Advertisement

উখিয়ায় প্রেমের ইতি টানতে প্রেমিকের আকুতি

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া
সত্যিকারের প্রেম শুধু কাছে টানে না, অনেক সময় দূরেও ঠেলে দেয়। যে জন প্রেমের ভাব জানে না...........লেনা-দেনা। এ প্রেমের পরিসমাপ্তি টানতে গিয়ে অনেকেই হয়েছেন ঘরছাড়া,আবার অনেকেই

নতুন আশায় বুক বেঁধে গড়েছেন ঘর-গেরাস্থি। এমনকি প্রেমের কারণেই জাত,ক্থল বিসর্জন দিয়েছেন অনেকেই। তাই তো সত্যিকারের ভালবাসায় কোন প্রতিদান নেই। উখিয়ায় আরাফাত ও সাফা মারওয়া নামে এক প্রেমিক যুগলের পারিবারিক অবস্থার কারণে দু'জন দু'মেরুতে অবস্থানের ফলে তাদের জীবনে নেমে এসেছে বিষাদের কালো ছায়া,এমনি আক্ষেপ করে জানালেন প্রেমিক আরাফাত।
আরাফাত জানান,উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ডিগলিয়া গ্রামের সৈয়দ নূরের মেয়ে সাফা মারওয়ার সাথে একই এলাকার গয়াল মারা গ্রামের প্রবাসী রশিদুল ইসলামের ছেলে আরাফাতের সাথে দীর্ঘদিন ধরে মন দেয়া-নেয়া, এক পর্যায়ে গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। দু'পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করতে প্রবল চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রেম মানে না কোন ঘাত-প্রতিঘাত। পারিবারিক চাপ সহ্য করতে না পেরে দু'জনই সিদ্ধান্ত নেয় অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার। গত ২ আগষ্ট বাড়ি থেকে দু'জনই প্রথমে কক্সবাজার ও পরে চট্টগ্রামে পালিয়ে গিয়ে ভাড়া বাসায় উঠে। মেয়ের পিতা সৈয়দ নূর আরাফাতের মা ও চাচার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার খবর পেয়ে আরাফাত,সাফাকে নিয়ে তার নানার বাড়িতে চলে আসে। ঘটনার ১২দিন পর রত্না পালং ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল কবির চৌধুরীর হস্তক্ষেপে সাফা মারওয়া ও গয়াল মারা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের নামে ব্যাংক একাউন্ট খোলে ৮০হাজার টাকা জামানত স্বরূপ আরাফাতের পরিবারকে রাখতে বলা হয়েছে। আরাফাতের পরিবার ব্যাংকে উল্লেখিত টাকা জমা দেন। পরবর্তীতে ৪ মাস সাফা ও আরাফাত ঘর করার পর গত ১৭ ডিসেম্বর আরাফাতের অনুপস্থিতিতে সাফাকে তার পিতা সৈয়দ নুর ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। সেই থেকে আরাফাত পাগল প্রায়। আরাফাত চায় অসম প্রেমের যবনিকা টানতে তার জীবনে সাফার কোন জুড়ি নেই।

Post a Comment

0 Comments