ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
চকরিয়ার লৰ্যারচরে এক ইউপি সদস্য কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অবৈধ মেলামেলা চলা অবস্থায় রাত অনুমানিক ২টার দিকে জনতার হাতে আটক হয়েছে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় পরিবারের
লোকজন ওই মেম্বারকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার ও প্রবাসীর স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এনিয়ে এলাকার লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় গুরা মিয়ার পুত্র জামাল উদ্দিন ও এলাকাবাসী জানায়, চকরিয়ার লৰ্যারচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রম্নসত্দম আলী চৌধুরী পাড়ায় একটি বিবাহের অনুষ্ঠানকে নিয়ে গানেয়র আয়োজন করা হয়। গান চলাকালীন অবস্থায় পাশর্্ববর্তি বিদেশ প্রবাসী আজকামাল খলিফার বাড়িতে অবস্থান নেয় স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য শামশুল আলম। ওইদিন শনিবার দিবাগত রাত অনুমানিক ২টার দিকে ওই প্রবাসীর স্ত্রী পারভিন আকতারের সাথে গানে আগত স্থানীয় গোপনে খবর নিয়ে দেখতে পায় ওই মেম্বারের সাথে অবৈধ মেলামেশা অবস্থায়। দীর্ঘৰণ পর স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওয়ার্ড মেম্বার ও প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতে নাতে ধরে ফেলে আটক করে রাখে। ঘটনার জানাজানি হলে মেম্বারের পরিবার ও ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দেন স্থানীয়রা। এসময় মেম্বারের পরিবারের সদস্যরা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জনগণের জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায় এবং প্রবাসীর স্ত্রী পারভিনকে শ্বাশুর বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। মেম্বার ও প্রবাসীর স্ত্রী কান্ডজ্ঞানহীন এঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।
চকরিয়ার লৰ্যারচরে এক ইউপি সদস্য কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অবৈধ মেলামেলা চলা অবস্থায় রাত অনুমানিক ২টার দিকে জনতার হাতে আটক হয়েছে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় পরিবারের
লোকজন ওই মেম্বারকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার ও প্রবাসীর স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এনিয়ে এলাকার লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় গুরা মিয়ার পুত্র জামাল উদ্দিন ও এলাকাবাসী জানায়, চকরিয়ার লৰ্যারচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রম্নসত্দম আলী চৌধুরী পাড়ায় একটি বিবাহের অনুষ্ঠানকে নিয়ে গানেয়র আয়োজন করা হয়। গান চলাকালীন অবস্থায় পাশর্্ববর্তি বিদেশ প্রবাসী আজকামাল খলিফার বাড়িতে অবস্থান নেয় স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য শামশুল আলম। ওইদিন শনিবার দিবাগত রাত অনুমানিক ২টার দিকে ওই প্রবাসীর স্ত্রী পারভিন আকতারের সাথে গানে আগত স্থানীয় গোপনে খবর নিয়ে দেখতে পায় ওই মেম্বারের সাথে অবৈধ মেলামেশা অবস্থায়। দীর্ঘৰণ পর স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওয়ার্ড মেম্বার ও প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতে নাতে ধরে ফেলে আটক করে রাখে। ঘটনার জানাজানি হলে মেম্বারের পরিবার ও ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দেন স্থানীয়রা। এসময় মেম্বারের পরিবারের সদস্যরা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জনগণের জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায় এবং প্রবাসীর স্ত্রী পারভিনকে শ্বাশুর বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। মেম্বার ও প্রবাসীর স্ত্রী কান্ডজ্ঞানহীন এঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

0 Comments