সেলিম উদ্দীন
কক্সবাজার সদর তথা দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তম ও ব্যসত্দতম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারের ডজনাধিক হোটেল রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাসি, পঁচা ও ভেজাল খাবার বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা সাধারণ। ৭/৮টি প্রশাসনিক ইউনিয়নের জনগণের প্রাত্যাহিক মিলন কেন্দ্র ঈদগাঁও
বাজারের দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল বিরোধী কোন প্রশাসনিক অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় বাজারের হোটেল রেসত্দোরা মালিকরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর এসব বাসি, পঁচা ও অস্বাস্থ্যকার খাবার খেয়ে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে।
বাজারের সহস্রাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্মচারী সহ সওদাপাতি করতে আসা জনগণ এসব ভেজাল খাবার খেয়ে পেটের বিভিন্ন পীড়ায় আক্রানত্দ হচ্ছেন। রবিবার দুপুরের খাবার খেতে শহীদ জয়নাল সড়কের শাহ মজিদিয়া হোটেলে গিয়ে ভাতের মধ্যে ৩/৪ টি জ্যানত্দ পোকা দেখতে পান স্থানীয় কাসেম মেডিকেলের কর্মচারী জসিম। দেখে অর্ধ খাওয়া অবস্থাতেই তিনি বমি করে দেন বলে জানান। সপ্তাহখানেক আগেও একই হোটেলে তরকারীর মধ্যে মহিলাদের চুল পড়ে থাকতে দেখেন নুর লাইব্রেরীর কর্মচারী জাকের।
এ ব্যাপারে হোটেল মালিক নুরুল কবিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কর্মচারীদের ভুলের কারণে হয়তো এরকম হয়েছে। ঈদগাঁও বাসষ্টেশনস্থ ৩/৪ টি হোটেলের অভ্যনত্দরীন পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বলে ভূক্তারা জানান। এছাড়া বাজারের ডিসি রোডস্থ কয়েকটি হোটেলের একই অবস্থা বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ঈদগাঁওর সচেতন মহল এসব হোটেল রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার জোর দাবী জানিয়েছেন।
কক্সবাজার সদর তথা দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তম ও ব্যসত্দতম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারের ডজনাধিক হোটেল রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাসি, পঁচা ও ভেজাল খাবার বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা সাধারণ। ৭/৮টি প্রশাসনিক ইউনিয়নের জনগণের প্রাত্যাহিক মিলন কেন্দ্র ঈদগাঁও
বাজারের দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল বিরোধী কোন প্রশাসনিক অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় বাজারের হোটেল রেসত্দোরা মালিকরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর এসব বাসি, পঁচা ও অস্বাস্থ্যকার খাবার খেয়ে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে।
বাজারের সহস্রাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্মচারী সহ সওদাপাতি করতে আসা জনগণ এসব ভেজাল খাবার খেয়ে পেটের বিভিন্ন পীড়ায় আক্রানত্দ হচ্ছেন। রবিবার দুপুরের খাবার খেতে শহীদ জয়নাল সড়কের শাহ মজিদিয়া হোটেলে গিয়ে ভাতের মধ্যে ৩/৪ টি জ্যানত্দ পোকা দেখতে পান স্থানীয় কাসেম মেডিকেলের কর্মচারী জসিম। দেখে অর্ধ খাওয়া অবস্থাতেই তিনি বমি করে দেন বলে জানান। সপ্তাহখানেক আগেও একই হোটেলে তরকারীর মধ্যে মহিলাদের চুল পড়ে থাকতে দেখেন নুর লাইব্রেরীর কর্মচারী জাকের।
এ ব্যাপারে হোটেল মালিক নুরুল কবিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কর্মচারীদের ভুলের কারণে হয়তো এরকম হয়েছে। ঈদগাঁও বাসষ্টেশনস্থ ৩/৪ টি হোটেলের অভ্যনত্দরীন পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা বলে ভূক্তারা জানান। এছাড়া বাজারের ডিসি রোডস্থ কয়েকটি হোটেলের একই অবস্থা বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ঈদগাঁওর সচেতন মহল এসব হোটেল রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার জোর দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments