিং এবং জেটি পারাপারের নামে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এক শ্রেনীর প্রভাবশালী মহল । ঐসব টাকা রাঘব বোয়ালের পকেটেই চলে যাচ্ছে। সরকারী কোষাগারে সিকি পরিমান এসব টাকা রাজস্ব জমা হচ্ছেনা। সরকার এৰেত্রে পর্যটকের হাত থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সুবিধা হাসিল করছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকেরা। সরকার পর্যটন বিকাশের উদ্যোগ নিলেও এই উদ্যোগ এখানে কিঞ্চিত পরিমান বাসত্দবায়ন হচ্ছে না। ফলে পর্যটকেরা বাধ্য হয়ে বেসরকারী খাতের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। গত ৪ ফেব্রম্নয়ারী একদল সংবাদকমর্ী দমদমিয়া জাহাজ ঘাট এলাকা পরিদর্শন করে জানা যায় এম ডি ফারহান, এলসিটি কুতুবদিয়া ও সোনারগাঁও জাহাজ সরকারী নিয়ম নীতির প্রতি কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে থাকে। এই দৃশ্য দেখে সংবাদকর্মী ছাড়াও সচেতন মহল হতভম্ব হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত গত ৩ ফেব্রম্নয়ারী টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করার দায়ে সোনারগাঁও জাহাজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে। অপরদিকে এমডি ফারহান জাহাজের অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায় থেকে বাচার উদ্দেশ্যে জাহাজটি ছেড়ে দিলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতর্া জাহাজটি থামানোর নির্দেশ দেয়। এবং এ আদেশ অমান্য করলে জাহাজের টেকনাফ ইনচার্জ মাহবুবকে আটক করে টেকনাফ থানায় সোপর্দ্য করে। পরে বিকালে ৫শত টাকা জরিমানা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেয় । কিন্তু এরপরেও উক্ত জাহাজ পরেরদিনও অতিরিক্ত যাত্রী বহন অব্যাহত রেখেছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের ফলে ভবিষ্যতে নৌ দুর্ঘটনার আশংকা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায়না।


0 Comments