মো. নুরুল করিম আরমান, লামা :
বান্দরবানের লামায় ভুমি বিরোধের জের ধরে দু‘পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ভতিজার ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত চাচা মোকাদ্দেস (৪৫)
৩দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে মারা গেছেন। নিহত ব্যক্তি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র। পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল লতিফ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।
৩দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে মারা গেছেন। নিহত ব্যক্তি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র। পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল লতিফ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হারগাজা এলাকার মোকাদ্দেস (৪৫) এর আপন ভাই মোক্তার আহমদের সাথে ভুমি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত ২৩ ফেব্রুয়ারী সকালে মোক্তার আহমদগং বিরোধপূর্ণ জমির দখল নিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে দু’পক্ষের ১০-১২জন আহত হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত মোকাদ্দেসকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাতে মোকাদ্দেস মারা যান। ওই দিন নিহতের স্ত্রী হাজেরা বেগম বাদী হয়ে ভাতিজা মিজবাউল হক লাভলুকে প্রধান আসামী করে ২১জনের বিরুদ্ধে লামা থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ সোমবার সকালে এ ঘটনার এজাহারভুক্ত আসামী আবদুল লতিফকে (৪০) গ্রেফতার করে। মোকাদ্দেস মারা যাওয়ার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য এজাহারভুক্ত আসামীগণ গা ঢাকা দেয়। লামা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইকুল আহমেদ ভুইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এএসপি সার্কেলসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এজাহারভুক্ত ১ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

0 Comments