মোবারক উদ্দিন নয়ন
অশানত্দ মহেশখালী যে কারনে শানত্দ হচ্ছে না তার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, সেখানে কিছু দাগি, চিহ্নিত সন্ত্রাসী রয়েছে যারা খুবই প্রভাবশালী। এলাকাবাসির পৰ থেকে এদের গ্রেপ্তারের জন্য বহু আবেদন
নিবেদন সংশিস্নষ্ট থানা ও প্রশাসনের বিভিন্ন সেক্টরে অভিযোগ দায়ের হলেও প্রশাসনের টনক নড়ে না। ৰেত্র বিশেষে এদের অনেকেই ঘটনার সাথে সাথে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে শুধুই ঘটন আর অঘটনের জন্ম দেয়। জানা গেছে, দ্বীপ উপজেলার এমন কিছু অপরাধীর মধ্যে বড় মহেশখালী এলাকার সালাউদ্দিন অন্যতম। স্থানীয়ভাবে রয়েছে তার বাহিনী। এলাকাবাসি একে সালাউদ্দিন বাহিনী নামে চেনে।
সুত্র মতে, রাতের অন্ধকারে র্যাব কিংবা পুলিশের পোষাক পরেও নিয়ন্ত্রণ করে অপরাধ জগত। ব্যবহার করে ভারী অস্ত্রশস্ত্র। চালায় অসামাজিক সব কর্মকান্ড। তারা এত বেশি ভয়ংকর যে, কেউই প্রতিবাদ করলে নেমে আসে জুলুম নির্যাতন। সুত্র মতে, এই বাহিনীর সদস্যরা গত ১৮ তারিখ রাত ১১ঘটিকার সময় মোঃ নেছার, পিতা- বাদশা মিয়া, সাং- দেবাঙ্গপাড়া, বড় মহেশখালী, থানা- মহেশখালী, জেলা কক্সবাজারকে কালো পোষাক পরে র্যাব সেজে অবহরণ করে প্রচুর মারধর করে এবং তার নিকট থাকা মোবাইল, টর্চ লাইট, নগদ ১০,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। বর্তমানে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় সেও তাদের বিরম্নদ্ধে মামলা করার সাহস পাচ্ছে না। সন্ত্রাসীদের মধ্যে উলেস্নখযোগ্য কয়েকজন হলো সালাহ উদ্দিন, পিতা- মৃত আবদুল বারি, মোঃ নেচার, পিতা- মৃত আবদুল হাকিম, মাহমুদুল করিম, পিতা- ঐ, আবদুল মালেক ভোলাইয়া, পিতা- মোঃ ইসমাইল, মোঃ ফারম্নক, পিতা- আবদুল জব্বা, মোঃ হেলাল, পিতা- লাল মোহাম্মদ, আকতার কামাল লেড়ু, পিতা- মৃত আবুল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, পিতা- মৃত আবদুল হাকিম, আনছারম্নল করিম, পিতা- ঐ, সর্বসাং- দেবাঙ্গা পাড়া, বড় মহেশখালী, উপজেলা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। এরা প্রত্যেকে হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। সন্ত্রাসী মোঃ নেচার ও মাহমুদুল করিম প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে নিজ বাড়িতে অস্ত্র ও মদের ব্যবসা করায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ দূষিত করে তুলেছে।
অশানত্দ মহেশখালী যে কারনে শানত্দ হচ্ছে না তার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, সেখানে কিছু দাগি, চিহ্নিত সন্ত্রাসী রয়েছে যারা খুবই প্রভাবশালী। এলাকাবাসির পৰ থেকে এদের গ্রেপ্তারের জন্য বহু আবেদন
নিবেদন সংশিস্নষ্ট থানা ও প্রশাসনের বিভিন্ন সেক্টরে অভিযোগ দায়ের হলেও প্রশাসনের টনক নড়ে না। ৰেত্র বিশেষে এদের অনেকেই ঘটনার সাথে সাথে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে শুধুই ঘটন আর অঘটনের জন্ম দেয়। জানা গেছে, দ্বীপ উপজেলার এমন কিছু অপরাধীর মধ্যে বড় মহেশখালী এলাকার সালাউদ্দিন অন্যতম। স্থানীয়ভাবে রয়েছে তার বাহিনী। এলাকাবাসি একে সালাউদ্দিন বাহিনী নামে চেনে।
সুত্র মতে, রাতের অন্ধকারে র্যাব কিংবা পুলিশের পোষাক পরেও নিয়ন্ত্রণ করে অপরাধ জগত। ব্যবহার করে ভারী অস্ত্রশস্ত্র। চালায় অসামাজিক সব কর্মকান্ড। তারা এত বেশি ভয়ংকর যে, কেউই প্রতিবাদ করলে নেমে আসে জুলুম নির্যাতন। সুত্র মতে, এই বাহিনীর সদস্যরা গত ১৮ তারিখ রাত ১১ঘটিকার সময় মোঃ নেছার, পিতা- বাদশা মিয়া, সাং- দেবাঙ্গপাড়া, বড় মহেশখালী, থানা- মহেশখালী, জেলা কক্সবাজারকে কালো পোষাক পরে র্যাব সেজে অবহরণ করে প্রচুর মারধর করে এবং তার নিকট থাকা মোবাইল, টর্চ লাইট, নগদ ১০,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। বর্তমানে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় সেও তাদের বিরম্নদ্ধে মামলা করার সাহস পাচ্ছে না। সন্ত্রাসীদের মধ্যে উলেস্নখযোগ্য কয়েকজন হলো সালাহ উদ্দিন, পিতা- মৃত আবদুল বারি, মোঃ নেচার, পিতা- মৃত আবদুল হাকিম, মাহমুদুল করিম, পিতা- ঐ, আবদুল মালেক ভোলাইয়া, পিতা- মোঃ ইসমাইল, মোঃ ফারম্নক, পিতা- আবদুল জব্বা, মোঃ হেলাল, পিতা- লাল মোহাম্মদ, আকতার কামাল লেড়ু, পিতা- মৃত আবুল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, পিতা- মৃত আবদুল হাকিম, আনছারম্নল করিম, পিতা- ঐ, সর্বসাং- দেবাঙ্গা পাড়া, বড় মহেশখালী, উপজেলা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। এরা প্রত্যেকে হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। সন্ত্রাসী মোঃ নেচার ও মাহমুদুল করিম প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে নিজ বাড়িতে অস্ত্র ও মদের ব্যবসা করায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ দূষিত করে তুলেছে।

0 Comments