এস.এম.তারেক,ঈদগাঁও:
কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর নতুন অফিস থেকে অবৈধ ভাবে উত্তোলন করা বালি ট্রাক সহ আটক করেছে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় তদন্ত কেন্দ্রের এ.এস.আই শরীফ উল্লাহর নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালিত হয়। জানা যায় , গত ১৯ সেপ্টেম্বর চকরিয়া উপজেলার ফুলছড়ি ছড়া থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন কারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। এ সময় আদালত ফুলছড়ির সেন্সীর ব্রীজ ও জুম নগর স্পটে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান উত্তোলিত অবৈধ বালি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহত মেশিন জব্দ পূর্বক এক ব্যাক্তিকে আটক করে। পরে তাৎক্ষনিকভাবে তিনি সেন্সীর ব্রীজ মহাল থেকে জব্দকৃত বালি জিয়াউর রহমান নামক এক ব্যবসায়ীকে ৬৫ হাজার টাকায় এবং মেশিনটি স্থানীয় কাশেম ড্রাইভারকে ১৫ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করে দেন। জুম নগর স্পট থেকে জব্দকৃত বালি মোজাম্মেল নামের এক ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করে দেন। অতপর জুম নগর স্পট থেকে বালি নিলাম খরিদকারী মোজাম্মেল লোভের বশবর্তী হয়ে ছড়ায় শ্রমিক নিয়োগ করে বিপুল পরিমান বালু উত্তোলন করে এবং নিলামে ডাকা বালির স্তুপের সাথে নতুনভাবে উত্তোলন করা বালি যোগ করে যাতে বিষয়টি কেউ বুঝতে না পারে। পরে ওই বালি ট্রাকে করে বিক্রির চেষ্টাকালে এলাকার চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদের ঈদগাঁও পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বালুর গাড়িটি জব্দ করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। এ সময় স্থানীয় আবছার নামক এক যুবকের সাথে পুলিশের সামান্য বাদানুবাদ হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় কামাল হোসেন বাদী হয়ে ভূট্টো ও মোজাম্মেলকে বিবাদী করে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য , বর্ণিত রাস্তা দিয়ে এসব অবৈধ বালির গাড়ি চলাচলের কারণে রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত ও খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকার চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদের ।

0 Comments