মোহাম্মদ আবুতাহের
মহেশখালীতে র্যাব-সন্ত্রাসীর গোলাগুলির ঘটনায় নিহত হয়েছে বহু মামলার আসামী দিদার (৪২)। উদ্ধার হয়েছে ৮টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ৮ জানুয়ারী সকাল ৬.৩০ ঘটিকায় । অভিযানে নিহত ব্যক্তি বড় মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা এবং বড় মহেশখালী ইউনিয়ন
আওয়ামীলীগের সভাপতি ফোরকান আহমদের পুত্র বলে জানা গেছে। এঘটনায় নিহত দিদারকে পূর্ব শত্রুতা মূলক ভাবে তার প্রতিপক্ষ র্যাবকে ব্যবহার করে হত্যার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে নিহতের পিতা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
র্যাব ,পুলিশ ও প্রতক্ষ্যদশর্ী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গা পাড়ার পাহাড় তলী এলাকায় একটি সন্ত্রাসী দল পাহাড়ি এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল । এসময় র্যাব -৭ এর একটি দল গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ঐ এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসীদের আসত্দনায় ঘিরে ফেললে সন্ত্রাসীরা পালাতে র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। র্যাব ও পাল্টা গুলি চালায় এসময় র্যাব সন্ত্রাসী গুলি বিনিময়ের ঘটনায় এনকাউন্টারে পড়ে দিদারুল ইসলাম (দিদার) ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
সুত্রে জানা যায়, ঘটনার পর র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল ও নিহতের বাড়ী তল্লাশী চালিয়ে ৮টি দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ২টি একনালা বন্দুক, ১টি কাটা রাইফেল , ৫টি এলজি , ১ টি রামদা ও ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, নিহত দিদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ও নারী নিযর্াতন সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল । তার বিরুদ্ধে ৬/৭ টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
মহেশখালীতে র্যাব-সন্ত্রাসীর গোলাগুলির ঘটনায় নিহত হয়েছে বহু মামলার আসামী দিদার (৪২)। উদ্ধার হয়েছে ৮টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ৮ জানুয়ারী সকাল ৬.৩০ ঘটিকায় । অভিযানে নিহত ব্যক্তি বড় মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা এবং বড় মহেশখালী ইউনিয়ন
আওয়ামীলীগের সভাপতি ফোরকান আহমদের পুত্র বলে জানা গেছে। এঘটনায় নিহত দিদারকে পূর্ব শত্রুতা মূলক ভাবে তার প্রতিপক্ষ র্যাবকে ব্যবহার করে হত্যার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে নিহতের পিতা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
র্যাব ,পুলিশ ও প্রতক্ষ্যদশর্ী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গা পাড়ার পাহাড় তলী এলাকায় একটি সন্ত্রাসী দল পাহাড়ি এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল । এসময় র্যাব -৭ এর একটি দল গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ঐ এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসীদের আসত্দনায় ঘিরে ফেললে সন্ত্রাসীরা পালাতে র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। র্যাব ও পাল্টা গুলি চালায় এসময় র্যাব সন্ত্রাসী গুলি বিনিময়ের ঘটনায় এনকাউন্টারে পড়ে দিদারুল ইসলাম (দিদার) ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
সুত্রে জানা যায়, ঘটনার পর র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল ও নিহতের বাড়ী তল্লাশী চালিয়ে ৮টি দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ২টি একনালা বন্দুক, ১টি কাটা রাইফেল , ৫টি এলজি , ১ টি রামদা ও ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, নিহত দিদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ও নারী নিযর্াতন সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল । তার বিরুদ্ধে ৬/৭ টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।


0 Comments