Advertisement

জেলায় ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ন খাদ্য দ্রব্যের ছড়াছড়ি

মো: কুতুব উদ্দিন
কক্সবাজার জেলার আনাচে-কানাচে বিক্রয় হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ন ও নিম্নমানের বেকারীজাত খাদ্যদ্রব্য। যা সসত্দায় নিয়ে অধিক দামে বিক্রয় করে বেশি মুনাফার আশায় বিক্রয় করছে দোকানিরা। তাদের মধ্যে

নূন্যতম মূল্যবোধও দেখা যাচ্ছে না সাধারন মানুষের প্রতি।
সদর উপজেলাসহ ৭ উপজেলায় দেদারছে চলছে এই নিম্ন মানের বেকারী ব্যবসা। সদরের কয়েকটি ভালো মানের কুলিং কণর্ার ছাড়া প্রায় অনেক কুলিং কণর্ার, মুদি দোকান ও ভ্রাম্যমান টি স্টলগুলোতে বিক্রয় হচ্ছে এসব খারাপ ও মেয়াদোত্তীর্ন খাদ্য দ্রব্য। এসব বেকারীজাত পন্যের মধ্যে রয়েছে বন, জেলিবন, কেক, পাউরম্নটি, বিষ্কিট ও হরেক রকমের শুকনা খাবার।
কক্সবাজার শহরের নূনিয়াছড়া, ফিশারী ঘাট, ৬নং, বিমানবন্দর এলাকা, হলিডে মোড়, কোর্টবিল্ডিং, লাল দিঘীর পাড়, বড় বাজার, গাড়ির মাঠসহ প্রত্যনত্দ এলাকা গুলোতে প্রতিদিন বিক্রয় হচ্ছে এসব খাদ্য দ্রব্য। দোকানগুলোতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তারা যেসব বেকারী পণ্য বিক্রয় করছে তাতে নেই কোন উৎপাদনের তারিখ, নেই মেয়াদ উত্তর্ীনের তারিখও। তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানান- যারা এসব পণ্য সরবরাহ করে তারা বিক্রিত পণ্য ফেরত না নেওয়ার শর্তে অল্প মূল্যে এসব পণ্য সরবরাহ করে। তারাও অধিক লাভের আশায় এসব পণ্য বিক্রয় করছে। বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়- কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা চিনত্দা না করে মেয়াদোত্তীর্ন ও নিম্নমানের আটা, ময়দা, চিনি, তেলসহ নানা সামগ্রী ব্যবহার করছে। সবচেয়ে দুঃখের কথা বলতে গিয়ে এসব খাবার তৈরির কারখানার প্রতিবেশি এক লোক জানান, যে নোংরা পরিবেশে এসব খাদ্যদ্রব্য তৈরি হয় তা যদি সচৰে কোন মানুষ দেখে তাহলে সে কোন দিন এসব খাবার গ্রহণ করবেনা।
নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষ গুলো তাদের ক্ষুধা নিবারনের জন্য এসব খাবার বাধ্য হয়ে গ্রহন করছে। যার ফলে তাদের অনেকেই স্বাস্থ্যগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য সমস্যায় থাকলেও কতর্ৃপৰ কোন প্রকার সুনজর দিচ্ছে না বলে ধারণা করছে অনেকে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের প্রাণের দাবি অবিলম্বে এসব নিম্নমানের বেকারী উৎপাদন বন্ধ করার পাশাপাশি এসব খাবার যারা বিক্রয় করে তাদের বিরম্নদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা যেন দ্রম্নত গ্রহন করা হয়।

Post a Comment

0 Comments