স্টাফ রিপোর্টার
কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কের হাসান কলোনীতে বিল্ডিং কোড না মেনে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। ফলে যেকোন মুর্হুত্বে এই অপরিকল্পিত ভবন ধ্বসে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া অগি্নকান্ড ঘটলে ঢাকার নীমতলী ট্রাজেডির মতো আরো একটি দুর্ঘটনা কক্সবাজারের ইতিহাসে ঘটার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিশেযজ্ঞরা।
এসব আশংকার মধ্যেও শহরের হাসপাতাল সড়কের বেশ কয়েকটি অপরিকল্পিত ভবন গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। পৌরসভার পৰ থেকে বলা হচ্ছে হাসপাতাল সড়কের ভবনটিতে বির্ল্ডিং কোড মানা হয়নি। জানা যায়, পর্যটন শহরের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে বিল্ডি কোর্ড (ইমারত আইন) না মেনে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য ভবন ও স্থাপনা। প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে সংশিস্নষ্ট কতর্ৃপৰের নিদের্শকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে এ কাজ অব্যাহত রেখেছে অনেক স্থানে। তেমনি ভাবে শহরের হাসপাতাল সড়কের হাসান কলোনীতে মৃত রেবতি রঞ্জন ধরের পুত্র কিরণ ধর, অমল ধর, রতন ধর গংরা গড়ে তোলেছে অপরিকল্পিত ভবন। এতে পৌরসভার বিল্ডির্ং কোড মানা হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা যে ভবনটি করেছে সে ভবন করতে পৌরসভার আইন অনুযায়ী পেছনে দেড় মিটার রাখার কথা থাকলেও তারা তা রাখেনি। এরপর অভিযুক্তরা বলছেন তারা পৌরসভার আইন মেনেই ভবন করেছেন। এদিকে ২৭ ডিসেম্বর ভবন নির্মাণের ইট, কংকর ভাঙ্গার ধুলা বালি কিরন ধরদের পাশ্ববর্তী মিলন দাশের বাসায় গিয়ে পড়লে এতে বাধা দেওয়ায় তারা মিলনের ছেলে সুজন, বিজয়সহ কয়েকজনকে আহত করে এবং বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ ঘটনায় মিলন দাশ বাদী হয়ে মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে ২৮ ডিসেম্বর বিকেলে মডেল থানার এস.আই মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসবের পরও ৰমতার প্রভাব খাটিয়ে কিরন ধর গং ভবন নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে। এরকম শহরের অন্যান্য একাধিক স্থানেও গড়ে তোলা হয়েছে অপরিকল্পিত ভবন। বিশেযজ্ঞদের মতে এ ব্যাপারে তরিৎ ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে কক্সবাজারে ঘটতে পারে ঢাকার মর্মানত্দিক নীমতলী ট্রাজেডির মতো আরো একটি বড় দুর্ঘটনা। আর এতে প্রাণ হারাতে পারে অসংখ্য লোক।
কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র রাজ বিহারী দাশ বলেন, আমাদের পৌরসভার আইন অনুয়ায়ী ৪/৫ তলা ভবনের পেছনে দেড় মিটার জায়গা খালি রাখার বিধান রয়েছে। তবে হাসপাতাল সড়কের কিরন গংরা তা রেখেছে কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে তারা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন।


0 Comments