মোবারক উদ্দিন নয়ন
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। ফলে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছে তাদের পরিবার পরিজন। একের পর এক নানা ষড়যন্ত্রের পর এবার রাতারাতি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. বি এম আলী ইউসুফসহ ৬ শিক্ষকের বদলীর খবরে কলেজের
অধ্যয়নরত শিক্ষাথর্ী ও সুধিসমাজের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ দিকে অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলির প্রতিবাদে গতকাল শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে শুরম্ন করে ধর্মঘট। সকাল ১০টায় তারা ক্লাশ করতে গেলে জানতে পারে কলেজের অধ্যক্ষ ডা: বিএম আলী ইউছুফসহ ৬ জন নিয়মিত শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে। শিক্ষক বদলীর প্রতিবাদে তাৎৰণিকভাবে শিক্ষার্থীরা ক্লাশ বর্জন করে কলেজ প্রাঙ্গণে 'অধ্যক্ষ সহ ৬ শিক্ষক বদলী প্রত্যাহার করুন', 'অধ্যক্ষের বদলি আদেশ মানি না মানবনা'সহ নানা ধরণে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানববন্ধন পালন করে এবং সকল শিক্ষাথর্ী মানববন্ধন শেষে কলেজ প্রাঙ্গনে ছাত্র ছাত্রীরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় সকল শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ পর্যন্ত অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলী প্রত্যাহার করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার দু হাত তুলে অঙ্গিকার ব্যক্ত করে। পরে বিক্ষোব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজের শ্রেণী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এ ছাড়া কলেজ প্রাঙ্গন থেকে মিছিল সহকারে কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এমনিতেই নতুন এ মেডিকেল কলেজে নিয়মিত শিক্ষকের সংকট রয়েছে। তার উপর হঠাৎ করে অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলী কলেজের ক্লাশ নেয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটবে।
কলেজের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষাথর্ী সামিউল ইসলাম, জন্নাতুল ফেরদৌস, মুনতাহিন সুলতানা, আনোয়ার, মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষাথর্ী জানায়, কলেজের যাত্রা শুরু হয় শিক্ষক সংকট দিয়ে। এ পর্যন্ত কোন দিন সুষ্ঠুমতে ক্লাস করতে পারেনি শিক্ষক সংকটের কারণে। তার উপর হঠাৎ করে অধ্যক্ষসহ মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বিভাগ, চর্ম ও যৌন বিভাগ, রেডিওলজি বিভাগ, ফার্মাকোলজী বিভাগ, এনাটমী বিভাগ সহ কলেজের নিয়মিত শিক্ষকদেরকেই হঠাৎ করে বদলী করায় লেখাপড়ার ক্ষতি হবে বলে জানায় তারা।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানায়, অধ্যক্ষসহ হঠাৎ করে ৬ শিক্ষকের বদলী কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন দলের কয়েক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সাথে আতাত করে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সালে মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু থেকে নানা বাঁধা বিপত্তি ও সমস্যাকে মোকাবেলা করে আসছে। সেই সংকটপূর্ণ অবস্থা থেকে আজ পর্যন্ত এ কলেজ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ও জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগের শপথ নিয়ে অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. বিএম আালী ইউসুফসহ অন্যান্য শিক্ষকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের জানামতে, অধ্যক্ষ ২০ নভেম্বর ২০০৮ সালে যোগদানের পর থেকে আজ পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসকে তার সাধ্যের মধ্যদিয়ে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলেছেন। তাছাড়া তাদেরকে বদলী করায় ১ম ব্যাচ এবং ৩য় ব্যাচ এর পেশাগত পরীক্ষা সনি্নকটে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ক্ষতি হবে বলে উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে। তাদের দাবী, অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষককে নিজ নিজ পদে বহাল রেখে কলেজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. রাফিউল আলম খান জানিয়েছেন, কারণ বহির্ভর্ূতভাবে কলেজের নিয়মিত অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে। এতে শিক্ষাথর্ীদের লেখাপড়ার ক্ষতিসাধন হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নিয়মিত অধ্যক্ষ বদলি হওয়ায় তার স্থলে সাময়িক অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে মাত্র। কলেজের শিক্ষার্থীরা মানবন্ধন বিক্ষোভ মিছিল্ এবং জেলা প্রশাসকের মাধমে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে শিক্ষাথর্ীদের দাবী দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে। তিনি কে গেল কে না গেল তার দিকে খেয়াল না করে শিক্ষাথর্ীদের পরামর্শ দিয়ে অধ্যয়ন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। ফলে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছে তাদের পরিবার পরিজন। একের পর এক নানা ষড়যন্ত্রের পর এবার রাতারাতি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. বি এম আলী ইউসুফসহ ৬ শিক্ষকের বদলীর খবরে কলেজের
অধ্যয়নরত শিক্ষাথর্ী ও সুধিসমাজের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ দিকে অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলির প্রতিবাদে গতকাল শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে শুরম্ন করে ধর্মঘট। সকাল ১০টায় তারা ক্লাশ করতে গেলে জানতে পারে কলেজের অধ্যক্ষ ডা: বিএম আলী ইউছুফসহ ৬ জন নিয়মিত শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে। শিক্ষক বদলীর প্রতিবাদে তাৎৰণিকভাবে শিক্ষার্থীরা ক্লাশ বর্জন করে কলেজ প্রাঙ্গণে 'অধ্যক্ষ সহ ৬ শিক্ষক বদলী প্রত্যাহার করুন', 'অধ্যক্ষের বদলি আদেশ মানি না মানবনা'সহ নানা ধরণে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানববন্ধন পালন করে এবং সকল শিক্ষাথর্ী মানববন্ধন শেষে কলেজ প্রাঙ্গনে ছাত্র ছাত্রীরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় সকল শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ পর্যন্ত অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলী প্রত্যাহার করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার দু হাত তুলে অঙ্গিকার ব্যক্ত করে। পরে বিক্ষোব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজের শ্রেণী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এ ছাড়া কলেজ প্রাঙ্গন থেকে মিছিল সহকারে কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এমনিতেই নতুন এ মেডিকেল কলেজে নিয়মিত শিক্ষকের সংকট রয়েছে। তার উপর হঠাৎ করে অধ্যক্ষসহ ৬ শিক্ষকের বদলী কলেজের ক্লাশ নেয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটবে।
কলেজের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষাথর্ী সামিউল ইসলাম, জন্নাতুল ফেরদৌস, মুনতাহিন সুলতানা, আনোয়ার, মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষাথর্ী জানায়, কলেজের যাত্রা শুরু হয় শিক্ষক সংকট দিয়ে। এ পর্যন্ত কোন দিন সুষ্ঠুমতে ক্লাস করতে পারেনি শিক্ষক সংকটের কারণে। তার উপর হঠাৎ করে অধ্যক্ষসহ মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বিভাগ, চর্ম ও যৌন বিভাগ, রেডিওলজি বিভাগ, ফার্মাকোলজী বিভাগ, এনাটমী বিভাগ সহ কলেজের নিয়মিত শিক্ষকদেরকেই হঠাৎ করে বদলী করায় লেখাপড়ার ক্ষতি হবে বলে জানায় তারা।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানায়, অধ্যক্ষসহ হঠাৎ করে ৬ শিক্ষকের বদলী কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন দলের কয়েক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সাথে আতাত করে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সালে মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু থেকে নানা বাঁধা বিপত্তি ও সমস্যাকে মোকাবেলা করে আসছে। সেই সংকটপূর্ণ অবস্থা থেকে আজ পর্যন্ত এ কলেজ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ও জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগের শপথ নিয়ে অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. বিএম আালী ইউসুফসহ অন্যান্য শিক্ষকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের জানামতে, অধ্যক্ষ ২০ নভেম্বর ২০০৮ সালে যোগদানের পর থেকে আজ পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসকে তার সাধ্যের মধ্যদিয়ে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলেছেন। তাছাড়া তাদেরকে বদলী করায় ১ম ব্যাচ এবং ৩য় ব্যাচ এর পেশাগত পরীক্ষা সনি্নকটে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ক্ষতি হবে বলে উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে। তাদের দাবী, অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষককে নিজ নিজ পদে বহাল রেখে কলেজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. রাফিউল আলম খান জানিয়েছেন, কারণ বহির্ভর্ূতভাবে কলেজের নিয়মিত অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষককে বদলী করা হয়েছে। এতে শিক্ষাথর্ীদের লেখাপড়ার ক্ষতিসাধন হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নিয়মিত অধ্যক্ষ বদলি হওয়ায় তার স্থলে সাময়িক অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে মাত্র। কলেজের শিক্ষার্থীরা মানবন্ধন বিক্ষোভ মিছিল্ এবং জেলা প্রশাসকের মাধমে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে শিক্ষাথর্ীদের দাবী দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে। তিনি কে গেল কে না গেল তার দিকে খেয়াল না করে শিক্ষাথর্ীদের পরামর্শ দিয়ে অধ্যয়ন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।


0 Comments