ফরিদুল আলম শাহীন:
মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পুলিশ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাধিক পেশাদারিত্ব নিয়ে সৎ ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সেই পুলিশও কোন অবস্থাতে পার পাবেনা। জেলার সবচেয়ে ক্রাইম জনপদ মহেশখালী দ্বীপের কালারমারছড়ার আইনশৃংখলা
পরিস্থিতি ক্রম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মো: জাহাঙ্গীর। তিনি গতকাল শুক্রবার আইনশৃংখলা বিষয়ক এক সভায় কালারমারছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপরোক্ত কথা বলেন। কালারমারছড়ার ক্রাইম নির্মোলে সেখানে খুব শীঘ্রই পূর্ণ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতা তিনি এসব কথা বলেছেন। উত্তর মহেশখালী ও চকরিয়া আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেলকে চকরিয়ায় স্থায়ীভাবে অফিসে বসিয়ে দেয়া হবে।
পরিস্থিতি ক্রম অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মো: জাহাঙ্গীর। তিনি গতকাল শুক্রবার আইনশৃংখলা বিষয়ক এক সভায় কালারমারছড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপরোক্ত কথা বলেন। কালারমারছড়ার ক্রাইম নির্মোলে সেখানে খুব শীঘ্রই পূর্ণ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতা তিনি এসব কথা বলেছেন। উত্তর মহেশখালী ও চকরিয়া আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেলকে চকরিয়ায় স্থায়ীভাবে অফিসে বসিয়ে দেয়া হবে।
গত ৮বছরে মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নে পারস্পরিক সংঘর্ষ, সন্ত্রাস ও দলাদলি হানাহানীতে এ পযর্ন্ত ৩৫জন হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত সাড়ে ৮শ। সন্ত্রাসী হামলায় পঙ্গু হয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক লোক। নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে কয়েকশ নারী ও শিশু। এছাড়া সন্ত্রাস, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানী, চাঁদাবাজি ও দখল বেদখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিটি পাড়া, হাটবাজার, চিংড়িঘের ও লবণ মাঠ নিয়ন্ত্রণ করছেন সন্ত্রাসীরা। এ অবস্থায় প্রশাসনের আন্তরিকতায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত আইন শৃংখলা বিষয়ক সভা অনুষ্টিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মীর কাসিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার, স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদদের সমন্বয়ে সন্ত্রাস ও ডাকাত নির্মূল কমিটি গঠনে আহবান জানান। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামে কমিউনিটি পুলিশ গঠনের মাধ্যমে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের সনাক্ত করে পুলিশের হাতে সোপর্দ্দ করার আহবান জানান। সন্ত্রাস নির্র্র্মূলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকে প্রশাসন সার্বিক সহযোগীতার অঙ্গীকার করেন। তিনি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২৪ঘন্টা সেবা দিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। টাউট বাটপার ও দালালদের জন্য পুলিশের সকল দরজা বন্ধ থাকবে বলে তিনি সভায় দৃঢ়তার সাথে উচ্চারণ করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো: খালেদুজ্জামান। সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কাউছার, মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম আজিজুর রহমান, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির, হোয়ানক ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক, কালারমারছড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মো: ওসমান গণি, সাবেক চেয়ারম্যান জাবের আহমদ চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: শরীফ মাতব্বর, সেলিম চৌধুরী, ডা: হাসান বশির, ইউপি সদস্য নাজেম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, নুরুন্নবী, নজরুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।


0 Comments