মোবারক উদ্দিন নয়ন
মহেশখালী উপজেলা দ্বীপটির একমাত্র স্থুল প্রবেশদ্বার মহেশখালী ব্রীজের পর উত্তর নলবিলা গ্রাম। এই গ্রামটিতে সংখ্যালঘু বড়ুয়া পাড়ার ৩৫টি পরিবার এলাকা ছেড়ে অন্যত্রে বসবাস করছে। স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী বজল, টুইট্র্যা ডাকাতের অত্যাচারের খড়গ কৃপন থেকে বাঁচতে তারা এলাকা ছেড়েছে বলে জানা যায় গত ২৭ জানুয়ারি মানবাধিকার সংগঠন, অধিকার চট্টগ্রামের উদ্যোগে উক্ত এলাকা পরিদর্শন করে।
ভোক্তভোগিদের কাছ থেকে এই তথ্য জানা যায়। সাফুল বড়ুয়া ও তার স্ত্রী বেবী বড়ুয়া এই সময় এলাকা ত্যাগ করে চলে যাচ্ছিল। সে সময় তারা ও মানবাধিকার কমর্ীদের কাছে বজল ডাকাতের অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। গত ৭ জানুয়ারী রাত ১টা সময় তাদের ঘরে হানা দেয় বজল বাহিনী। তাদের কাছে তাদের সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে এনে দিতে বলে। ঐ দিন মেয়ে আত্নীয় বাড়ীতে বেড়াইতে গিয়ে ছিল। মেয়েকে না পেয়ে মা বেবী বড়ুয়ার শ্লীনতা হানি করে মারধর করে। ঐদিন রাতে স্থানীয় রবি চানের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মেয়ে রুবিনাকে অপহরণ করে নিয়ে পাহাড়ে নিয়ে যায়। প্রায় ৭ দিন পর ১৫ জানুয়ারি পুলিশ রুবিনাকে মূমূর্ষ অবস্থায় পাহাড়ে পাদদেশ থেকে উদ্ভার করে। গত ৬ মাস ধরে বজল বাহিনী খেঠে খাওয়া গরীব ও বিশেষ করে সংখ্যালঘু বড়ুয়া পাড়ায় এসে প্রত্যেক রাতে বিভিন্ন ভাবে নারী নির্যাতনের, লুণ্ঠন মারধর, লুটপাঠ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এ যাবৎ প্রায় ৩৫টি পরিবার বজল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকা ত্যাগ করেছে। এলাকায় স্থানীয়দের মতে এ যাবৎ প্রায় ৬০ জন নারী ও কিশোরীর সম্ভ্রমহানি করেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। বড়ুয়া পাড়া এলাকায় ১১০০ ভোটারের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৪৫০ জন মত কোনমতে নির্যাতন সহ্য করে বসবাস করছে। এর মধ্যে গত ১ মাসে বজল বাহিনীর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে ১০০ জনের মত যুবতী মেয়েদেরকে এলাকার বাহিরে সরিয়ে রেখেছে তাদের অভিভাবকরা। উল্লেখ্য গত ১৮ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে সন্ত্রাসী ও ডাকাতের হামলায় মহেশখালী থানার এক পুলিশ অফিসারকে গুলি করে হত্যা করেছে। এ সমস্ত সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা ও সচিত্র বক্তব্য নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘুদের ঘরে গিয়ে পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সামাজিক ও পরিবেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থ্যার চট্টগ্রাম জেলার সাংগাঠনিক সম্পাদক এস.এম নুরুল আমিন, মানবাধিকার সংগঠন অধিকার এর চট্টগ্রামের ডিফেন্ডার সমন্বয়কারী অধ্যাপক ওসমান জাহাঙ্গীর হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার আসিফ ইকবাল, স্থানীয় মানবাধিকার কমর্ী মোঃ আলমগীর, হুমায়ুন কবীর। মানবাধিকার কমর্ীরা এ সময় নির্যাতিতদের সান্তনা দেন এবং সরকারী সহযোগিতায় ডাকাত বজল বাহিনীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ রকম প্রতিনিয়ত অত্যাচারিত সংখ্যালঘু মানবাধিকার কমর্ীরা গভীর উদ্যোগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত এ ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।
ভোক্তভোগিদের কাছ থেকে এই তথ্য জানা যায়। সাফুল বড়ুয়া ও তার স্ত্রী বেবী বড়ুয়া এই সময় এলাকা ত্যাগ করে চলে যাচ্ছিল। সে সময় তারা ও মানবাধিকার কমর্ীদের কাছে বজল ডাকাতের অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। গত ৭ জানুয়ারী রাত ১টা সময় তাদের ঘরে হানা দেয় বজল বাহিনী। তাদের কাছে তাদের সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে এনে দিতে বলে। ঐ দিন মেয়ে আত্নীয় বাড়ীতে বেড়াইতে গিয়ে ছিল। মেয়েকে না পেয়ে মা বেবী বড়ুয়ার শ্লীনতা হানি করে মারধর করে। ঐদিন রাতে স্থানীয় রবি চানের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মেয়ে রুবিনাকে অপহরণ করে নিয়ে পাহাড়ে নিয়ে যায়। প্রায় ৭ দিন পর ১৫ জানুয়ারি পুলিশ রুবিনাকে মূমূর্ষ অবস্থায় পাহাড়ে পাদদেশ থেকে উদ্ভার করে। গত ৬ মাস ধরে বজল বাহিনী খেঠে খাওয়া গরীব ও বিশেষ করে সংখ্যালঘু বড়ুয়া পাড়ায় এসে প্রত্যেক রাতে বিভিন্ন ভাবে নারী নির্যাতনের, লুণ্ঠন মারধর, লুটপাঠ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এ যাবৎ প্রায় ৩৫টি পরিবার বজল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকা ত্যাগ করেছে। এলাকায় স্থানীয়দের মতে এ যাবৎ প্রায় ৬০ জন নারী ও কিশোরীর সম্ভ্রমহানি করেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। বড়ুয়া পাড়া এলাকায় ১১০০ ভোটারের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৪৫০ জন মত কোনমতে নির্যাতন সহ্য করে বসবাস করছে। এর মধ্যে গত ১ মাসে বজল বাহিনীর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে ১০০ জনের মত যুবতী মেয়েদেরকে এলাকার বাহিরে সরিয়ে রেখেছে তাদের অভিভাবকরা। উল্লেখ্য গত ১৮ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে সন্ত্রাসী ও ডাকাতের হামলায় মহেশখালী থানার এক পুলিশ অফিসারকে গুলি করে হত্যা করেছে। এ সমস্ত সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা ও সচিত্র বক্তব্য নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘুদের ঘরে গিয়ে পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সামাজিক ও পরিবেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থ্যার চট্টগ্রাম জেলার সাংগাঠনিক সম্পাদক এস.এম নুরুল আমিন, মানবাধিকার সংগঠন অধিকার এর চট্টগ্রামের ডিফেন্ডার সমন্বয়কারী অধ্যাপক ওসমান জাহাঙ্গীর হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার আসিফ ইকবাল, স্থানীয় মানবাধিকার কমর্ী মোঃ আলমগীর, হুমায়ুন কবীর। মানবাধিকার কমর্ীরা এ সময় নির্যাতিতদের সান্তনা দেন এবং সরকারী সহযোগিতায় ডাকাত বজল বাহিনীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ রকম প্রতিনিয়ত অত্যাচারিত সংখ্যালঘু মানবাধিকার কমর্ীরা গভীর উদ্যোগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত এ ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।

0 Comments