মোঃ নুরুল করিম আরমান, লামা:
লামায় রাবার শ্রমিকের স্ত্রী গণধর্ষনের ৪ দিন পর অবশেষে মামলা নিতে বাধ্য হলো পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতা মহিলাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বান্দরবান পাঠানো হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল আপোষ মিমাংসার নামে ধর্ষণের আলামত নষ্টে কাল ক্ষেপন করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ফাদুখোলা বিমল মার্মার রাবার বাগানে জনৈক রাবার শ্রমিকের স্ত্রী গত বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টম্বর) রাতে স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের কতিপয় দুর্বৃত্ত ধর্ষন করে। ঘটনার পর বমু বিলছড়ির একটি প্রভাবশালী মহল ধর্ষকদের বাঁচাতে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্ঠা চালায়। মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেছেন, একটি মহল আপোষ মিমাংসার নামে নির্যাতিত মহিলার ধর্ষনের আলামত নষ্টের জন্য কাল ক্ষেপন করেছেন। ঘটনার ৪ দিন পর গত সোমবার রাতে নির্যাতিত মহিলা বাদী হয়ে জনৈক জিয়াউর রহমানকে প্রধান আসামী এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে লামা থানায় মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং- ০৯, তারিখ- ১২/০৯/১১ইং) লামা থানা অফিসার ইনচার্জ সাইকুল আহমেদ ভূইয়া সাংবাদিকদের বলেন, মেয়েটি গত শনিবার থানায় আসলে আমরা তাকে মামলা দিতে বলি। কিন্তু তার স্বামী না থাকায় তখন সে মামলা দিতে রাজি হয়নি। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

0 Comments