বার্তা পরিবেশক:
সপ্তম আশ্চর্যের পর্যটন নগরী কক্সবাজার এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক এর ৪০ তম বিজয় দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী জাকজমক পূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে জ্যাকশন হাইটস্থ নিউইয়র্ক জুইস সেন্টারে গত ১১ই ডিসেম্বর ২০১১। সংগঠনের সভাপতি সরওয়ার জামান চৌধুরী সি.পি.এ সভাপতিত্বে এবং সমীরুল ইসলাম বাবলুর পরিচালনায়, অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম। এরপর ত্রিপিটক পাঠ করেন রতন বড়য়া। বাংলাদেশের জাতীয়
সংগীতের মাধ্যমে মুল অনুষ্ঠান শুরু হয়। শহীদ মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। প্রধান অতিথি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আলম। বিশেষ অতিথি অধ্যক্ষ ক্য থিং অং কে ফুল দিয়ে বরণ করেন নেন ক্রীড়া সম্পাদক আকতার হোসাইন। প্রধান অতিথি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন এমপি বক্তব্যে ৪০ তম বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি হল ভর্তি কক্সবাজার বাসীকে দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তার বক্তব্যে বলেন বর্তমান সরকার মাষ্টার প্লানের মাধ্যমে কক্সবাজারকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী উন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছেন। বর্তমান সরকার কক্সবাজারে একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন সড়ক নির্মাণের একটি বিল সংসদেও মন্ত্রী পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি কক্সবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য সকল প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান। বিশেষ অতিথি ডঃ গোলাম মাতবর, ড়ীন, মন মাউত ইউনিভার্সিটি, নিউজাসী, তিনি বলেন কক্সবাজার পর্যটনের সঠিক ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। কক্সবাজার পর্যটন শিল্পিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অনেক গুন বেড়ে যেত। তিনি উক্তর ডিগ্রী তিসিসের কথা উল্লেখ করে বলেন, আজকাল কৃষিতে বিনিয়োগ করার চেয়ে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করলে তিন গুন লাভবান হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সরকারকে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন নগরী গড়ে তোলার আহবান জানান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন ডঃ রাগীর হাসান, ডঃ মাহফুজ চৌধুরী, অধ্যক্ষ ক্য থিং অং ও সরাফ সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিষ্টার ইশরাত সামী, এডভোকেট মুজিবুর রহমাকন, এর্টনী আজিজুল হক।
সংগীতের মাধ্যমে মুল অনুষ্ঠান শুরু হয়। শহীদ মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। প্রধান অতিথি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আলম। বিশেষ অতিথি অধ্যক্ষ ক্য থিং অং কে ফুল দিয়ে বরণ করেন নেন ক্রীড়া সম্পাদক আকতার হোসাইন। প্রধান অতিথি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন এমপি বক্তব্যে ৪০ তম বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি হল ভর্তি কক্সবাজার বাসীকে দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তার বক্তব্যে বলেন বর্তমান সরকার মাষ্টার প্লানের মাধ্যমে কক্সবাজারকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী উন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছেন। বর্তমান সরকার কক্সবাজারে একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন সড়ক নির্মাণের একটি বিল সংসদেও মন্ত্রী পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি কক্সবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য সকল প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান। বিশেষ অতিথি ডঃ গোলাম মাতবর, ড়ীন, মন মাউত ইউনিভার্সিটি, নিউজাসী, তিনি বলেন কক্সবাজার পর্যটনের সঠিক ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। কক্সবাজার পর্যটন শিল্পিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অনেক গুন বেড়ে যেত। তিনি উক্তর ডিগ্রী তিসিসের কথা উল্লেখ করে বলেন, আজকাল কৃষিতে বিনিয়োগ করার চেয়ে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করলে তিন গুন লাভবান হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সরকারকে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন নগরী গড়ে তোলার আহবান জানান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন ডঃ রাগীর হাসান, ডঃ মাহফুজ চৌধুরী, অধ্যক্ষ ক্য থিং অং ও সরাফ সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিষ্টার ইশরাত সামী, এডভোকেট মুজিবুর রহমাকন, এর্টনী আজিজুল হক।
সভাপতির ভাষণে বলেন, গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তি প্রকল্পে যারা এগিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সার্বিথক সহযোগীতা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে ৮০টি বৃত্তির প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার বদিউর আলম, সহ-সভাপতি এতেশামুল হক মিশুল, হাসান চৌধুরী, সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ছৈয়দুল হক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পূর্বে কবিতা আবৃত্তি করেন তানরির সরওয়াররা। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী শাহা মাহাবুর জনপ্রিয় গানের সাথে নৃত্য করেন সাবরিণা রহমান ও তাসনিম আহমেদ। গানগুলো হচ্ছে, যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম ও বেহুরে লগন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ছৈয়দুল হক। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন যারা, আবদুল কাদের বাবুল, শেখ আয়াছ, মনসুর আলম, তানবীর সরওয়ার রানা, এতেশামসুল হক শিমুল, সাহাব উদ্দীন, আবদুল জলিল হাবীব, মহিব উল্লাহ, রনি, মনসুর আলম টেকনাফ, এরফানুল হক, মিজানুল হক, আজিজুল হক, হাসান চৌধুরী, শফি চৌধুরী, সুনিয়া আকতার, আক্তার হোসানই, এনামুল হক রামু, আরো অনেকে ঘরের সুস্বাদু রান্না করা ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


0 Comments