# থানায় অভিযোগ দিলে কাজ হয়না # পরের জায়গা দখলে রাখেন নিজে # মানেন না আদালতের নিষেধাজ্ঞা # নিজেকে মনে করেন রাজা-বাদশাহ # প্রতিবাদ করলে নেমে আসে হামলা-মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
এলাকার অধিকাংশ মানুষের মূর্তিমান আতংক সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদের। জীবনে কোনদিন কোথাও শিৰকতা করেননি তিনি। গত ইউপি নির্বাচনের আগে আরো বহুবার নির্বাচন করেছিলেন। সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে ধরাশায়ী হলেও গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান হন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, মাঠ পর্যায়ে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত উক্ত মাস্টার আবদুল কাদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বেশি বেপরোয়া হয়ে পড়েন। এর আগেও এলাকায় তার বিরম্নদ্ধে
সন্ত্রাস, নিরীহ লোকজনের উপর জোর জুলুমের অভিযোগ হরদম। জানা গেছে, বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান দুটি গুরম্নত্বপূর্ণ পদকে শক্তি মনে করে তিনি হয়ে পড়েন সাংঘাতিক প্রভাবশালী। উপজেলা পরিষদ ও জেলার বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ দপ্তর এবং শীর্ষ নেতাদের সাথে তাঁর পরিচয় ও সম্পর্কের কথা পুঁজি করে নিজের চেয়ে একটু কমের মানুষকে তিনি মানুষ বলে মনে করেন না। ধরাকে করেন সরা। এলাকার অভ্যনত্দরে সবসময় নিকটতম আত্মীয় ও দাগি-দাগি সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে তাঁর রয়েছে বাহিনী। প্রয়োজন হলেই তারা ঝাঁপিয়ে পড়েন কাজে। সবচেয়ে লোমহর্ষক অভিযোগ হচ্ছে, উক্ত চেয়ারম্যান শুধু শক্তি এবং প্রভাব প্রতিপত্তির অহংকার নয়, মামলা মোকদ্দমারও ভয় দেখান। তার অপকর্মের বিরম্নদদ্ধে টু শব্দ করলেই বিবেকবর্জিত হিংসাত্মক হয়ে উঠেন। সামপ্রতিক সময়ে দৈনিক কক্সবাজারবাণীতে এ সংক্রানত্দ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশিত হলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সময় মাস্টার আবদুল কাদেরের কাছে নির্যাতিত, নিগৃহীত লোকজন পাহাড়সম অভিযোগ নিয়ে আসতে শুরম্ন করে পত্রিকা অফিসে। সব ভুক্তভোগীর একই কথা, তিনি চেয়ারম্যান পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালী। থানায় বিচার দিলেও কোন কাজ হয়না। যেই পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রৰার কথা, সেই কিছু পুলিশ সদস্যদের সাথে রয়েছে তাঁর সখ্যতা। এই বিষয়টিও চেয়ারম্যান মাস্টার কাদেরকে আরো বেশি অপরাধ প্রবণ করে তুলেছে। নাপিতখালী ইসলামপুর এলাকার ফোরকান আহমদ নামের এক প্রতিবন্ধি উক্ত চেয়ারম্যানের জুলুম নির্যাতন থেকে রৰা ও তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য দেশের প্রধামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক, থানা, র্যাব, পুলিশসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের নির্যাতনের ব্যাপারে কয়েকদিন আগে সদর মডেল থানায় মামলা দিয়েছি। পুলিশ তা রেকর্ড না করায় এখন আমি প্রতিকার পাওয়াতো দূরের কথা আরও বেকায়দায় পড়ে গেছি। চেয়ারম্যানের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীদের জন্য বাড়িঘরে যেতে পারছি না। মিথ্যা মামলা হামলার হুমকি ধমকি আরও বেড়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন বাহিনীর কাছে উক্ত প্রতিবন্ধির পাঠানো আবেদনটি সংগ্রহ করে দেখা গেল, সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মত ঘটনা বিদ্যমান। তাই বিষয়টির সুষ্ঠ তদনত্দ পূর্বক স্থানীয় প্রশাসনের পৰ থেকে উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার স্বার্থে নিম্নে তা হুবুহু উপস্থাপন করা হল-
সন্ত্রাস, নিরীহ লোকজনের উপর জোর জুলুমের অভিযোগ হরদম। জানা গেছে, বিএনপি নেতা ও চেয়ারম্যান দুটি গুরম্নত্বপূর্ণ পদকে শক্তি মনে করে তিনি হয়ে পড়েন সাংঘাতিক প্রভাবশালী। উপজেলা পরিষদ ও জেলার বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ দপ্তর এবং শীর্ষ নেতাদের সাথে তাঁর পরিচয় ও সম্পর্কের কথা পুঁজি করে নিজের চেয়ে একটু কমের মানুষকে তিনি মানুষ বলে মনে করেন না। ধরাকে করেন সরা। এলাকার অভ্যনত্দরে সবসময় নিকটতম আত্মীয় ও দাগি-দাগি সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে তাঁর রয়েছে বাহিনী। প্রয়োজন হলেই তারা ঝাঁপিয়ে পড়েন কাজে। সবচেয়ে লোমহর্ষক অভিযোগ হচ্ছে, উক্ত চেয়ারম্যান শুধু শক্তি এবং প্রভাব প্রতিপত্তির অহংকার নয়, মামলা মোকদ্দমারও ভয় দেখান। তার অপকর্মের বিরম্নদদ্ধে টু শব্দ করলেই বিবেকবর্জিত হিংসাত্মক হয়ে উঠেন। সামপ্রতিক সময়ে দৈনিক কক্সবাজারবাণীতে এ সংক্রানত্দ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশিত হলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সময় মাস্টার আবদুল কাদেরের কাছে নির্যাতিত, নিগৃহীত লোকজন পাহাড়সম অভিযোগ নিয়ে আসতে শুরম্ন করে পত্রিকা অফিসে। সব ভুক্তভোগীর একই কথা, তিনি চেয়ারম্যান পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালী। থানায় বিচার দিলেও কোন কাজ হয়না। যেই পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রৰার কথা, সেই কিছু পুলিশ সদস্যদের সাথে রয়েছে তাঁর সখ্যতা। এই বিষয়টিও চেয়ারম্যান মাস্টার কাদেরকে আরো বেশি অপরাধ প্রবণ করে তুলেছে। নাপিতখালী ইসলামপুর এলাকার ফোরকান আহমদ নামের এক প্রতিবন্ধি উক্ত চেয়ারম্যানের জুলুম নির্যাতন থেকে রৰা ও তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য দেশের প্রধামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক, থানা, র্যাব, পুলিশসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের নির্যাতনের ব্যাপারে কয়েকদিন আগে সদর মডেল থানায় মামলা দিয়েছি। পুলিশ তা রেকর্ড না করায় এখন আমি প্রতিকার পাওয়াতো দূরের কথা আরও বেকায়দায় পড়ে গেছি। চেয়ারম্যানের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীদের জন্য বাড়িঘরে যেতে পারছি না। মিথ্যা মামলা হামলার হুমকি ধমকি আরও বেড়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন বাহিনীর কাছে উক্ত প্রতিবন্ধির পাঠানো আবেদনটি সংগ্রহ করে দেখা গেল, সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মত ঘটনা বিদ্যমান। তাই বিষয়টির সুষ্ঠ তদনত্দ পূর্বক স্থানীয় প্রশাসনের পৰ থেকে উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার স্বার্থে নিম্নে তা হুবুহু উপস্থাপন করা হল-
আমি নিম্নস্বাৰরকারী কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খানঘোনা গ্রামের প্রতিবন্ধী, নিরীহ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল লোক হই। ১নং আসামি মাস্টার আবদুল কাদের অত্র এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান, প্রচুর বিত্ত ভৈববের মালিক এবং সন্ত্রাসির গডফাদার। ২নং বিবাদি আমার জন্মদাতা পিতা ও ১নং বিবাদির বিভিন্ন অপকর্মের সক্রিয় মদদদাতা।
বিগত ১৯৭২ সালের ২০ জুলাই আমার জন্মের পর ২নং বিবাদী (অর্থাৎ পিতা) পরনারী আসক্ত হয়ে আমার মাকে ডিভোর্স দেন। পরবর্তীতে তৎকালীন সময় স্থানীয় সালিশ বিচার মতে ২নং বিবাদী বিগত ০৪/০৯/১৯৮৫ইং তারিখ ৩৩২৬নং রেজিস্ট্রিযুক্ত দানপত্র মুলে পিতার দায়মুক্ত হয়ে আমার ভরণপোষণের জন্য ৫৮ শতক জমি আমার নামে দানপত্র করেন। তখন আমি ছোট ও নাবালক ছিলাম। শৈশব-কৈশোরে দাদির বাড়িতে পিতা-মাতা ছাড়া লালিত-পালিত হয়ে এখন আমার বয়স প্রায় ৩৯ বৎসর। সংসারে আমার ২ ছেলে ২ মেয়েকে জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বলই উক্ত জমি।
আমি একজন মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধি। অল্প শিৰিত লোক হওয়ায় সমাজের অন্যান্য ১০জন মানুষের মত কাজকর্মও করতে পারিনা। এই অবস্থায় অভিযোগের পাশ্বর্ে কলামে বর্ণিত ১নং বিবাদী কাদের মাস্টার আমার প্রতারক পিতা ২নং বিবাদীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে সমপ্রতি আমার নামীয় বিএস রেজিস্ট্রি ও নামজারিকৃত উক্ত ৫৮ শতক জমি ৰমতার জোরে প্রকাশ্য জনসম্মুখে লাঠিয়াল বাহিনী দ্বারা জবর দখল করে আমাকে বে-আইনীভাবে জায়গা হইতে দখল উচ্ছেদ করে। এ ব্যাপারে আমি থানায়, আদালতে ও ভূমি অফিসের শরণাপন্ন হলেও ১নং বিবাদী স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী হওয়ায় অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে আইনকে ও শালিস বিচারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোন বিচারই মানছেন না। উল্টো তিনি আমাকে ইতোপূর্বে তার লালিত সন্ত্রাসী/ লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে কয়েকবার মারধর করে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে কক্সবাজারের স্থানীয় পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ১নং বিবাদী আরো প্রবলভাবে ৰিপ্ত হয়ে আমাকে প্রাণে হত্যা, বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেয়া অথবা আমার ছেলে মেয়ে অপহরণপূর্বক লাশগুমের হুমকি, ভীতি প্রদান অব্যাহত রাখিয়াছে। বর্তমানে গ্রামে আমার স্ত্রী, পুত্র এবং আমি নিজে চেয়ারম্যানের ভয়ে পালিয়ে থেকেও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। অপরদিকে ১নং বিবাদী উক্ত জমির কোন স্বত্ব-স্বার্থ ছাড়াই অবৈধ শক্তি ও ৰমতার অপব্যবহারে বেআইনী ভাবে আমার মালিকানাধীন ও আমার নামে নামজারিকৃত ৫৮ শতক জমি জবর দখল করে নিজে অবৈধ ভোগ করছেন। বর্তমানে আমি অত্যনত্দ অসহায় অবস্থায় দিনযাপন করিতেছি। এমতাবস্থায় পাশ্বর্ে বর্ণিত ১নং বিবাদী একজন এলাকার চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী লোক হওয়ায় আমি স্থানীয় প্রশাসনের নকট কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। তাই আমার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে আমি আপনার শরণাপন্ন হইলাম।


0 Comments