মোঃ নুরুল করিম আরমান, লামা বান্দরবানের লামা মাতামুহুরী নদী এখন অবৈধ কাঠ পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে। এ নদীপথ দিয়ে এখন প্রতিরাতে অবৈধভাবে লাখ লাখ টাকার কাঠ পাচার হচ্ছে। পাচার হওয়া এসব অবৈধ কাঠ আটক কিংবা উদ্ধারের জন্য বন বিট স্থাপন করা হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা কর্মচারীরা কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। ফলে কাঠ পাচারে মাতামুহুরীর দুয়ার এখন উন্মুক্ত। মূলত লামামুখ স্টেশন কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগসাজশেই এ রমরমা কাঠ পাচার চলছে বলে পাচারকারী সূত্র জানিয়েছে। বাঁশ, কলাগাছের চালি বেঁধে কিংবা নৌকায় করে গোপনে
এসব কাঠ পাচার কাজ চলছে। গত এক মাসে এ নদীর বিভিন্ন ঘাট দিয়ে পাচারকালে সেনাবাহিনী পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০লাখ টাকার সেগুন, গামারী, গর্জনসহ মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির অবৈধ কাঠ আটক করেছে। এছাড়া প্রতিদিনই সেনাবাহিনীর টহলটিমের কাছে হরহামেশাই ধরা পড়ছে অবৈধ কাঠ।
জানা যায়, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে মাতামুহুরী নদী অবৈধ কাঠ পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে সংঘবদ্ধ চোরাই কাঠ পাচারকারীরা। তারা দিনে রাতে এখানকার শ্রেণী ও অশ্রেণীভূক্ত বাগান থেকে সেগুনসহ মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির কাঠ সংগ্রহ করে প্রথমে বিটের আওতাধীন অংহ্লাপাড়া, লামামুখ, লামাখাল ও মিশনঘাট প্রভৃতি স্পটে এসব কাঠ অবৈধভাবে মজুত করে। পরে সুযোগ বুঝে রাতের আঁধার নেমে আসার সাথে সাথে বাঁশের চালির নীচ, কলাগাছের চালি ও নৌকায় করে এসব কাঠ কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়। সূত্র জানায়, চোরাই কাঠ পাচারকারীরা লামামুখ ফরেস্ট স্টেশন থেকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিশেষ 'লাইন' নিয়ে (অবৈধ কাঠ পরিবহনের অলিখিত অনুমতি) অবৈধ কাঠ পাচার করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত এক বছরে এ নদী পথে কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি কাঠ অবৈধভাবে পাচার হয়েছে। অথচ একবারের জন্যও এসব অবৈধ কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগকে কোন ধরণের কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। বরং মাতামুহুরী নদীপথে এসব অবৈধ কাঠ পাচারের জন্য কিছু অসাধু বন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পাচারকারী মিলে গড়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেট বনাঞ্চল উজাড় করে প্রতি রাতে লাখ লাখ টাকার কাঠ পাচার করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ পাচারকারী জানান, গাছের মাথা প্রতি ৫০ টাকা হারে স্টেশন কর্মকর্তা কর্মচারীরা উৎকোচ দিয়ে থাকেন। কাঠ পাচার ও উৎকোচের ব্যাপারে লামামুখ বনবিট কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র নাথের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ কথা ছাড়া, অন্য কোন কথা থাকলে বলতে পারেন বলে রিং কেটে দেন।
এসব কাঠ পাচার কাজ চলছে। গত এক মাসে এ নদীর বিভিন্ন ঘাট দিয়ে পাচারকালে সেনাবাহিনী পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০লাখ টাকার সেগুন, গামারী, গর্জনসহ মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির অবৈধ কাঠ আটক করেছে। এছাড়া প্রতিদিনই সেনাবাহিনীর টহলটিমের কাছে হরহামেশাই ধরা পড়ছে অবৈধ কাঠ।
জানা যায়, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে মাতামুহুরী নদী অবৈধ কাঠ পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে সংঘবদ্ধ চোরাই কাঠ পাচারকারীরা। তারা দিনে রাতে এখানকার শ্রেণী ও অশ্রেণীভূক্ত বাগান থেকে সেগুনসহ মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির কাঠ সংগ্রহ করে প্রথমে বিটের আওতাধীন অংহ্লাপাড়া, লামামুখ, লামাখাল ও মিশনঘাট প্রভৃতি স্পটে এসব কাঠ অবৈধভাবে মজুত করে। পরে সুযোগ বুঝে রাতের আঁধার নেমে আসার সাথে সাথে বাঁশের চালির নীচ, কলাগাছের চালি ও নৌকায় করে এসব কাঠ কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়। সূত্র জানায়, চোরাই কাঠ পাচারকারীরা লামামুখ ফরেস্ট স্টেশন থেকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিশেষ 'লাইন' নিয়ে (অবৈধ কাঠ পরিবহনের অলিখিত অনুমতি) অবৈধ কাঠ পাচার করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত এক বছরে এ নদী পথে কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি কাঠ অবৈধভাবে পাচার হয়েছে। অথচ একবারের জন্যও এসব অবৈধ কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগকে কোন ধরণের কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। বরং মাতামুহুরী নদীপথে এসব অবৈধ কাঠ পাচারের জন্য কিছু অসাধু বন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পাচারকারী মিলে গড়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেট বনাঞ্চল উজাড় করে প্রতি রাতে লাখ লাখ টাকার কাঠ পাচার করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ পাচারকারী জানান, গাছের মাথা প্রতি ৫০ টাকা হারে স্টেশন কর্মকর্তা কর্মচারীরা উৎকোচ দিয়ে থাকেন। কাঠ পাচার ও উৎকোচের ব্যাপারে লামামুখ বনবিট কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র নাথের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ কথা ছাড়া, অন্য কোন কথা থাকলে বলতে পারেন বলে রিং কেটে দেন।

0 Comments