ঈদের পরে যারা টেকনাফ রোডে প্রবেশ করছেন, তারা মাত্র ২ কিলোমিটার পথ গেলেই চমকে ওঠছেন!এই অন্ধকার সড়কে হঠাৎ এক অন্যরকম আলোর বিশাল কর্মযজ্ঞ-ঝলকানি দেখে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। কারণ মাত্র কয়েক মাস আগেও শহরতলীর চেইন্দা ছিল একটি পিছিয়ে পড়া অন্ধকার জগত। এখানকার বিস্তৃত অঞ্চল,এমনকি মহাসড়কও বর্ষাকালে যেখানে জলমগ্ন থাকত সেখানেই গড়ে ওঠেছে বিশাল স্থাপনা, পর্যটকদের জন্য বিনোদন পার্ক।
নাম তার ইন্টারন্যাশনাল এমিউজমেন্ট ক্লাব ও পার্ক,কক্সবাজার। দিনের বেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর রাতে ডিজিটাল আলোর বিচ্ছুরণ- চোখ এড়ানো দায়! পার্কের বাইরের দৃশ্য যেমন চমৎকার, ভেতরেরও। আধুনিক স্থাপত্য কলায় নানা প্রকার সুদৃশ্য ফুল ও ফলের গাছ দিয়ে সাজানো এই ক্লাবের বাইরের অংশ। ভেতরে আরো চমৎকার। লেক, ঘূর্ণায়মান রেস্তোরা, পুরুষ ও মহিলা বিউটি পার্লার। রয়েছে অভিজাত ও সুপরিসর আবাসন ব্যবস্থা।




0 Comments