মোবারক উদ্দিন নয়ন
মহেশখালীতে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের বন্দুক যুদ্ধে সন্ত্রাসীদের গুলিতে পুলিশের এক উপপরির্দশক (এস আই) পরেশ কুমার কারবারী নিহত আহত হয়েছে। এতে আরো ১ কনষ্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল (১৮ জানুয়ারী)সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাগাজীর পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকার কাঠালতলীতে ।
পুলিশ প্রত্যক্ষর্দশী সুত্রে জানা যায়, মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাগাজীর পাড়ার ছিদ্দিক আহমদের পুত্র এলাকার কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী জালাল বাহিনীর সাথে একই এলাকার জোনাব আলী মেম্বারের ছেলে আবুল শামা ও তার ভাতিজা আনোয়ারের বাহিনীর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় কতর্ৃত্ব প্রতিষ্টার জন্য সংর্ঘষ চলে আসছিল। গত ২৭ ডিসেম্বর দু'পক্ষের বন্দুক যুদ্ধে আনোয়ার বাহিনীর সদস্যদের হাতে জালাল বাহিনীর সদস্য নুরুল আলম প্রকাশ ভদাইয়া বলীর স্ত্রী কালা খাতুন নিহত হয়। ওই হত্যা কান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকতর্া নিয়োজিত হয় মহেশখালী থানার এস, আই পরেশ কুমার কারবারী। মঙ্গল বার রাতে উভয় বাহিনীর মধ্যে তুমূল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে রাতে জোনাব আলী মেম্বারের বাহিনীর কতর্ৃক জালাল বাহিনীর সদস্যদের ৭/৮টি বাড়ীতে লুটপাট ও ব্যাপক তান্ডব চালায়। রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল সকালে উভয় বাহিনী আবারো শ্বশস্ত্র অবস্থান নিয়ে জড়ো হতে থাকে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, দু'গ্রুপই সমগ্র মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছ থেকে অস্ত্র ও ক্যাডার ভাড়া করে নিয়ে আসতে থাকে। অপর একটি অসর্মথিত সুত্র মতে রাতে আনোয়ার বাহিনীর দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল গিয়ে ভোর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে চলে যায়। এর পরে সকাল থেকে দু'গ্রুপই আবারো রণ সজ্জায় অবস্থান নেয়। সকাল সাড়ে ৮টায় জালাল বাহিনীর পক্ষের কালা খাতুর হত্যা মামলার বাদী মৌঃ জালাল আহমদ মামলার তদন্তকারী কর্মকতর্া এস, আই পরেশ কুমার কারবারীকে প্রতিপক্ষের আসামীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে এসেছে বলে আসামী ধরার জন্য এস আই কে নিয়ে যায়। পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌছার সাথে সাথে উভয় গ্রুপ বন্দুক যুদ্ধে লেগে পড়ে।এসময় পুলিশও ঘটনা নিয়ন্ত্রনে পাল্টা গুলি চালাতে থাকে। পুলিশ ৩১ রাউন্ড গুলি র্বষণ করে বলে জানান। এ পরিস্থিতিতে উভয় গ্রুপের মধ্যর্বতী স্থানে হঠাৎ পুলিশের এস আই পরেশ কারবারী ও কনষ্টেবল নুরুল ইসলাম (৪৫) (কনষ্টেবল নং ৩৯১) গুলি বিদ্ধ হয়। তাদের কে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে বড় মহেশখালীর বড় ডেইল নামক স্থানে রান্তায় মারা যায়। পরে থানা সংলগ্ন মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার পরেশ কারবারীকে মৃত ঘোষণা করেন। এস.আই পরেশকারী নিহত হয়েছে বলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হিন্দু-মুসলিম ও বৌদ্ধ সহ হাজার হাজার মানুষ পরেশ কারবারীকে এক নজর দেখার জন্য থানায় ভিড় জমায়।
এদিকে পুলিশ হত্যার পর আনোয়ার বাহিনীর সদস্যরা পিছু হঠলে জালাল বাহিনীর সদস্যরা প্রতি পক্ষের ৮টি ঘরবাড়ীতে অগি্ন সংযোগ করে পুড়িয়ে দেয় এবং গরু ছাগল লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার সাবেক মহিলা মেম্বার খদিজা জানান। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। ককস বাজারের পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থল পরির্দশ করেছে। এঘটনায় এলাকায় থমথমে ও ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচর্াজ রনজিত বড়ুয়া জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহত এস, আই পরেশ কারবারীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য ককস বাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশে পাশের এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসলেও পুলিশে পক্ষ থেকে কাউকে গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করে নাই।
মহেশখালীতে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের বন্দুক যুদ্ধে সন্ত্রাসীদের গুলিতে পুলিশের এক উপপরির্দশক (এস আই) পরেশ কুমার কারবারী নিহত আহত হয়েছে। এতে আরো ১ কনষ্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল (১৮ জানুয়ারী)সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাগাজীর পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকার কাঠালতলীতে ।
পুলিশ প্রত্যক্ষর্দশী সুত্রে জানা যায়, মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাগাজীর পাড়ার ছিদ্দিক আহমদের পুত্র এলাকার কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী জালাল বাহিনীর সাথে একই এলাকার জোনাব আলী মেম্বারের ছেলে আবুল শামা ও তার ভাতিজা আনোয়ারের বাহিনীর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় কতর্ৃত্ব প্রতিষ্টার জন্য সংর্ঘষ চলে আসছিল। গত ২৭ ডিসেম্বর দু'পক্ষের বন্দুক যুদ্ধে আনোয়ার বাহিনীর সদস্যদের হাতে জালাল বাহিনীর সদস্য নুরুল আলম প্রকাশ ভদাইয়া বলীর স্ত্রী কালা খাতুন নিহত হয়। ওই হত্যা কান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকতর্া নিয়োজিত হয় মহেশখালী থানার এস, আই পরেশ কুমার কারবারী। মঙ্গল বার রাতে উভয় বাহিনীর মধ্যে তুমূল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে রাতে জোনাব আলী মেম্বারের বাহিনীর কতর্ৃক জালাল বাহিনীর সদস্যদের ৭/৮টি বাড়ীতে লুটপাট ও ব্যাপক তান্ডব চালায়। রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল সকালে উভয় বাহিনী আবারো শ্বশস্ত্র অবস্থান নিয়ে জড়ো হতে থাকে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, দু'গ্রুপই সমগ্র মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছ থেকে অস্ত্র ও ক্যাডার ভাড়া করে নিয়ে আসতে থাকে। অপর একটি অসর্মথিত সুত্র মতে রাতে আনোয়ার বাহিনীর দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল গিয়ে ভোর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে চলে যায়। এর পরে সকাল থেকে দু'গ্রুপই আবারো রণ সজ্জায় অবস্থান নেয়। সকাল সাড়ে ৮টায় জালাল বাহিনীর পক্ষের কালা খাতুর হত্যা মামলার বাদী মৌঃ জালাল আহমদ মামলার তদন্তকারী কর্মকতর্া এস, আই পরেশ কুমার কারবারীকে প্রতিপক্ষের আসামীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে এসেছে বলে আসামী ধরার জন্য এস আই কে নিয়ে যায়। পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌছার সাথে সাথে উভয় গ্রুপ বন্দুক যুদ্ধে লেগে পড়ে।এসময় পুলিশও ঘটনা নিয়ন্ত্রনে পাল্টা গুলি চালাতে থাকে। পুলিশ ৩১ রাউন্ড গুলি র্বষণ করে বলে জানান। এ পরিস্থিতিতে উভয় গ্রুপের মধ্যর্বতী স্থানে হঠাৎ পুলিশের এস আই পরেশ কারবারী ও কনষ্টেবল নুরুল ইসলাম (৪৫) (কনষ্টেবল নং ৩৯১) গুলি বিদ্ধ হয়। তাদের কে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে বড় মহেশখালীর বড় ডেইল নামক স্থানে রান্তায় মারা যায়। পরে থানা সংলগ্ন মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার পরেশ কারবারীকে মৃত ঘোষণা করেন। এস.আই পরেশকারী নিহত হয়েছে বলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হিন্দু-মুসলিম ও বৌদ্ধ সহ হাজার হাজার মানুষ পরেশ কারবারীকে এক নজর দেখার জন্য থানায় ভিড় জমায়।
এদিকে পুলিশ হত্যার পর আনোয়ার বাহিনীর সদস্যরা পিছু হঠলে জালাল বাহিনীর সদস্যরা প্রতি পক্ষের ৮টি ঘরবাড়ীতে অগি্ন সংযোগ করে পুড়িয়ে দেয় এবং গরু ছাগল লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার সাবেক মহিলা মেম্বার খদিজা জানান। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। ককস বাজারের পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থল পরির্দশ করেছে। এঘটনায় এলাকায় থমথমে ও ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচর্াজ রনজিত বড়ুয়া জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহত এস, আই পরেশ কারবারীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য ককস বাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশে পাশের এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসলেও পুলিশে পক্ষ থেকে কাউকে গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করে নাই।


0 Comments