Advertisement

মন খারাপ কেয়ার, তবুও প্রশ্ন থেকেই যায়


এ কে আজাদ সানি
মন খারাপ চিত্র নায়িকা কেয়ার। সারাদিন বাসায় থাকেন। বাইরে কোথাও বের হন না। খাওয়া-দাওয়াতেও তেমন মন নেই তার। কারণ একটাই_ সমপ্রতি অপকর্মের দায়ে পুলিশের হাতে পড়ে এবং তা নিয়ে মিডিয়ায় হইচই পড়াতে তার ক্যারিয়ারের ১২টা বেজে গেছে। মানুষ তাকে নিয়ে এখন খারাপ মনত্দব্য করছে। আর এ নিয়েই ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ নায়িকার যত চিনত্দা। তবে ঘটনা নিয়ে যতোই হইচই কিংবা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠুক, কেয়া স্রেফ এ ঘটনাকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলেই দাবি করলেন। তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতেই আমার বিরুদ্ধে এ চক্রানত্দ করা হয়েছে। ওই দিন সকালে প্রযোজক পরিচয় দিয়ে ফোন করে নতুন ২ ছবি নির্মাণের কথাও বলা হয় ফোনের অপর প্রানত্দ থেকে। এই আমন্ত্রণ পেয়ে তাদের দেয়া ঠিকানায় যাই সরাসরি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে সবকিছু চূড়ানত্দ করতে। অফিসের দরজায় দাঁড়াতেই নাটকীয়ভাবে ২ পুলিশের লোক বাইরের পুলিশ ফোর্সকে খবর দেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ ফোর্স চলে আসে এবং ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ পুরুষ ও ৭ নারীকে বের করে আনে। এরপর তারা আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাইলে আমরা দেবো না বলি। আর তাতেই তারা আমাদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। তারপর সেলে আটকে রাখে। পুরোটা সময়ই আম্মু আমার সঙ্গে ছিলেন। এ নিয়ে সমপ্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন কেয়া এবং কেয়ার মা। তবে কেয়ার বক্তব্য যাই হোক এখনো এ নিয়ে আলোচনা চলছেই। কেউ কেউ বলে বেড়াচ্ছেন_ অপরিচিত লোক যদি কেয়াকে ডেকে পাঠায় তাহলে সবকিছু না বুঝেই তিনি কেন সেখানে যাবেন? তাছাড়া কেয়া কেনই বা প্রথম চিত্রনায়িকা পরিচয় না দিয়ে সাবরিনা ইতি নাম ব্যাবহার করেছেন? আর এতেই রহস্য থেকে যায়। ঘটনাটি যদি একদমই মিথ্যে হয় তাহলে তাকে পুলিশ কিভাবে কোর্ট পর্যনত্দ টেনে নেয়_ এ প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রযোজকও বলেছেন, কেয়াকে চিত্রনায়িকা হিসেবে সবাই চেনেন। তিনি নতুন কোনো তারকা নন যে, নাম-পরিচয় গোপন করতে হবে। সে কেন প্রথম নাম-পরিচয় গোপন করেছিল। ঘটনাটি যতোই ধামাচাপা দেয়া হোক, রহস্য কিন্তু থেকেই যায়। তারপরও তার প্রতি শুভকামনা রইলো। এদিকে কেয়ার মাও বলেছেন একই কথা। ষড়যন্ত্র করেই তাকে পুলিশে দেয়া হয়েছে। আর এ জন্য কেয়ার মন এখন ভীষণ খারাপ। সে কথা কম বলে, সারাদিন বাসার মধ্যেই থাকে। এ ঘটনাটি তার ক্যারিয়ারের অনেকটা ৰতি করেছে। 

Post a Comment

0 Comments