নিজস্ব প্রতিবেদক
পার পেয়ে যাচ্ছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যয়ের সেই আলোচিত ইয়াবা ছিনতাইকারীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তড়িৎ কোন কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় উক্ত ছিনতাইকারীরা
লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের ১২হাজার পিছ ইয়াবা নিয়ে এখনো লাপাত্তা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তারা ট্যাবলেট গুলো সরবরাহ করে দিয়েছে। তবে স্থানীয় একটি সুত্র জানিয়েছেন যেভাবেই হোক ছিনতাইকৃত ট্যাবলেটগুলো হজম করতে তারা সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এজন্য ছিনতাইকারীরা ইতোমধ্যে কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট স্থানীয় পাতি নেতা ও প্রভাবশালীদের দিয়ে ম্যানেজপূর্বক উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য তাদের একটাই, সেটি হচ্ছে পুলিশি অভিযান থেকে পার পাওয়া। এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত এএসআই মাহফুজ জানিয়েছেন, প্রথম জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াবা ছিনতাইকারীদের আত্মীয়-স্বজনরা প্রশাসনের কাছে ট্যাবলেট ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময় চেয়ে নিলেও এখনো পর্যন্ত ইয়াবা ফেরত দেওয়া তো দূরের কথা উল্টো ছিনতাইকারীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দিয়েছেন। তাই তাদের আটক করা যাচ্ছে না। উদ্ধার করা যাচ্ছে না ট্যাবলেট। কিন্তু সেখানে ইয়াবা উদ্ধার ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আপ্রাণ চেষ্টায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন এএসআই মাহফুজ।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি হোয়াইক্যংয়ের কোণার পাড়া এলাকার জনৈক হাজী সোনা আলীর পুত্র মুজিবুর রহমান ও মন্নাফের পুত্র তোফাইল এক বৃদ্ধের কাছ থেকে ৮ হাজার পিছ ইয়াবা ছিনতাই করে। এর কয়েকদিন যেতে না যেতেই একই এলাকায় আরো ৫ হাজার পিছ ইয়াবা ছিনতাই হয়। বিষয়টি জানা জানি হলে ছিনতাইকারীরা সেখান থেকে ১ হাজার পিছ ইয়াবা স্থানীয় বিজিবিকে জমা দেয়। কিন্তু আশ্চর্য্যজনক বিষয়, ছিনতাইকারী নাগালে পেয়েও বিজিবি সদস্যরা কাউকে আটক করতে সক্ষম হয়নি।

0 Comments