শফিউল ইসলাম আজাদ, উখিয়া:
খানা খন্দকে ভরা, ছোট-বড় গর্তে জরাজীর্ণ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক পথে যানবাহন চলাচল মারাত্মক ভাবে বিঘিত হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটন সড়কের বেহাল দশা নিয়ে দেশের সর্ববৃহত্তম পর্যটন স্পট কক্সবাজারের ভাবমূর্তী ক্ষূন্ন হচ্ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ভূক্তভোগী মহল মনে করছেন। সরজমিন, সড়কপদ প্রত্যক্ষ করে সংশ্লিষ্ঠ এলাকাবাসীদের
সাথে কথা বলে জানা গেছে, তৎকালীন সরকারের আমলে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৪সালে সড়ক ও জনপদ বিভাগ তড়িগড়ি করে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের মেরামত কাজ সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে উক্ত সড়ক পথে বড় আকারের কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। বিগত ১৫জুলাই কক্সবাজার জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল বর্ষন ও ভয়াবহ বন্যায় সড়ক পথে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ বালির বস্তা দিয়ে বড় বড় ভাঙ্গন গুলো সংস্কার করে তাদের দায়িত্ব শেষ করে।
সাথে কথা বলে জানা গেছে, তৎকালীন সরকারের আমলে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৪সালে সড়ক ও জনপদ বিভাগ তড়িগড়ি করে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের মেরামত কাজ সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে উক্ত সড়ক পথে বড় আকারের কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। বিগত ১৫জুলাই কক্সবাজার জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল বর্ষন ও ভয়াবহ বন্যায় সড়ক পথে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ বালির বস্তা দিয়ে বড় বড় ভাঙ্গন গুলো সংস্কার করে তাদের দায়িত্ব শেষ করে।
কক্সবাজার-টেকনাফের ৮০ কিলোমিটার সড়ক পথ ব্যবহার করে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীবাহি ও ভারী মালামাল বোঝাই যানবাহন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়ত করছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ এ সড়কে ১০টনের অধিক মালামাল বোঝাই না করার জন্য যানবাহন গুলোকে নির্দেশ দিলেও চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী। ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সড়ক পথে প্রায় স্থানে খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সড়ক পথের ব্যস্ততম এলাকা লিংক রোর্ড, মরিচ্যা, কোটবাজার, উখিয়া, থাইংখালী, পালংখালী, হোয়াইক্যং, কানজরপাড়া, হ্নীলা, টেকনাফ সদরে সড়কের উপর বড়বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানিতে একাকার হয়ে যাওয়ার ফলে ক্ষেত্রবিশেষে যানবাহন গুলো আগের নিয়মে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এভাবে গত ১মাসে ১৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে শতাধিক যাত্রী হতাহত হয়েছে।
সীমান্ত শহর টেকনাফের প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সুন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য পর্যটন মৌসুমে হাজার হাজার বিদেশী পর্যটক এখানে এসে বিড়ম্বনার শিকার হয়। বিশেষত সড়ক পথের করুন অবস্থান প্রেক্ষিতে অনেক সময় যানবাহন আটকা পড়ে পর্যটকদের মূল্যবান সময় অপচয় হয়। এতে করে বিদেশের মাটিতে দেশের পর্যটন শিল্পে ভাবমূর্তী চরম ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। এছাড়া ও ইদানিং কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়ত সুবিধার্থে বিলাশ বহুল গাড়ী গুলো যাতায়ত করায় স্বল্প সময়ে ভোগ বিলাসের সহিত যাত্রীরা গন্তব্য স্থলে পৌছতে সক্ষম হচ্ছে। খানা খন্দকে পরিপূর্ণ জরাজীর্ণ সড়ক পথে যাতায়ত করতে গিয়ে এসব বিলাশ বহুল গাড়ী গুলো মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ঠ মালিক পক্ষ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক পথ থেকে তাদের গাড়ী গুলো প্রত্যাহার করে নেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তা যদি হয়ে তাকে তাহলে বৃহত্তর যাত্রী সাধারণকে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এব্যাপারে আলাপ করে জানতে চাওয়া হলে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সুস্ক মৌসুমের শুরুতেই সড়ক পথে মেরামত কাজ শুরু করা হবে। এব্যাপারে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।


0 Comments