মোবারক উদ্দিন নয়ন
টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে। এতে প্রাকৃতির পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। বন কর্মকতর্াদের বিরুদ্ধে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম সিকদার পাড়াস্থ আবুল
হোছন'র বাপ'র ঘোনা নামক এলাকায় কতিপয় প্রভাবশালী লোকজন পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছ। বনবিভাগের কিছু স্বাথর্ান্বেষী কর্মকতর্া উক্ত প্রভাবশালীদের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে পাহাড় কাটার সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পশ্চিম সিকদার পাড়া এলাকার আবদুশ শুক্কুরের পুত্র আমীর হোছন, মৃত মোঃ আলীর পুত্র দিল মোহাম্মদ, আবুল হোছনের পুত্র নুরুল ইসলাম, মৃত মোঃ নছিমের পুত্র শামসুল ইসলাম, মৃত খলিল আহমদের পতু আবুল হোছন ও বামর্াইয়া শামসু অব্যাহতভাবে পাহাড় কেটে বসতবাড়ী নিমর্াণ করে পরিবেশ আইনের বারটা বাজাচ্ছে। এদিকে পাহাড় কাটার স্থান পরির্দশনকালে স্থানীয় লোকজন জানান, হ্নীলা বিট কর্মকতর্া মোঃ সোহরাব হোসেনকে ভিলেজার ছৈয়দ আহমদের পুত্র কামাল আহমদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে এসব পাহাড় কাটা হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল বাধা দিতে চাইলেও কোন তোয়াক্কা করেন না। এ ব্যাপারে হ্নীলা বিট কর্মকতর্া সোহরাব হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উৎকোচ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, পাহার কাটার ব্যাপারে আমরা বারবার জড়িতদের বলা সত্ত্বেও কাটা বন্ধ না করায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বন মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, হ্নীলা এতবড় এরিয়াতে আমরা দু'জন মাত্র লোক। ব্যবস্থা নিতে চাইলেও পারছি না। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহ আগে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় ভূমি অফিস কর্তৃক পাহাড় কাটার প্রজ্ঞাপন জারি করে মাইকিং করা হলেও পাহাড় কাটা অব্যাহত রয়েছে। তাতে করে প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে। এতে প্রাকৃতির পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। বন কর্মকতর্াদের বিরুদ্ধে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম সিকদার পাড়াস্থ আবুল
হোছন'র বাপ'র ঘোনা নামক এলাকায় কতিপয় প্রভাবশালী লোকজন পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছ। বনবিভাগের কিছু স্বাথর্ান্বেষী কর্মকতর্া উক্ত প্রভাবশালীদের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে পাহাড় কাটার সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পশ্চিম সিকদার পাড়া এলাকার আবদুশ শুক্কুরের পুত্র আমীর হোছন, মৃত মোঃ আলীর পুত্র দিল মোহাম্মদ, আবুল হোছনের পুত্র নুরুল ইসলাম, মৃত মোঃ নছিমের পুত্র শামসুল ইসলাম, মৃত খলিল আহমদের পতু আবুল হোছন ও বামর্াইয়া শামসু অব্যাহতভাবে পাহাড় কেটে বসতবাড়ী নিমর্াণ করে পরিবেশ আইনের বারটা বাজাচ্ছে। এদিকে পাহাড় কাটার স্থান পরির্দশনকালে স্থানীয় লোকজন জানান, হ্নীলা বিট কর্মকতর্া মোঃ সোহরাব হোসেনকে ভিলেজার ছৈয়দ আহমদের পুত্র কামাল আহমদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে এসব পাহাড় কাটা হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল বাধা দিতে চাইলেও কোন তোয়াক্কা করেন না। এ ব্যাপারে হ্নীলা বিট কর্মকতর্া সোহরাব হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উৎকোচ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, পাহার কাটার ব্যাপারে আমরা বারবার জড়িতদের বলা সত্ত্বেও কাটা বন্ধ না করায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বন মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, হ্নীলা এতবড় এরিয়াতে আমরা দু'জন মাত্র লোক। ব্যবস্থা নিতে চাইলেও পারছি না। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহ আগে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় ভূমি অফিস কর্তৃক পাহাড় কাটার প্রজ্ঞাপন জারি করে মাইকিং করা হলেও পাহাড় কাটা অব্যাহত রয়েছে। তাতে করে প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।


0 Comments