Advertisement

গোমাতলী বাজারে সরকারী জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ

সেলিম উদ্দীন
কক্সবাজারের গোমাতলী বাজারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীগ্রহণকৃত জায়গায় অবৈধ ভাবে পাকা স্থায়ী দোকান ঘরের নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। পাউবো সময়োচিত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় দখলবাজরা এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে। 

প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,গোমাতলী বাজার সংলগ্ন ২ একর ৭৫ শতক জমি ১০ বছর আগে পাউবো অধিগ্রহণ করে। তথায় মৎস্য চাষাবাদ ও উন্নয়নের জন্যে স্থানীয় মুনছেহেরিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা কতর্ৃপক্ষ অধিগ্রহণকৃত জমির লীজ নেয় কক্সবাজার পাউবো থেকে। প্রথমে ৫ বছরের জন্য লীজ নেয়া হলেও ২০১১ সালে তা আরো ৫ বছরের জন্য নবায়ন করা হয়। স্থানীয় ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচালিত মাদ্রাসা কতর্ৃপক্ষ উক্ত ট্রাস্টের নামে এ জমির লীজ গ্রহণ করে। রহস্যজনক হলে ও বিগত ১ মাস যাবৎ উক্ত জমিতে স্থায়ী পাকা দোকান ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে এখনো তা অব্যাহত রয়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শন ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় আশরাফ আলীর ইঙ্গিতে সৌদি প্রবাসী ফরিদুল আলম গং উক্ত দোকান ঘর নির্মাণ করছে। ৪ কক্ষ বিশিষ্ট এ দোকান ঘরের ছাদ ঢালাই ও সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, জমিটি এক সময় ধান্য জমি ছিল। বর্ষাকালে এতে মৎস্য প্রজেক্ট হতো। এ উভয় সুবিধা বিবেচনা করে মাদ্রাসা কতর্ৃপক্ষ জমিটির লীজ নেয়। কিন্তু এর কোনরূপ তোয়াক্কা না করে এবং মাদ্রাসা কতর্ৃপক্ষকে পাত্তা না দিয়ে প্রভাবশালী ভূমিদসূ্যরা অবৈধ ভাবে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বীরদর্পে।
পরবর্তীতে বিষয়টি মাদ্রাসা কতর্ৃপক্ষ ও পাউবোর নজরে আসলে তারা পুলিশ সুপার, মডেল থানা, ঈদগাঁও তদনত্দ কেন্দ্র সহ প্রশাসনের বিভিন্ন সত্দরে লিখিত অভিযোগ দাখিল দেয়। এতে স্থানীয় মৃত ছুরুত আলমের পুত্র আশরাফ আলী কে আসামী করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঈদগাঁও তদনত্দ কেন্দ্রের পুলিশ কয়েক দফে অভিযান চালিয়ে ১ জন কে আটক করে পরবর্তীতে ছেড়ে দেয়। পুলিশী ধর পাকড়ের ভয়ে জবর দখলকারীরা দিনে কাজ না করে রাত্রে গোপনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় লবণ ব্যবসায়ী হান্নান মিয়া ও লবণ চাষী ফরিদুল আলম জানান, লাখ লাখ টাকা মুল্যের জমি ভূমি দসূ্যরা দিন দুপুরে দখল করে নিলেও পাউবো রহস্যজনক কারণে নির্বিকার রয়েছে। আরো জানা যায়, পাউবোর অধিগ্রহণকৃত জমির দক্ষিণ পাশ্বর্ে পৈত্রিক জমি রয়েছে জবর দখলকারী ফরিদ গংয়ের । তারা মাথাখিলার বাহানা দিয়ে তারা এ জমি দখল করে নেয়ায় স্থানীয় লোকজন ও এ ব্যাপারে তেমন প্রতিবাদ মুখর হচ্ছেন না।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নেজাম উদ্দিন খাঁনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন সত্দরে অভিযোগ দিয়েছে বলে জানান। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি উন্নয়ন বোর্ডের লীজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান,জবর দখলকারী আশরাফ আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা করা নেয়া হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments