এসএম হান্নান শাহ
চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর বাঘগুজারা পয়েন্টে নির্মানাধীন ক্রঁসবাধের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ এগিয়ে আসায় নদীর মিঠাপানি আটকিয়ে কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার কৃষক পরিবারে দেখা দিয়েছে হাসির ঝিলিক।
জানাগেছে, গেল অক্টোবর মাসে মাতামুহুরী নদীর বাঘগুজারা পয়েন্টে রাবার ড্যাম প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন ও চকরিয়া পেকুয়ার কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে শুরম্ন করা হয় মাটির তৈরী অস্থায়ী ক্রঁসবাধ নিমর্াণ কাজ। চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম একাজের উদ্বোধন করেন। মাঝ পথে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে সংশিস্নুষ্টদের ক্রঁসবাধ নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে বেগ পেতে হলেও গত কয়েকদিনে কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারম্নল হক সিকদারের প্রচেষ্টায় নির্মাণকাজ প্রায় এগিয়ে এসেছে। শনিবার ইউপি চেয়ারম্যান দিদারম্নল হক সিকদার জানান, প্রায় ২শতাধিক শ্রমিক বাধ নির্মাণকাজে নিয়োজিত রয়েছে। তিনি আজকালের মধ্যে বাধের কাজ প্রায় সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করেছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানায়, বাধ নির্মাণের মাধ্যমে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ৬০হাজার কৃষক চলতি বছর প্রায় ৭০হাজার একর জমিতে নদীর মিঠাপানির সেচ সুবিধা নিয়ে বোরো চাষাবাদ করতে পারবে নিশ্চিনত্দে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সমাপ্তির পথে হওয়ায় কৃষকের মাঝে আনন্দ দেখা দিয়েছে। গতকাল কাজ পরিদর্শনকালে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর বাঘগুজারা পয়েন্টে নির্মানাধীন ক্রঁসবাধের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ এগিয়ে আসায় নদীর মিঠাপানি আটকিয়ে কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার কৃষক পরিবারে দেখা দিয়েছে হাসির ঝিলিক।
জানাগেছে, গেল অক্টোবর মাসে মাতামুহুরী নদীর বাঘগুজারা পয়েন্টে রাবার ড্যাম প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন ও চকরিয়া পেকুয়ার কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে শুরম্ন করা হয় মাটির তৈরী অস্থায়ী ক্রঁসবাধ নিমর্াণ কাজ। চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম একাজের উদ্বোধন করেন। মাঝ পথে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে সংশিস্নুষ্টদের ক্রঁসবাধ নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে বেগ পেতে হলেও গত কয়েকদিনে কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারম্নল হক সিকদারের প্রচেষ্টায় নির্মাণকাজ প্রায় এগিয়ে এসেছে। শনিবার ইউপি চেয়ারম্যান দিদারম্নল হক সিকদার জানান, প্রায় ২শতাধিক শ্রমিক বাধ নির্মাণকাজে নিয়োজিত রয়েছে। তিনি আজকালের মধ্যে বাধের কাজ প্রায় সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করেছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানায়, বাধ নির্মাণের মাধ্যমে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ৬০হাজার কৃষক চলতি বছর প্রায় ৭০হাজার একর জমিতে নদীর মিঠাপানির সেচ সুবিধা নিয়ে বোরো চাষাবাদ করতে পারবে নিশ্চিনত্দে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সমাপ্তির পথে হওয়ায় কৃষকের মাঝে আনন্দ দেখা দিয়েছে। গতকাল কাজ পরিদর্শনকালে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

0 Comments