কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরম্নশকুল হতে প্রতারণা করে লবণ উৎপাদনের ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া ৫ আসামীর মধ্যে ৩ জন কুতুবদিয়া থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। ২৮ জানুয়ারি ভোর রাতে পুলিশ কৈয়ার বিল ইউনিয়নের মিয়াজির পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। ধৃতদেরকে শনিবার দুপুরে
আদালতে হাজির করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানাযায়, কক্সবাজার মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নং- ৫৬ ও জিআর ২৬০ এর প্রধান আসামী কুতুবদিয়ার কৈয়ার বিল ইউনিয়নের মিয়াজির পাড়ার আবুল হাশেমের পুত্র ছৈয়দুল হক (২৮), একই এলাকার মৃত জেবর মুলস্নুকের পুত্র আবদুস শুক্কুর (৩৬) ও মৃত নজু মিয়ার পুত্র জাফর আলম (৩০) কে আটক করা হয়। কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদনত্দ) মামুন জানায় শনিবার ভোর রাতে পুলিশের একটি দল আসামীদের স্ব স্ব বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে।
মামলার বাদী খুরম্নশকুলের বাসিন্দা সাংবাদিক মোর্শেদুর রহমান খোকন জানান তাহার লবণ মাঠে ২০১০-২০১১ মৌসুমে খুরম্নশকুলে লবণ উৎপাদনের জন্য একটি দেড়শত টাকার ষ্ট্যাম্পে চুক্তি মূলে কুতুবদিয়ার কৈয়ার বিলের মিয়াজির পাড়া হতে ২০ জন শ্রমিক আনা হয়। উক্ত শ্রমিকদের পক্ষে ধৃত ৩ আসামীসহ ৫ ব্যক্তি চুক্তি মূলে লবণ উৎপাদনের ৮ লক্ষ টাকা অগ্রিম গ্রহণ করে। পরে লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমে লবণ বিক্রির ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা সহ আরও ১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে গত বছর ২৬ মার্চ ভোর রাতে খুরম্নস্কুল হতে চৌফলদন্ডীর ঘাট দিয়ে অভিযুক্ত ৫ জন সহ অন্যান্য শ্রমিকেরা একযোগে পালিয়ে যায়।
পরবতর্ীতে এ ঘটনা কুতুবদিয়ার স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারের একাধিক বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে এই নিয়ে মোর্শেদুর রহমান খোকন বাদী হয়ে কক্সবাজার মডেল থানায় প্রতারণা ও চুরির অভিযোগে গত বছর ২৭ এপ্রিল ৫ জনের বিরম্নদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়।
এদিকে মামলার তদনত্দকারী কর্মকর্তা এস আই রম্নহুল আমিন অভিযুক্ত আসামিদের বিরম্নদ্ধে গত নভেম্বর মাসে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন।
কুতুবদিয়া থানার ওসি(তদনত্দ) মামুন জানায় পলাতক দুই আসামি আবুল কাশেম ও শহিদুলস্নাহকে শীঘ্রই আটক করা হবে।
আদালতে হাজির করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানাযায়, কক্সবাজার মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নং- ৫৬ ও জিআর ২৬০ এর প্রধান আসামী কুতুবদিয়ার কৈয়ার বিল ইউনিয়নের মিয়াজির পাড়ার আবুল হাশেমের পুত্র ছৈয়দুল হক (২৮), একই এলাকার মৃত জেবর মুলস্নুকের পুত্র আবদুস শুক্কুর (৩৬) ও মৃত নজু মিয়ার পুত্র জাফর আলম (৩০) কে আটক করা হয়। কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদনত্দ) মামুন জানায় শনিবার ভোর রাতে পুলিশের একটি দল আসামীদের স্ব স্ব বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে।
মামলার বাদী খুরম্নশকুলের বাসিন্দা সাংবাদিক মোর্শেদুর রহমান খোকন জানান তাহার লবণ মাঠে ২০১০-২০১১ মৌসুমে খুরম্নশকুলে লবণ উৎপাদনের জন্য একটি দেড়শত টাকার ষ্ট্যাম্পে চুক্তি মূলে কুতুবদিয়ার কৈয়ার বিলের মিয়াজির পাড়া হতে ২০ জন শ্রমিক আনা হয়। উক্ত শ্রমিকদের পক্ষে ধৃত ৩ আসামীসহ ৫ ব্যক্তি চুক্তি মূলে লবণ উৎপাদনের ৮ লক্ষ টাকা অগ্রিম গ্রহণ করে। পরে লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমে লবণ বিক্রির ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা সহ আরও ১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে গত বছর ২৬ মার্চ ভোর রাতে খুরম্নস্কুল হতে চৌফলদন্ডীর ঘাট দিয়ে অভিযুক্ত ৫ জন সহ অন্যান্য শ্রমিকেরা একযোগে পালিয়ে যায়।
পরবতর্ীতে এ ঘটনা কুতুবদিয়ার স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারের একাধিক বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে এই নিয়ে মোর্শেদুর রহমান খোকন বাদী হয়ে কক্সবাজার মডেল থানায় প্রতারণা ও চুরির অভিযোগে গত বছর ২৭ এপ্রিল ৫ জনের বিরম্নদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়।
এদিকে মামলার তদনত্দকারী কর্মকর্তা এস আই রম্নহুল আমিন অভিযুক্ত আসামিদের বিরম্নদ্ধে গত নভেম্বর মাসে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন।
কুতুবদিয়া থানার ওসি(তদনত্দ) মামুন জানায় পলাতক দুই আসামি আবুল কাশেম ও শহিদুলস্নাহকে শীঘ্রই আটক করা হবে।

0 Comments