উখিয়া
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (এমপি) বলেছেন, দেশের অবহেলিত জনপদে হতদরিদ্র পরিবারে অযতœ অবহেলায় বেড়ে উঠা শিশু, কিশোর দারিদ্রতার কারণে অসময়ে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়ছে, তাদেরকে বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে আর্ত সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে সরকার। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠা শিশু বান্ধব কেন্দ্রে শিশুদের পড়ালেখার পাশাপাশি হস্তশিল্প, কারুশিল্প, কম্পিউটার, বিউটি পার্লার, নৃত্য, খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ দিয়ে মেধা ভিত্তিক কাজে সম্পৃক্ত করার ব্যাপারে সব রকমের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ঝরে পড়া শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য সরকারের পাশাপাশি ইউনিসেফ মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে। শিশু বান্ধব কেন্দ্রে বেড়ে উঠা শিশুদের জন্য সরকার খাদ্য থেকে শুরু করে পোষাক পরিচ্ছদসহ উপবৃত্তি হিসেবে নগদ টাকা প্রদান করছে। সরকার চায় দারিদ্রতার কারণে কোন শিশু যাতে অশিক্ষা-কুশিক্ষায় বেড়ে না উঠে। তাদেরকে যথাযথ শিক্ষা ও বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণ দিয়ে সু-শিক্ষিত করে বাংলাদেশ কে একটি সভ্য জাতি হিসেবে পৃথিবীর কাছে পরিচিতি লাভ করতে চায়।
গতকাল ১২ জানুয়ারী বিকাল ৩টায় উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চাইল্ড ফেন্ডলি স্পেস সেন্টার পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। পরে শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুতুপালং গ্রামে এনজিও সংস্থা কোডেক পরিচালিত কিশোরী সংলাপ কেন্দ্র পরিদর্শন করে কিশোরীদের কাপড় বুনা ও কাপড়ের উপর হাতের তৈরী বিভিন্ন বুনো কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এসময় তিনি কেন্দ্রের কিশোরীদের সাথে খোলামেলা আলাপ করে তাদের অভাব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চান। সেখান থেকে প্রতিমন্ত্রী মাষ্টার শামশুল আলমের বাড়ীতে গড়ে তোলা কিশোর সংলাপ কেন্দ্র পরিদর্শন কালে কিশোরদের পড়ালেখার খোজ খবর নেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে ছিলেন, কক্সবাজার সংসদীয় আসনের মহিলা এমপি এথিন রাখাইন, বাংলাদেশস্থ ইউনিসেফ রিপ্রেজেন্টটেটিভ পার্টাকার পেলি, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ নিয়াজ মুহাম্মদ।

0 Comments