বেলাল আজাদ
সীমান্ত ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সমপ্রতি সময়ে বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ,
যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা দিনদিন বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় অনেক নিরীহ পুরুষের জীবন বরবাদ হয়ে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা ঘটছে। বাল্য প্রেমের বিবাহ, পাত্র-পাত্রীর অভিভাবকদের সম্মতিতে বাল্য বিবাহ এবং স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্বেও বহু বিবাহ, যৌতুক লেনদেন, স্বামী বা স্ত্রীর অনুপস্থিতে পরকীয়া প্রেম, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাক প্রদানের ঘটনা প্রায় প্রত্যেক এলাকায় প্রতিদিনই ঘটছে। বাল্য বিবাহ বা বহু বিবাহে স্থানীয় নিকাহ্ রেজিষ্টারেরা কাবিন নামা সম্পাদন না করলেও নোটারী পাবলিকের কার্যালয় গুলোতে অনায়াসে নোটারী হলফ নামা মূলে এসব বিবাহ সম্পাদন করা হয়। বিশেষ করে স্বামী বিদেশ থাকার সুবাধে অনেক স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সুখের সংসার ত্যাগ করে। সংসারে আর্থিক অনটন, পরকীয়া ও যৌতুক দাবীর কারনে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়, নির্যাতিত হয় অনেক গৃহবধু। অন্যদিকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় অনেক নিরীহ পুরুষের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। গত কয়েক মাস পূর্বে উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের সমুদ্র উপকূলীয় চেপটখালী গ্রামের জনৈক নূর আহমদের পুত্র আবদুস শুক্কুর (২২) একই এলাকার জনৈক মফিজুর রহমানের নাবালিকা কন্যা মিনারা আক্তারের (১৪) সাথে বাল্য প্রেমে জড়িয়ে পড়ে উভয়ে পরিবারের অজান্তে গোপনে কক্সবাজার নোটারী পাবলিকে বিবাহ করতে আসার পথে মিনারার আক্তারের ভাই আবুল কালাম আটক করে উখিয়া থানায় সোর্পদ করে। উখিয়া থানার পুলিশ প্রেমিক আবদুস শুক্কুর সহ ৬জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা রুজু করে ১নং আসামী আবদুস শুক্কুর ও ৬নং আসামী মোঃ তৈয়বকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে। বর্তমানে উক্ত আসামীদ্বয় জেল হাজতে আছে আর অপর ৪জন আসামী পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। একই ধরনের বাল্য প্রেম সহ নারী ঘটিত কারনে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় জড়িয়ে অনেক নিরীহ পুরুষের জীবন বরবাদ হয়ে গেছে।পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সংসার ভাঙ্গছে অনেকের। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সামান্য মনোমালিন্যের কারনে একে অপরকে তালাক প্রদানের প্রবণতা বাড়ছে। জেলার একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবু্যনাল, ৭টি উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এবং ৮টি থানায় প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় দু'শতাধিক নারী নির্যাতন ও যৌতুক দাবীর মামলা দায়ের হয়। এছাড়া জেলায় অসংখ্য নারী সহায়তা কেন্দ্রে ও সংস্থায় নারী নির্যাতনের অহরহ অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা নিরসনে সামাজিক ভাবে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
সীমান্ত ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সমপ্রতি সময়ে বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ,
যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা দিনদিন বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় অনেক নিরীহ পুরুষের জীবন বরবাদ হয়ে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা ঘটছে। বাল্য প্রেমের বিবাহ, পাত্র-পাত্রীর অভিভাবকদের সম্মতিতে বাল্য বিবাহ এবং স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্বেও বহু বিবাহ, যৌতুক লেনদেন, স্বামী বা স্ত্রীর অনুপস্থিতে পরকীয়া প্রেম, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাক প্রদানের ঘটনা প্রায় প্রত্যেক এলাকায় প্রতিদিনই ঘটছে। বাল্য বিবাহ বা বহু বিবাহে স্থানীয় নিকাহ্ রেজিষ্টারেরা কাবিন নামা সম্পাদন না করলেও নোটারী পাবলিকের কার্যালয় গুলোতে অনায়াসে নোটারী হলফ নামা মূলে এসব বিবাহ সম্পাদন করা হয়। বিশেষ করে স্বামী বিদেশ থাকার সুবাধে অনেক স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সুখের সংসার ত্যাগ করে। সংসারে আর্থিক অনটন, পরকীয়া ও যৌতুক দাবীর কারনে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়, নির্যাতিত হয় অনেক গৃহবধু। অন্যদিকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় অনেক নিরীহ পুরুষের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। গত কয়েক মাস পূর্বে উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের সমুদ্র উপকূলীয় চেপটখালী গ্রামের জনৈক নূর আহমদের পুত্র আবদুস শুক্কুর (২২) একই এলাকার জনৈক মফিজুর রহমানের নাবালিকা কন্যা মিনারা আক্তারের (১৪) সাথে বাল্য প্রেমে জড়িয়ে পড়ে উভয়ে পরিবারের অজান্তে গোপনে কক্সবাজার নোটারী পাবলিকে বিবাহ করতে আসার পথে মিনারার আক্তারের ভাই আবুল কালাম আটক করে উখিয়া থানায় সোর্পদ করে। উখিয়া থানার পুলিশ প্রেমিক আবদুস শুক্কুর সহ ৬জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা রুজু করে ১নং আসামী আবদুস শুক্কুর ও ৬নং আসামী মোঃ তৈয়বকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে। বর্তমানে উক্ত আসামীদ্বয় জেল হাজতে আছে আর অপর ৪জন আসামী পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। একই ধরনের বাল্য প্রেম সহ নারী ঘটিত কারনে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় জড়িয়ে অনেক নিরীহ পুরুষের জীবন বরবাদ হয়ে গেছে।পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে সংসার ভাঙ্গছে অনেকের। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সামান্য মনোমালিন্যের কারনে একে অপরকে তালাক প্রদানের প্রবণতা বাড়ছে। জেলার একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবু্যনাল, ৭টি উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এবং ৮টি থানায় প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় দু'শতাধিক নারী নির্যাতন ও যৌতুক দাবীর মামলা দায়ের হয়। এছাড়া জেলায় অসংখ্য নারী সহায়তা কেন্দ্রে ও সংস্থায় নারী নির্যাতনের অহরহ অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, যৌতুক প্রথা, পরকীয়া, দাম্পত্য কলহ-নারী নির্যাতন ও তালাকের ঘটনা নিরসনে সামাজিক ভাবে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

0 Comments