ক্রীড়া প্রতিবেদক
কক্সবাজারের সাংবাদিকদের ফুটবলে দৈনিক আজকের দেশবিদেশই সেরা। কক্সবাজার ক্রীড়া সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শিরোপা অৰুন্ন রেখেছে হট ফেভারিট দৈনিক আজকের দেশবিদেশ। ২৬ জানুয়ারি কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রম্নহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঘটনাবহুল
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালে আজকের দেশবিদেশ ১-০ গোলে দৈনিক আপন কন্ঠ ফুটবল দলকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে। দেশবিদেশ-এর জয়ের নায়ক ৭নং জার্সিধারী স্ট্রাইকার মুরাদ। প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটে ডান প্রানত্দ দিয়ে ৰিপ্রগতির মুরাদ ঢুকে পড়ে। আপন কন্ঠের চার ডিফেন্ডারকে বডি ডজে পরাজিত করে প্রচন্ড শটে প্রতিপৰের নেট কাঁপায়। ফলে দেশবিদেশ ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। এর হাসির রেশ না কাটতেই একটি পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে দেশবিদেশ-এর ইউনুসের দেখার মতো শট গোলে ঢুকার মুহূর্তে আপন কন্ঠের গোলরৰক অবিশ্বাস্যভাবে রৰা করে। প্রথমার্ধে দেশবিদেশ ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে। ফাইনাল ম্যাচের সৌন্দর্যহানির ঘটনাটি দ্বিতীয়ার্ধের শুরম্নতে। এ সময় আপন কন্ঠ দেশবিদেশ এর ডি-বক্সের সামান্য বাইরে প্রি-কিক পায়। হেলালের প্রি-কিকের বল দু'খেলোয়াড় গোলের প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু দেশবিদেশ এর ডিফেন্ডাররা প্রতিপৰের খেলোয়াড়দের অফ সাইড ট্র্যাপে ফেলে। ফলে আপন কন্ঠের স্ট্রাইকার হেডে গোলবারে বল পেস্নস করলেও এর আগেই সহকারী রেফারী আবু সুফিয়ান পতাকা উত্তোলন করে জানান দেয়-এটি অফ সাইড। সাথে সাথে রেফারী সুবীর বড়ুয়া ভুলুর অফ সাইডের বাঁশি বেড়ে উঠে। যথারীতি অফ সাইড কিকের মাধ্যমে খেলা শুরম্ন হয়। শুরম্নর মিনিট দু'য়েক না যেতেই দৈনিক আপন কন্ঠের টিম ম্যানেজমেন্ট রেফারীর সিদ্ধানত্দের প্রতিবাদ জানিয়ে খেলোয়াড়দের নিয়ে স্টেডিয়াম মাঠ ত্যাগ করে। আপন কন্ঠের এ সিদ্ধানত্দে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিক সমাজ ও হাজারো দর্শক হতবাক হয়ে যান। পরে রেফারী আপন কন্ঠকে মাঠে আহবান জানিয়েও ব্যর্থ হয়ে ম্যাচে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা আজকের দেশবিদেশকে রেফারী বিজয়ী ঘোষণা করেন।
উলেস্নখ্য বিগত ৪ বছর আগে ২০০৭ সালে কক্সবাজার প্রেস ক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টেও দৈনিক আজকের দেশবিদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে।
পুরো টুর্ণামেন্টে ভাল খেলার জন্য দেশবিদেশ এর আহত ডিফেন্ডার শফি উলস্নাহ শফি সেরা ফুটবলার এবং কক্সবাজার ইলেকট্রনিক মিডিয়া দলের দলনায়ক এস এম জাফর সেরা গোলরৰক নির্বাচিত হন। এদিকে ফাইনাল ম্যাচ শেষে এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট কমিটির আহবায়ক প্রবীণ সাংবাদিক প্রিয়তোষ পাল পিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) নুরম্নল আলম নিজামী। টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ আলী জিন্নাতের সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন-দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার সম্পাদক, বরেণ্য সাংবাদিক মোহাম্মদ নুরম্নল ইসলাম, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের দু'সাবেক সভাপতি বদিউল আলম, আতাহার ইকবাল, সিনিয়র সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ, রাজনীতিবিদ মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা গোপা সেন, ডিএসএ যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ উলস্নাহ। বক্তব্য রাখেন-টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক এডভোকেট আয়াছুর রহমান, ডিএসএ ট্রেজারার ফরাজী নূরম্নল আলম, কক্সবাজার ক্রীড়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এম আর মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক মীর্যা ওবায়েদ রম্নমেল। পরে অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন/রানার্স আপ ট্রফি ও টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের মাঝে শুভেচ্ছা স্মারক বিতরণ করেন।
রেফারী : সুবীর বড়ুয়া ভুলু, সহকারী আবদুল মজিদ খাঁন, আবু সুফিয়ান ও আবদুল হামিদ।
কক্সবাজারের সাংবাদিকদের ফুটবলে দৈনিক আজকের দেশবিদেশই সেরা। কক্সবাজার ক্রীড়া সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের শিরোপা অৰুন্ন রেখেছে হট ফেভারিট দৈনিক আজকের দেশবিদেশ। ২৬ জানুয়ারি কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রম্নহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঘটনাবহুল
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালে আজকের দেশবিদেশ ১-০ গোলে দৈনিক আপন কন্ঠ ফুটবল দলকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে। দেশবিদেশ-এর জয়ের নায়ক ৭নং জার্সিধারী স্ট্রাইকার মুরাদ। প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটে ডান প্রানত্দ দিয়ে ৰিপ্রগতির মুরাদ ঢুকে পড়ে। আপন কন্ঠের চার ডিফেন্ডারকে বডি ডজে পরাজিত করে প্রচন্ড শটে প্রতিপৰের নেট কাঁপায়। ফলে দেশবিদেশ ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। এর হাসির রেশ না কাটতেই একটি পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে দেশবিদেশ-এর ইউনুসের দেখার মতো শট গোলে ঢুকার মুহূর্তে আপন কন্ঠের গোলরৰক অবিশ্বাস্যভাবে রৰা করে। প্রথমার্ধে দেশবিদেশ ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে। ফাইনাল ম্যাচের সৌন্দর্যহানির ঘটনাটি দ্বিতীয়ার্ধের শুরম্নতে। এ সময় আপন কন্ঠ দেশবিদেশ এর ডি-বক্সের সামান্য বাইরে প্রি-কিক পায়। হেলালের প্রি-কিকের বল দু'খেলোয়াড় গোলের প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু দেশবিদেশ এর ডিফেন্ডাররা প্রতিপৰের খেলোয়াড়দের অফ সাইড ট্র্যাপে ফেলে। ফলে আপন কন্ঠের স্ট্রাইকার হেডে গোলবারে বল পেস্নস করলেও এর আগেই সহকারী রেফারী আবু সুফিয়ান পতাকা উত্তোলন করে জানান দেয়-এটি অফ সাইড। সাথে সাথে রেফারী সুবীর বড়ুয়া ভুলুর অফ সাইডের বাঁশি বেড়ে উঠে। যথারীতি অফ সাইড কিকের মাধ্যমে খেলা শুরম্ন হয়। শুরম্নর মিনিট দু'য়েক না যেতেই দৈনিক আপন কন্ঠের টিম ম্যানেজমেন্ট রেফারীর সিদ্ধানত্দের প্রতিবাদ জানিয়ে খেলোয়াড়দের নিয়ে স্টেডিয়াম মাঠ ত্যাগ করে। আপন কন্ঠের এ সিদ্ধানত্দে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিক সমাজ ও হাজারো দর্শক হতবাক হয়ে যান। পরে রেফারী আপন কন্ঠকে মাঠে আহবান জানিয়েও ব্যর্থ হয়ে ম্যাচে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা আজকের দেশবিদেশকে রেফারী বিজয়ী ঘোষণা করেন।
উলেস্নখ্য বিগত ৪ বছর আগে ২০০৭ সালে কক্সবাজার প্রেস ক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টেও দৈনিক আজকের দেশবিদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে।
পুরো টুর্ণামেন্টে ভাল খেলার জন্য দেশবিদেশ এর আহত ডিফেন্ডার শফি উলস্নাহ শফি সেরা ফুটবলার এবং কক্সবাজার ইলেকট্রনিক মিডিয়া দলের দলনায়ক এস এম জাফর সেরা গোলরৰক নির্বাচিত হন। এদিকে ফাইনাল ম্যাচ শেষে এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট কমিটির আহবায়ক প্রবীণ সাংবাদিক প্রিয়তোষ পাল পিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) নুরম্নল আলম নিজামী। টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ আলী জিন্নাতের সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন-দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার সম্পাদক, বরেণ্য সাংবাদিক মোহাম্মদ নুরম্নল ইসলাম, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের দু'সাবেক সভাপতি বদিউল আলম, আতাহার ইকবাল, সিনিয়র সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ, রাজনীতিবিদ মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা গোপা সেন, ডিএসএ যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ উলস্নাহ। বক্তব্য রাখেন-টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক এডভোকেট আয়াছুর রহমান, ডিএসএ ট্রেজারার ফরাজী নূরম্নল আলম, কক্সবাজার ক্রীড়া সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এম আর মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক মীর্যা ওবায়েদ রম্নমেল। পরে অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন/রানার্স আপ ট্রফি ও টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের মাঝে শুভেচ্ছা স্মারক বিতরণ করেন।
রেফারী : সুবীর বড়ুয়া ভুলু, সহকারী আবদুল মজিদ খাঁন, আবু সুফিয়ান ও আবদুল হামিদ।


0 Comments