Advertisement

ভোট কারচুপির অভিযোগে বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান প্রহৃত

এস এম হান্নান শাহ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি 
চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন আ'লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল দীর্ঘ
১৩বছর পর গত ৪ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪টায় হারবাং হাই স্কুল মাঠে চকরিয়া উপজেলা আ'লীগের আহবায়ক ও ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। মাষ্টার জিয়াউদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কঙ্বাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক খান বাহাদুর মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম,এডভোকেট আমজাদ হোসেন,সাবেক পৌর মেয়র জাফর আলম বিএ অনার্স এম এ,বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দীন চৌধুরী জিয়া,সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র জাহেদুল ইসলাম লিটু,সাবেক পৌর কাউন্সিলর ফজলুল করিম সাঈদী,চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হায়দর আলী সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। অনুষ্টানের দ্বিতীয় পর্বে ইউনিয়ন আ'লীগের কাউন্সিল শুরু হয়। কাউন্সিলে ১৫০ জন কাউন্সিলরের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। সভাপতি পদে যথাক্রমে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার,সাবেক সভাপতি মাষ্টার শফিউল ইসলাম,মিরানুল ইসলাম মিরান,জাহেদ হোছাইন সহ ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলে ও পরে জাহেদ হোছাইন তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। সাধারণ সম্পাদক পদে দারচ্ছালাম রফিক ও মেহরাজ উদ্দীন মিরাজ ২প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করেন। নির্বাচনের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দীন চৌধূরী জিয়া। সাধারণ সম্পাদক পদে ১৫০ ভোটের মধ্যে কাউন্সিলররা সমান সংখ্যক ভোট প্রদান করে। কিন্তু সাধারণ সম্পাাদকের ব্যালট পেপারে একজন কাউন্সিলর ভোট প্রদান করেননি। অন্য একটি ব্যালটে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২ সভাপতি প্রার্থীর নাম থাকায় তাও বাতিল করা হয়। আর একটি ব্যালটে সভাপতির জায়গায় শফি থাকলেও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মিরাজের স্থলে মিরান নাম থাকায় উক্ত ব্যালট পেপার টি ও বাতিল করা হয়। ভোট গনণা শেষে মিরাজ ৭৫ ভোট এবং রফিক ৭৪ ভোট প্রাপ্ত হলেও নির্বাচন পরিচালনাকারী বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান তার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে জিতিয়ে দিতে অপকৌশল হিসেবে ২টি নষ্ট ভোট এর জায়গায় ৩টি নষ্ট ভোট দেখিয়ে পরবর্তীতে রফিক ৭৬ ভোট ও মিরাজ৭৫ ভোট প্রাপ্ত ফল দেখিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীকে জিতিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। মোট ভোট ১৫০টি হলেও ফলাফলে ১৫১ ভোট কাষ্ট দেখালে এসময় উপস্থিত কাউন্সিলর ও সমর্থকরা ক্ষিপ্ত হয়ে নির্বাচন পরিচালনাকারী বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান এটি এম জিয়াউদ্দীন জিয়াকে বেদড়ক পিটুনী দেয়। এ সময় তিনি দৌড়ে পালিয়ে কোন রকম প্রাণে রক্ষা পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ১রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

Post a Comment

0 Comments