প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রামুর এসএসসি ৯৯ ব্যাচের সংগঠন ফরএভার নাইনটি নাইন-এর উদ্যোগে
দুইদিন ব্যাপি আনন্দ ভ্রমন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে এ ভ্রমন হয়ে উঠে সতীর্থদের প্রাণের মেলা। দীর্ঘ একযুগ পর পুরনো বন্ধুদের কাছে পাওয়ার আনন্দ এবং নৃ-তাত্তি্বক জনগোষ্ঠি অধু্যষিত এ দুটি পাহাড়ি জনপদের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ ৰণিকের এসব ভ্রমনপিপাসুরা মেতেছিলো বাঁধভাঙ্গা উলস্নাসে।
গত ৩ ও ৪ ফেব্রম্নয়ারী অনুষ্ঠিত হয় এ আনন্দ ভ্রমন। ভ্রমনের এ আনন্দযজ্ঞে নেতৃত্ব দেন, রামুর এসএসসি ৯৯ ব্যাচের সংগঠন ফরএভার নাইনটি নাইন-এর অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের সহকারী সচিব ও সাবেক সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবদুল মান্নান।
৩ ফেব্রম্নয়ারী শুক্রবার ভোরে রামু চৌমুহনী ষ্টেশন থেকে শুরম্ন হয় দু'দিনের যাত্রা। দুপুরে হাটহাজারীতে পবিত্র জুমার নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর সুদুর পাহাড়ি সড়ক পাড়ি দিয়ে আনন্দ ভ্রমনের গাড়ি খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছে পড়নত্দ বিকালে। ওই দিন খাগড়াছড়ির সবচেয়ে আকর্ষনীয় আলুটিলার সুদীর্ঘ পাহাড়ি সুড়ঙ্গ পার হয় ফরএভার নাইনটি নাইন ভ্রমনপিপাসুরা। ভয়ংকর ও রহস্যঘেরা অন্ধকার এ গুহা পার হতে সবার হাতে ছিলো মশাল।
রাতে রাঙ্গামাটি বাস ষ্টেশনস্থ হোটেল চেঙ্গী'তে রাত্রিযাপন শেষে পরদিন ভোরে ভ্রমনথর্ীদের বহনকারী গাড়ি রওয়ানা দেয় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে। সকাল দশটায় রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিস ঘাট থেকে ইন্জিন চালিত নৌকায় ভ্রমনাথর্ীরা রওয়ানা দেয় রাঙ্গামাটির দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্থান শুভলং ঝর্ণা দেখার জন্য। ফেরার সময় সকলের পেঠে চনচনে ৰিদের কথা মাথায় রখেছিলেন মোঃ আবদুল মান্নান। তাই তার পস্ন্যান অনুয়ায়ি ওই ঝর্ণা থেকে ফেরার পথে লেকের পাশে পাহাড় চূড়ায় তৈরী সাং পাং রেষ্টুরেন্টে মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন হয়। এর পর রাঙ্গামাটির পরিচিত ঝুলনত্দ সেতু আর রাখাইন পলস্নী ঘুরতেই নেমে আসে সন্ধ্যা। আনন্দময় এ দিনের রাঙ্গা সূর্যের মতো রাঙ্গামাটি জেলাকেও বিদায় জানালো ফরএভার নাইনটি নাইন-এর বন্ধুরা।
দু'দিনের এ আনন্দায়োজনে অংশ নেয়া ফরএভার নাইনটি নাইন বন্ধুদের মধ্যে রয়েছে, মোঃ আবদুল মান্নান, জসিম উদ্দিন, নুরম্নল আবছার, মাষ্টার মোহাম্মদ কামাল, মোঃ জামাল হোসেন, মোমেনুর রহমান মোমেন, মোঃ খোরশেদ, মোঃ শাহনেওয়াজ মোমেন, জহির আলাউদ্দিন, এজাবত উলস্নাহ মহব্বত, আমানুল হক আমান, হুমায়ন রশিদ লাভলু, সালাহ উদ্দিন ও সোয়েব সাঈদ সহ অনেকে।
রামুর এসএসসি ৯৯ ব্যাচের সংগঠন ফরএভার নাইনটি নাইন-এর উদ্যোগে
দুইদিন ব্যাপি আনন্দ ভ্রমন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে এ ভ্রমন হয়ে উঠে সতীর্থদের প্রাণের মেলা। দীর্ঘ একযুগ পর পুরনো বন্ধুদের কাছে পাওয়ার আনন্দ এবং নৃ-তাত্তি্বক জনগোষ্ঠি অধু্যষিত এ দুটি পাহাড়ি জনপদের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ ৰণিকের এসব ভ্রমনপিপাসুরা মেতেছিলো বাঁধভাঙ্গা উলস্নাসে।
গত ৩ ও ৪ ফেব্রম্নয়ারী অনুষ্ঠিত হয় এ আনন্দ ভ্রমন। ভ্রমনের এ আনন্দযজ্ঞে নেতৃত্ব দেন, রামুর এসএসসি ৯৯ ব্যাচের সংগঠন ফরএভার নাইনটি নাইন-এর অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের সহকারী সচিব ও সাবেক সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবদুল মান্নান।
৩ ফেব্রম্নয়ারী শুক্রবার ভোরে রামু চৌমুহনী ষ্টেশন থেকে শুরম্ন হয় দু'দিনের যাত্রা। দুপুরে হাটহাজারীতে পবিত্র জুমার নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর সুদুর পাহাড়ি সড়ক পাড়ি দিয়ে আনন্দ ভ্রমনের গাড়ি খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছে পড়নত্দ বিকালে। ওই দিন খাগড়াছড়ির সবচেয়ে আকর্ষনীয় আলুটিলার সুদীর্ঘ পাহাড়ি সুড়ঙ্গ পার হয় ফরএভার নাইনটি নাইন ভ্রমনপিপাসুরা। ভয়ংকর ও রহস্যঘেরা অন্ধকার এ গুহা পার হতে সবার হাতে ছিলো মশাল।
রাতে রাঙ্গামাটি বাস ষ্টেশনস্থ হোটেল চেঙ্গী'তে রাত্রিযাপন শেষে পরদিন ভোরে ভ্রমনথর্ীদের বহনকারী গাড়ি রওয়ানা দেয় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে। সকাল দশটায় রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিস ঘাট থেকে ইন্জিন চালিত নৌকায় ভ্রমনাথর্ীরা রওয়ানা দেয় রাঙ্গামাটির দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্থান শুভলং ঝর্ণা দেখার জন্য। ফেরার সময় সকলের পেঠে চনচনে ৰিদের কথা মাথায় রখেছিলেন মোঃ আবদুল মান্নান। তাই তার পস্ন্যান অনুয়ায়ি ওই ঝর্ণা থেকে ফেরার পথে লেকের পাশে পাহাড় চূড়ায় তৈরী সাং পাং রেষ্টুরেন্টে মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন হয়। এর পর রাঙ্গামাটির পরিচিত ঝুলনত্দ সেতু আর রাখাইন পলস্নী ঘুরতেই নেমে আসে সন্ধ্যা। আনন্দময় এ দিনের রাঙ্গা সূর্যের মতো রাঙ্গামাটি জেলাকেও বিদায় জানালো ফরএভার নাইনটি নাইন-এর বন্ধুরা।
দু'দিনের এ আনন্দায়োজনে অংশ নেয়া ফরএভার নাইনটি নাইন বন্ধুদের মধ্যে রয়েছে, মোঃ আবদুল মান্নান, জসিম উদ্দিন, নুরম্নল আবছার, মাষ্টার মোহাম্মদ কামাল, মোঃ জামাল হোসেন, মোমেনুর রহমান মোমেন, মোঃ খোরশেদ, মোঃ শাহনেওয়াজ মোমেন, জহির আলাউদ্দিন, এজাবত উলস্নাহ মহব্বত, আমানুল হক আমান, হুমায়ন রশিদ লাভলু, সালাহ উদ্দিন ও সোয়েব সাঈদ সহ অনেকে।

0 Comments