সেলিম উদ্দীন
কক্সবাজারের জালালাবাদে শত বছরের পালাকাটা খাল দখল করে নিচ্ছে দু'পাড়ের বাসিন্দারা। দখলের প্রতিযোগিতায় সরু হয়ে আসছে এক সময়ের খরস্রোতা এ খালটি। দিন দিন কমে যাচ্ছে নদীর নাব্যতা। নাব্যতার অভাবে বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা।
সরেজমিন খাল পরিদর্শন ও স্থানীয়দের আলাপ করে জানা গেছে, পালাকাটা খালটি এলাকার শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী খরশ্রুতা একটি খাল। এক সময় এ খাল দিয়ে মালামালবাহী নৌকা ও সাম্পান চলাচল করতো। স্থানীয় মাছ শিকারীরা বিভিন্ন সময় জাল দিয়ে এ খালে মাছ শিকার করতো। ঘুমগাছ তলা সংলগ্ন রাসত্দার ব্রীজ থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমে মোহন ভিলা অতিক্রম করে পোকখালী, চৌফলদণ্ডী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মিলিত হয়েছে।
৩ বছর পূর্বে তৎকালীন চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমের তত্ত্বাবধানে সরকারী ভাবে খালটি খনন করা হয়েছিল। শুরুতে খালের প্রশসত্দতা ও নাব্যতা ছিল নৌকা চলাচলের উপযোগী। সময়ের বির্বতনে খালটি তার অসত্দিত্ব হারাতে বসেছে। দু'পাড়ের দখলবাজরা মেতে উঠেছে দখল মহোৎসবে। খালের বিভিন্ন অংশ একের পর এক দখল করে নিচ্ছে খালের দু'পাড়ের ভূমিদসূ্যরা। এ দখল মহোৎসবের কারণে বেকায়দায় পড়েছে বৃহত্তর পালাকাটার পনের সহ্রসাধিক লোক। প্রভাবশালীরা খালের বিভিন্ন অংশ দখল করে তাতে নির্মাণ করছে ঘর, দোকান, পায়খানা সহ নানা স্থাপনা। খালের দু'পাড়ের বাসিন্দারা বসত বাড়ীর ড্রেন, পায়খানার সংযোগ পাইপ বসিয়ে বিষিয়ে তুলেছে খাল ও এলাকার পরিবেশকে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে আরো জানা যায়, প্রাক্তন মেম্বার আবুল কাসেম, ছাদেক খলিফা, ফরিদুল আলম, হাজী ছাবের আহমদ গংরা মাটি ভরাট করে খাল দখল করছে। এলাকার শিক্ষক আবদুল খালেক, আবদু ছামাদ, ব্যবসায়ী মোসত্দাক আহমদ, দোকানদার সরওয়ার কামাল, কৃষক মোহাম্মদ ইদ্রিচ ও ফরিদুল আলম সহ অনেকেই খাল দখলের জন্য এলাকাবাসীরা দায়ী বলে নির্ধিদ্বায় স্বীকার করেছেন। ট্রেসম্যাপ অনুযায়ী সরকারী ভাবে খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও পূনঃ খননের উদ্যোগ নিলে তারা স্বেচ্ছায় দখল ছেড়ে দেবেন বলে জানান। কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে খালটি দখল মুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শত শত একর ফসলী জমির চাষাবাদের পথ সুগম হবে।
কক্সবাজারের জালালাবাদে শত বছরের পালাকাটা খাল দখল করে নিচ্ছে দু'পাড়ের বাসিন্দারা। দখলের প্রতিযোগিতায় সরু হয়ে আসছে এক সময়ের খরস্রোতা এ খালটি। দিন দিন কমে যাচ্ছে নদীর নাব্যতা। নাব্যতার অভাবে বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা।
সরেজমিন খাল পরিদর্শন ও স্থানীয়দের আলাপ করে জানা গেছে, পালাকাটা খালটি এলাকার শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী খরশ্রুতা একটি খাল। এক সময় এ খাল দিয়ে মালামালবাহী নৌকা ও সাম্পান চলাচল করতো। স্থানীয় মাছ শিকারীরা বিভিন্ন সময় জাল দিয়ে এ খালে মাছ শিকার করতো। ঘুমগাছ তলা সংলগ্ন রাসত্দার ব্রীজ থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমে মোহন ভিলা অতিক্রম করে পোকখালী, চৌফলদণ্ডী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মিলিত হয়েছে।
৩ বছর পূর্বে তৎকালীন চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমের তত্ত্বাবধানে সরকারী ভাবে খালটি খনন করা হয়েছিল। শুরুতে খালের প্রশসত্দতা ও নাব্যতা ছিল নৌকা চলাচলের উপযোগী। সময়ের বির্বতনে খালটি তার অসত্দিত্ব হারাতে বসেছে। দু'পাড়ের দখলবাজরা মেতে উঠেছে দখল মহোৎসবে। খালের বিভিন্ন অংশ একের পর এক দখল করে নিচ্ছে খালের দু'পাড়ের ভূমিদসূ্যরা। এ দখল মহোৎসবের কারণে বেকায়দায় পড়েছে বৃহত্তর পালাকাটার পনের সহ্রসাধিক লোক। প্রভাবশালীরা খালের বিভিন্ন অংশ দখল করে তাতে নির্মাণ করছে ঘর, দোকান, পায়খানা সহ নানা স্থাপনা। খালের দু'পাড়ের বাসিন্দারা বসত বাড়ীর ড্রেন, পায়খানার সংযোগ পাইপ বসিয়ে বিষিয়ে তুলেছে খাল ও এলাকার পরিবেশকে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে আরো জানা যায়, প্রাক্তন মেম্বার আবুল কাসেম, ছাদেক খলিফা, ফরিদুল আলম, হাজী ছাবের আহমদ গংরা মাটি ভরাট করে খাল দখল করছে। এলাকার শিক্ষক আবদুল খালেক, আবদু ছামাদ, ব্যবসায়ী মোসত্দাক আহমদ, দোকানদার সরওয়ার কামাল, কৃষক মোহাম্মদ ইদ্রিচ ও ফরিদুল আলম সহ অনেকেই খাল দখলের জন্য এলাকাবাসীরা দায়ী বলে নির্ধিদ্বায় স্বীকার করেছেন। ট্রেসম্যাপ অনুযায়ী সরকারী ভাবে খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও পূনঃ খননের উদ্যোগ নিলে তারা স্বেচ্ছায় দখল ছেড়ে দেবেন বলে জানান। কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে খালটি দখল মুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শত শত একর ফসলী জমির চাষাবাদের পথ সুগম হবে।

0 Comments