নিজস্ব প্রতিবেদক
সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদেরের জুলুম নির্যাতনে শুধু অতিষ্ট নয়, মানবেতর জীবন-যাপন করছে একই ইউনিয়নের ফোরকান আহমদ নামের এক প্রতিবন্ধি।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সীমাহীন প্রতাপশালী উক্ত চেয়ারম্যানকে মদদ দিচ্ছে নির্যাতিত প্রতিবন্ধির প্রতারক পিতা লাল মিয়া। একদিকে জন্মদাতা পিতা নামের কলঙ্ক অপরদিকে নিজ এলাকার প্রতাপশালী ইউপি চেয়ারম্যানের নানা নির্যাতনে প্রতিবন্ধি এখন ঘুরছে পথে পথে। থানা, কোর্ট, পত্রিকা অফিসসহ যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই তৈরি হচ্ছে হৃদয়বিদারক দৃশ্য।
অপরাধীদের পুরো ফিরিসত্দি-ই খুবই লোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর। জানা গেছে, কোন কিছু নয়, শুধু সম্পত্তির লোভেই ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুল কাদের হয়ে উঠেছেন হিংস্র। টাকার জন্য পিতা হয়ে গেছেন ভয়ংকর প্রতারক।
প্রতিবন্ধির দেওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা ও তার সাথে আলোচনা করে জানা যায়, ১৯৭২ সালে ২০ জুলাই জন্মের পর থেকে তিনি চরম অনাদর আর অবহেলায় বেড়ে উঠেছেন। সেই জন্মকাল থেকে এই পর্যনত্দ জীবনের প্রায় ৩৯টি বছর কেটেছে তার নিদারম্নন কষ্টে। শৈশব, কৈশোর পেরিয়েছে দাদির বাড়িতে। ছোটকালেই পিতা লাল মিয়া পরনারী আসক্ত হয়ে প্রতিবন্ধির সাথে তালাক দিয়েছিল।
সামাজিক চাপ ও ন্যায়ের প্রতি আস্থাশীল হয়ে তৎকালীন সময়ে পিতার দায়িত্ব শোধ করতে তিনি এই ৫০ শতকজমি দানপত্র মুলে প্রতিবন্ধি সনত্দান ফোরকান আহমদের ভরণ-পোষন ও ভবিষ্যতের জন্য দিয়ে দেয়। এরপর দায় শেষ করে তিনি অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করেন। একই সাথে মায়েরও বিয়ে হয়ে যায় অন্যত্র।
কিন্তু দুর্ভাগ্য কিছুদিন যেতে না যেতেই পিতা লাল মিয়া ছেলেকে দেওয়া জমিটি নগদ টাকায় বিক্রি করে দেন মাস্টার আব্দুল কাদেরকে।
এক সময়ের পেশাজীবি এই মাস্টার কালের পরিক্রমায় গত নির্বাচনে নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান। এরপর সাংঘাতিক প্রভাবশালী, বিত্তশালী হলে উঠেন তিনি। আর এই চেয়ারম্যানই এখন জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ান প্রতিবন্ধির।
অভিযোগ উঠেছে, চেয়ারম্যান আবদুল কাদের জমি-জমা সংক্রানত্দ রাষ্ট্রীয় সকল নিয়ম-কানুন উপেৰা করে বর্তমানে পুরো জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে রম্নখে দিয়েছেন। থানা-আদালত ও ভূমি অফিসের কাগজপত্রও তিনি মানছেন না। সবচেয়ে দাপটের বিষয় হচ্ছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেৰা করে উক্ত চেয়ারম্যান বর্তমানে জমি জবরদখল করে খাচ্ছেন।
প্রতিবাদকারী উক্ত জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধি ফোরকান এই ব্যাপারে মাথা ঘামালেই তার উপর নেমে আসে নির্মম অত্যাচার। জানা গেছে, চেয়ারম্যানের লোকজন ইতোমধ্যে তাকে কয়েক দফা পিটিয়ে ৰানত্দ হয়নি। এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার ২ ছেলে ২ মেয়ে এবং স্ত্রীসহ প্রয়োজনে চৌদ্দগোষ্ঠী উৎখাতের হুমকিও দিচ্ছেন। এই অবস্থায় জীবনের শেষ সহায় সম্বল জমি রৰা এবং প্রতাপশালী চেয়ারম্যানের কবল থেকে রৰা পেতে প্রতিবন্ধি ফোরকান আহমদ পুলিশ, র্যাবসহ প্রশাসনের তড়িৎ হসত্দৰেপ কামনা করেছেন।
সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদেরের জুলুম নির্যাতনে শুধু অতিষ্ট নয়, মানবেতর জীবন-যাপন করছে একই ইউনিয়নের ফোরকান আহমদ নামের এক প্রতিবন্ধি।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সীমাহীন প্রতাপশালী উক্ত চেয়ারম্যানকে মদদ দিচ্ছে নির্যাতিত প্রতিবন্ধির প্রতারক পিতা লাল মিয়া। একদিকে জন্মদাতা পিতা নামের কলঙ্ক অপরদিকে নিজ এলাকার প্রতাপশালী ইউপি চেয়ারম্যানের নানা নির্যাতনে প্রতিবন্ধি এখন ঘুরছে পথে পথে। থানা, কোর্ট, পত্রিকা অফিসসহ যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই তৈরি হচ্ছে হৃদয়বিদারক দৃশ্য।
অপরাধীদের পুরো ফিরিসত্দি-ই খুবই লোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর। জানা গেছে, কোন কিছু নয়, শুধু সম্পত্তির লোভেই ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুল কাদের হয়ে উঠেছেন হিংস্র। টাকার জন্য পিতা হয়ে গেছেন ভয়ংকর প্রতারক।
প্রতিবন্ধির দেওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা ও তার সাথে আলোচনা করে জানা যায়, ১৯৭২ সালে ২০ জুলাই জন্মের পর থেকে তিনি চরম অনাদর আর অবহেলায় বেড়ে উঠেছেন। সেই জন্মকাল থেকে এই পর্যনত্দ জীবনের প্রায় ৩৯টি বছর কেটেছে তার নিদারম্নন কষ্টে। শৈশব, কৈশোর পেরিয়েছে দাদির বাড়িতে। ছোটকালেই পিতা লাল মিয়া পরনারী আসক্ত হয়ে প্রতিবন্ধির সাথে তালাক দিয়েছিল।
সামাজিক চাপ ও ন্যায়ের প্রতি আস্থাশীল হয়ে তৎকালীন সময়ে পিতার দায়িত্ব শোধ করতে তিনি এই ৫০ শতকজমি দানপত্র মুলে প্রতিবন্ধি সনত্দান ফোরকান আহমদের ভরণ-পোষন ও ভবিষ্যতের জন্য দিয়ে দেয়। এরপর দায় শেষ করে তিনি অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করেন। একই সাথে মায়েরও বিয়ে হয়ে যায় অন্যত্র।
কিন্তু দুর্ভাগ্য কিছুদিন যেতে না যেতেই পিতা লাল মিয়া ছেলেকে দেওয়া জমিটি নগদ টাকায় বিক্রি করে দেন মাস্টার আব্দুল কাদেরকে।
এক সময়ের পেশাজীবি এই মাস্টার কালের পরিক্রমায় গত নির্বাচনে নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান। এরপর সাংঘাতিক প্রভাবশালী, বিত্তশালী হলে উঠেন তিনি। আর এই চেয়ারম্যানই এখন জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ান প্রতিবন্ধির।
অভিযোগ উঠেছে, চেয়ারম্যান আবদুল কাদের জমি-জমা সংক্রানত্দ রাষ্ট্রীয় সকল নিয়ম-কানুন উপেৰা করে বর্তমানে পুরো জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে রম্নখে দিয়েছেন। থানা-আদালত ও ভূমি অফিসের কাগজপত্রও তিনি মানছেন না। সবচেয়ে দাপটের বিষয় হচ্ছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেৰা করে উক্ত চেয়ারম্যান বর্তমানে জমি জবরদখল করে খাচ্ছেন।
প্রতিবাদকারী উক্ত জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধি ফোরকান এই ব্যাপারে মাথা ঘামালেই তার উপর নেমে আসে নির্মম অত্যাচার। জানা গেছে, চেয়ারম্যানের লোকজন ইতোমধ্যে তাকে কয়েক দফা পিটিয়ে ৰানত্দ হয়নি। এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার ২ ছেলে ২ মেয়ে এবং স্ত্রীসহ প্রয়োজনে চৌদ্দগোষ্ঠী উৎখাতের হুমকিও দিচ্ছেন। এই অবস্থায় জীবনের শেষ সহায় সম্বল জমি রৰা এবং প্রতাপশালী চেয়ারম্যানের কবল থেকে রৰা পেতে প্রতিবন্ধি ফোরকান আহমদ পুলিশ, র্যাবসহ প্রশাসনের তড়িৎ হসত্দৰেপ কামনা করেছেন।

0 Comments