শেখ মোহাম্মদ হানিফ,পেকুয়া॥
বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ও মগনামা ইউনিয়নের ১০ গ্রামবাসীর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার অধিবাসীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিনে পরির্দশনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের সংযোগ ভোলা খালের উপর বুধামাঝির ঘোনা-মগনামা বাজার পাড়ায় একটি বাঁশের সাঁকো
রয়েছে। গত তিনটি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন এই বাঁশের সাঁকোটি পাল্টিয়ে পিলারের সেতু স্থাপনের। কিন্তু সরকার যায় আর আসে এই এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে না। এলাকাবাসী জানায়, গত কয়েক বছর আগে এ বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। এরপরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ঘুম ভাঙ্গেনি। এলাকাবাসী আরো জানায়, বুধামাঝির ঘোনা, মৌলভী পাড়া, জলিয়া বর পাড়া ও জালিয়াখালী এলাকায় কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় নদীর ওপারে পূর্ব মগনামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয় এসব এলাকার কোমল মতি ছাত্র-ছাত্রীদের। পূর্ব মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডা: আব্দুল মজিদ জানান, তার স্কুলে প্রায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওপার থেকে আসে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব শিশুদের চরম ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। পেকুয়া জি.এমসি ইনষ্টিটিউশনের দশম শ্রেনীর ছাত্রী হুমাইরা ও আলমগীর জানান, এই সাঁকোটি আমাদের স্কুলে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম। বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে সাঁকোটির অবস্থা নড়বড়ে হয়ে যায়। অনেক সময় সাঁকোটি ভেঙ্গে গেলে আমাদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয়। স্থানীয় প্রবাসী বেলাল উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, মাষ্টার শফি আলম জানান, এ এলাকায় কোন দোকান-পাট না থাকায় নদীর উপারে নড়বড়ে সাঁকোটি পার হয়ে মগনামা বাজার পাড়ায় গিয়ে সওদা করতে হয়। এই সাঁকোটির স্থলে পিলারের সেঁতু নির্মাণ করা হলে ১০ গ্রামের জনগনের দূর্ভোগ লাঘব হবে। স্থানীয় এলাকাবাসী আরো জানায়, সাঁকোটির স্থলে পাকা ব্রীজ না থাকায় জরুরি অবস্থায় কোন রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। গত ১৭অক্টোবর সাঁকোটির কারনে হাসপাতালে নিতে দেরী হওয়ায় পানিতে পড়ে হাফছা নামের ৭বছরের এক শিশু মারা গেছে। বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বুধামাঝির ঘোনা এলাকার ইউপি সদস্য ছরওয়ার আলম জানান, তার এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই বাঁশের সাঁকোটি। বিভিন্ন সরকার এই সাঁকোটি পাকাকরনের প্রতিশ্রতি দিলেও এখনো পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয় সংবাদকর্মী এম. কফিল উদ্দিন জানান, একটি সেতুর অভাবে এ এলাকার জনগণ উন্নয়ন থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। শীঘ্রই এলাকাবাসী এ এলাকায় একটি সেতু নির্মানের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু জানান, বুধামাঝির ঘোনা ও মগনামার বাজার পাড়া মধ্যে সংযোগ সাঁকোটি নিয়ে বেশ কয়েকবার উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। এই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রস্তাব পাঠাতে চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
রয়েছে। গত তিনটি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন এই বাঁশের সাঁকোটি পাল্টিয়ে পিলারের সেতু স্থাপনের। কিন্তু সরকার যায় আর আসে এই এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে না। এলাকাবাসী জানায়, গত কয়েক বছর আগে এ বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। এরপরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ঘুম ভাঙ্গেনি। এলাকাবাসী আরো জানায়, বুধামাঝির ঘোনা, মৌলভী পাড়া, জলিয়া বর পাড়া ও জালিয়াখালী এলাকায় কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় নদীর ওপারে পূর্ব মগনামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয় এসব এলাকার কোমল মতি ছাত্র-ছাত্রীদের। পূর্ব মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডা: আব্দুল মজিদ জানান, তার স্কুলে প্রায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওপার থেকে আসে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব শিশুদের চরম ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। পেকুয়া জি.এমসি ইনষ্টিটিউশনের দশম শ্রেনীর ছাত্রী হুমাইরা ও আলমগীর জানান, এই সাঁকোটি আমাদের স্কুলে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম। বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে সাঁকোটির অবস্থা নড়বড়ে হয়ে যায়। অনেক সময় সাঁকোটি ভেঙ্গে গেলে আমাদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয়। স্থানীয় প্রবাসী বেলাল উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, মাষ্টার শফি আলম জানান, এ এলাকায় কোন দোকান-পাট না থাকায় নদীর উপারে নড়বড়ে সাঁকোটি পার হয়ে মগনামা বাজার পাড়ায় গিয়ে সওদা করতে হয়। এই সাঁকোটির স্থলে পিলারের সেঁতু নির্মাণ করা হলে ১০ গ্রামের জনগনের দূর্ভোগ লাঘব হবে। স্থানীয় এলাকাবাসী আরো জানায়, সাঁকোটির স্থলে পাকা ব্রীজ না থাকায় জরুরি অবস্থায় কোন রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। গত ১৭অক্টোবর সাঁকোটির কারনে হাসপাতালে নিতে দেরী হওয়ায় পানিতে পড়ে হাফছা নামের ৭বছরের এক শিশু মারা গেছে। বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বুধামাঝির ঘোনা এলাকার ইউপি সদস্য ছরওয়ার আলম জানান, তার এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই বাঁশের সাঁকোটি। বিভিন্ন সরকার এই সাঁকোটি পাকাকরনের প্রতিশ্রতি দিলেও এখনো পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয় সংবাদকর্মী এম. কফিল উদ্দিন জানান, একটি সেতুর অভাবে এ এলাকার জনগণ উন্নয়ন থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। শীঘ্রই এলাকাবাসী এ এলাকায় একটি সেতু নির্মানের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু জানান, বুধামাঝির ঘোনা ও মগনামার বাজার পাড়া মধ্যে সংযোগ সাঁকোটি নিয়ে বেশ কয়েকবার উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। এই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রস্তাব পাঠাতে চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।


0 Comments